বাণী
আরো কত দূর? কখন শুনিব তব বাঁশরির সুর? দেবে কখন ধরা হব স্বয়ম্ভরা কাঁদাতে জান শুধু তুমি নিঠুর।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আরো কত দূর? কখন শুনিব তব বাঁশরির সুর? দেবে কখন ধরা হব স্বয়ম্ভরা কাঁদাতে জান শুধু তুমি নিঠুর।।
রাগঃ
তালঃ
টিকি আর টুপিতে লেগেছে দ্বন্দ্ব বচন যুদ্ধ ঘোর কে বড় কে ছোট চাই মীমাংসা, কার আছে কর-জোর॥ টিকি বলে শিরে আমি বিরাজিলে হয় আহা কিবা শোভা। যেন প্রকান্ড কুষ্মান্ডের বৃন্তটি মনোলোভা। এ যে চতুর্বর্গ ফলেরি বোঁটা। শুনে টুপি ফিক্ ক’রে হেসে বল্লেঃ ‘ভায়া, শিরে বিরাজ করবার শোভার কথা যদি বল তো ও বড়াই আমারি মুখে মানায়, ও বড়াই আমার মুখে মানায়।’ আমি বাঁকা হয়ে যবে শিরে বসি, দেখে বিবিরা মূর্ছা যায়॥ টিকি বলে, মোরে বলে চৈতন্ কভু বা আর্কফলা আর আমারি প্রসাদে প্রণামীটা মেলে দুটি বেলা চাল-কলা॥ (মেলে দাদা) দুটি বেলা চাল-কলা॥ [শুনে বাদশাহী চালে টুপি বল্লেঃ ‘আরে তোবা তোবা চাল আর কলা? ওসব আবার খাদ্য নাকি হে? এ্যাঁ?] বাদশাহী চালে টুপি বলে ওসব খাদ্য নাকি? দেখো, আমারি দোয়ায়, আহা তোফা জুটে যায়, গোস্ত ও রামপাখি। টিকি বলে মিয়া, আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে (আর) আমারঃ through দিয়ে মগজে বুদ্ধি electricity খেলে মিয়া আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে। এ যে পারে যাবার টিকিট - শুধু টিকিট নয়। [শুনে টুপি রেগে কাঁই, বল্লেঃ] বেহেশ্তে মোর একচেটে অধিকার কাফেরের তরে no admission খোদার ইস্তাহার। (এই রূপে) ক্রমশঃ তর্ক বাড়িল ভীষণ বচনে বেজায় দড়, এ উহারে কয় মোর ঠাঁই উঁচু তুমি বাপু স’রে পড়॥ সহসা মুন্ড ছিন্ন হইল শক্র কৃপাণ ঘায়। টুপি আর টিকি একই সঙ্গে ভূঁয়ে গড়াগড়ি যায়॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

দ্বীনের নবীজি শোনায় একাকী কোরানের মধু-বাণী। আয়েশা খাতুন শোনেন বসিয়া, নয়নে ঝরিছে পানি।। বে-দ্বীন দিওয়ানা হ’য়ে কাঁদে যে কোরান ল’য়ে, বিশ্ববাসী আনিল ঈমান যে পাক কোরান মানি’।। চন্দ্র-তারকা-গ্রহ আদি ঐ তরুলতা মরু-বায়, কোরানের সেই আয়াত শুনিয়া লুটায় নবীর পায়। কোরানে জাগাও ওরে জ্ঞান-গরিমায় মোরে, মরিতে আমায় দিও গো ল’য়ে বক্ষে কোরানখানি।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিউলি ফুলের মালা দোলে শারদ-রাতের বুকে ঐ এমন রাতে একলা জাগি সাথে জাগার সাথি কই। বকুল বনে এক্লা পাখি, আকুল হ’ল ডাকি’ ডাকি’, আমার প্রাণ থাকি’ থাকি’ তেমনি কেঁদে১ ওঠে সই।। কবরীতে করবী ফুল পরিয়া প্রেমের গরবিনী ঘুমায় বঁধু-বাহু পাশে, ঝিমায় দ্বারে নিশীথিনী। ডাকে আমায় দূরের বাঁশি কেমনে আজ২ ঘরে রই।।
১. ডেকে, ২. আর
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ

ও মন চল অকুল পানে, মাতি হরিপ্রেম-গুণগানে। নদী যেমন ধায় অকূলে কূল যত তায় টানে।। তুই কোন্ পাহাড়ে ঠেক্লি এসে কোন্ পাথারের জল হরির প্রেমে গ’লে এবার সেই অসীমে চল্, তুই স্রোতের বেগে দুল্বি রে কূল-বাধা যদি হানে।। এ পারের সব যাত্রী যাবে তোর বুকে ওপারে তোর কূলে শ্যাম বাজিয়ে বাঁশি আস্বে অভিসারে, শ্যামের ছবি ধর্বি বুকে মাত্বি প্রেম-তুফানে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পথিক ওগো চল্তে পথে তোমায় আমায় পথের দেখা। ঐ দেখাতে দুইটি হিয়ায় জাগ্ল প্রেমের গভীর রেখা।। এই যে দেখা শরৎ-শেষে পথের মাঝে অচিন্ দেশে, কে জানে ভাই কখন কে সে চল্ব আবার পথটি একা।। এই যে মোদের একটু চেনার আবছায়াতেই বেদন জাগে ফাগুন হাওয়ার মদির ছোঁওয়া পূবের হাওয়ার কাঁপন লাগে। হয়ত মোদের শেষ দেখা এই এম্নি ক’রে পথের বাঁকেই রইল স্মৃতি চারটি আঁখেই চেনার বেদন নিবি লেখা।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ ঝাঁপতাল
