চম্পা পারুল যূথী টগর চামেলা

বাণী

চম্পা পারুল যূথী টগর চামেলা।
আর সই, সইতে নারি ফুল-ঝামেলা।।
	সাজায়ে বন-ডালি,
	বসে রই বন-মালি
যা'রে দিই এ ফুল সেই হানে হেলাফেলা।।
	কে তুমি মায়া-মৃগ
	রতির সতিনী গো
ফুল নিতে আসিলে এ বনে অবেলা।।
	ফুলের সাথে প্রিয়
	ফুল মালরে নিও
তুমিও এক সই, আমিও একেলা।।

আমি রাজার কুমার পথ ভোলা

বাণী

আমি রাজার কুমার পথ ভোলা,
আমি পথ ভোলা, দখিন হাওয়া দাও দোলা!
আজি প্রাণের ও মনের সকল দ্বার খোলা।।
তরুলতা বনের পাখি তোদের ডাকি আয় শুনে যা
শোন ঝর ঝর ঝর্না-ধারা,
রাজার দুলাল আমি শোন রে ফুল-নদী উতরোলা।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি

বাণী

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি
শ্যাম সহকার তরুর সাথে।
আকাশে পূর্ণিমা-চাঁদের জলসা
হের গো তাই আজি চৈতালী রাতে।।
ফুলে ফুলে তা’র ফুল্ল তনুলতা
গাহিয়া ওঠে পাখি ‘বউ গো কও কথা’,
স্বর্ণলতার সাতনরী১ হার
দুলিছে গলায় রাতুল শোভাতে।।
তা’রি আমন্ত্রণ-লিপি থরে থরে,
শ্যামল পল্লবে কুসুম-আখরে।
তরুলতা দুলে পুলকে নাচি’ নাচি’
মিলন-মন্ত্র গাহিছে মৌমাছি,
আল্পনা আঁকে আলো ও ছায়াতে।।

১. শতনরী

করুণা তোর জানি মাগো আসবে শুভদিন

বাণী

		করুণা তোর জানি মাগো আসবে শুভদিন।
		হোক না আমার চরম ক্ষতি থাক না অভাব ঋণ।।
			আমায় ব্যথা দেওয়ার ছলে
			টানিস্ মা তোর অভয় কোলে,
		সন্তানে মা দুঃখ দিয়ে রয় কি উদাসীন।।
(তোর)	কঠোরতার চেয়ে বেশি দয়া জানি ব’লে,
		ভয় যত মা দেখাস্ তত লুকাই তোরই কোলে।
			সন্তানে ক্লেশ দিস্ যে এমন
			হয়ত মা তার আছে কারণ,
তুই		কাঁদাস্ ব’লে বল্‌ব কি মা হ’লাম মাতৃহীন।।

ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন

বাণী

ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন
ভুবন গভীর বিষাদ মগন।।
নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা
নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা
সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।

নাটক: সাবিত্রী

আমি জানি তব মন বুঝি তব ভাষা

বাণী

	আমি জানি তব মন বুঝি তব ভাষা
	তব কঠিন হিয়ার তলে জাগে কি গভীর ভালোবাসা।।
	ওগো উদাসীন! আমি জানি তব ব্যথা
	আহত পাখির বুকে বাণ বিধেঁ কোথা
	কোন অভিমান ভুলিয়াছ তুমি ভালোবাসিবার আশা।।
তুমি	কেন হানো অবহেলা অকারন আপনাকে,
প্রিয়	যে হৃদয়ে বিষ থাকে সে হৃদয়ে অমৃত থাকে।
	তব যে বুকে জাগে প্রলয় ঝড়ের জ্বালা
	আমি দেখেছি যে সেথা সজল মেঘের মালা
ওগো	ক্ষুধাতুর আমারে আহুতি দিলে
	মিটিবে কি তব পরানের পিপাসা।।