বাণী
ঘুম আয় ঘুম। নিশুতি দুপুর নিশীথ নিঝুম।। টুলটুল ঝিঙে ফুল ঘুমে ঝিমায়, ঝুমকো লতায় ঝিঁঝিঁ আলসে ঘুমায়, খোকনের চোখে দেয় ঘুমপরী চুম্।।
নাটিকা : ‘জুজুবুড়ির ভয়’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

ঘুম আয় ঘুম। নিশুতি দুপুর নিশীথ নিঝুম।। টুলটুল ঝিঙে ফুল ঘুমে ঝিমায়, ঝুমকো লতায় ঝিঁঝিঁ আলসে ঘুমায়, খোকনের চোখে দেয় ঘুমপরী চুম্।।
নাটিকা : ‘জুজুবুড়ির ভয়’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

লায়লী! লায়লী! ভাঙিয়ো না ধ্যান মজনুর এ মিনতি। লায়লী কোথায়? আমি শুধু দেখি লা এলা'র জ্যোতি।। পাথর খুঁজিয়া ফিরিয়াছি প্রিয়া প্রেম-দরিয়ার কূলে, খোদার প্রেমের পরশ-মানিক পেলাম কখন ভুলে। সে মানিক যদি দেখ একবার মজনুরে তুমি চাহিবে না আর জুলেখা-ইয়ুসুফ লাজ মানে হেরি' তাহার খুব -সুরতি।। মজনুরে ও যে লায়লী ভোলায় সে যে কত সুন্দর বুঝিবে লায়লী যদি তুমি তারে নেহার এক নজর। সাধ মিটিবে না হেথা ভালোবেসে, চল চল প্রিয়া লা এলা'র দেশে নিত্য মিলনে ভুলিব আমরা এই বিরহের ক্ষতি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

খেলি আয় পুতুল-খেলা ব’য়ে যায় খেলার বেলা সই। বাবা ঐ যান আপিসে ভাবনা কিসের খোকারা দোলায় ঘুমোয় ঐ।। দাদা যান ইস্কুলেতে, মা খুড়ি মা রান্না করেন ঐ হেঁসেলে ঠানদি দাওয়ায় ঝীমায় ব’সে ফোকলা বদন মেলে। আয় লো ভুলি পঞ্চি টুলি পটলি খেঁদি কই।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে কে বলে আরবে নদী নাই যথা রহমতের ঢল বহে অবিরল দেখি প্রেমে-দরিয়ার পানি যেদিকে চাই।। যাঁর ক্বাবা ঘরের পাশে আব-এ-জমজম যথা আল্লা-নামের বাদল ঝরে হরদম, যথা ঝরে হরদম- যার জোয়ার এসে দুনিয়ার দেশে দেশে (ওরে) পুণ্যের গুলিস্তান রচিল দেখিতে পাই।। যার ফোরাতের পানি আজো ধরার ‘পরে নিখিল নর-নারীর চোখে ঝরে (ওরে) শুকায় না যে নদী দুনিয়ায়, যার শক্তি বন্যার তরঙ্গ-বেগে যত বিষণ্ন-প্রাণ ওরে আনন্দে উঠল জেগে যাঁর প্রেম-নদীতে,যাঁর পুণ্য-তরীতে মোরা ত'রে যাই।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্। সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।। ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা, এই রোজার শেষে ঈদ আস্বে, রইবে না বিষাদ।। আস্বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে, খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।। তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী শহীদের দর্জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী, দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্তেরি স্বাদ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
