পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা

বাণী

পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা
আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।।
বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে
আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে
	বুঝি দুখ-নিশি মোর
	হবে না হবে না ভোর
ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।

নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর

বাণী

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর।
প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।।
	বাজুক অধীর হ’য়ে
	নূপুর জলদ লয়ে,
সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।।
	সুর ও সুরার ঝোঁক
	ধরায় অমর হোক,
এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।

নাটিকা: ‘নরমেধ’

ও কে বিকাল বেলা ব’সে

বাণী

ও কে বিকাল বেলা ব’সে নিরালা বাঁধিছে কেশ।
হেরি’ আর্শিতে নিজেরই চারু-মুখ (চোখে) জাগে আবেশ।।
বসনের শাসন নাই অঙ্গে তাহার
উথ্‌লে পড়ে মুক্ত-দেহে যৌবন-জোয়ার,
খুলে’ খুলে’ পড়ে কেশের কাঁটা বেণীর লেশ।।
আঙুলগুলি নাচের ভঙ্গিতে,
খেলে বেড়ায় বেণীর বিনুনিতে।
কভু বাঁকায় ভুরু কভু বাঁকায় গ্রীবা
ঠিক্‌রে পড়ে আয়নায় রূপের বিভা,
জাগে সহসা গালে তা’র সিঁদুর-ডিবার রঙের রেশ।।

উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায়

বাণী

উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায় ওরে আমি কি তায় ভয় করি।
			ও ভাই আমি কি তায় ভয় করি।
পাক্কা ঈমান তক্তা দিয়ে গড়া যে আমার তরী।
			ও ভাই গড়া যে আমার তরী।।
‌‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু'র পাল তুলে,
ঘোর তুফানকে জয় ক'রে ভাই যাবই কূলে,
মোহাম্মদ মোস্তফা নামের (ও ভাই) গুণের রশি ধরি'।।
খোদার রাহে সঁপে দেওয়া ডুববে না মোর তরী,
সওদা ক'রে ভিড়বে তীরে সওয়াব-মাণিক ভরি'।
দাঁড় এ তরীর নামাজ, রোজা, হজ্ ও জাকাত,
উঠুক না মেঘ, আসুক বিপদ — যত বজ্রপাত,
আমি যাব বেহেশত্-বন্দরেতে রে এই সে কিশতিতে চড়ি'।।

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর

বাণী

কেন		প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর
দোলে		টলমল রহে না স্থির।।
		মানে না বারণ উথলে বারি
		ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি
সখি		ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।

নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’

চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম

বাণী

চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম
(কাঠসিম ঘোড়া নিম, আকুতাকু হিমশিম)
বাগ বাজারে লাখো হাজার পঙ্খিরাজ অশ্বের ডিম।।
নওয়াবী নেশা রওয়াবী নেশা প্রাণ হয় তরতজা, হায় হায়
মদের নেশা গাঁজার নেশা এর কাছে একদম পাঁজা
খুলে হৃদয় খিড়কী বাদশার লেড়কী
পাঁইজোর যেন বাজায় রিম্‌ঝিম্‌।।
নলে যেম্‌নি দম্ দি অম্‌নি নল-দময়ন্তী
লটাপটি করে বুকে হয়ে চরণ পঙ্খি, ও গুরু
(ঐ লেগেছে লটাতে পটিতে)
শেয়ালের লেজুড় যেমন ঠেসে কামড়ে ধরে কাঁকড়ায়
(এই ধরেছে কামড়ে লেজুড় কাঁকড়ায়)
চন্ডুর নেশা তেমনি একদিন খেয়ো গিয়ে আখড়ায়
প্রেমে মজে ডাইভোর্স ক’রে (তালাক দিয়ে)
(দাদা) আমি ছেড়েছি কোকেন আফিম।।
আফিম টাফিম সব ছেড়ে দিয়েছি
সত্যি বলি এখন ভাল ছেলে হয়ে গিয়েছি
জানেন মাল ধরেছি মাল, ভাল করিনি, এ্যাঁ ভাল করিনি!!