বাণী
ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী। মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি। কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে। তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।
লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী। মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি। কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে। তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।
লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’
রাগঃ
তালঃ
ও মেঘের দেশের মেয়ে। কোথা হ’তে এলি রে তুই কেয়াপাতার খেয়া বেয়ে।। ধারা নূপুর রুন্ঝুনিয়ে কানে কদম দুল দুলিয়ে ফুল কুড়াতে এলি কি তুই মোর কাননে ধেয়ে।। পূব-হাওয়াতে উড়ছে আঁচল নীলাম্বরী, তুমি বুঝি ভাই রূপকাহিনীর মেঘ্লা-পরী। তোর কণ্ঠে বাজে যে গান মধুর তারি’ তালে নাচে ময়ূর, মেঘ-মাদলের সাথে ওঠে আমারও মন গেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ
বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে বাঁধ্ব গো পাষাণ-বুকে নিঝর হয়ে কাঁদব গো।। কুলের কাঁটায় স্বর্ণলতার দুল্ব হার, ফণীর ডেরায় কেয়ার কানন ফাঁদ্ব গো।। ব্যাধের হাতে শুনব সাধের বঙশী-সুর, আস্লে মরণ চরণ ধ’রে সাধব গো।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে গগনমে উঠত যো বাণী সো হি জগজন গাহে॥ রোবত ভারতকে ন্যরনারী বোলাতা জ্যগ মাই হামারী দুঃখ-দৈন্য ভারতকো ঘেরি তুম অব সেবত কাহে॥ নীল সিন্ধু তুম্হা লাগি গ্যরজত ঘন অনুরাগী কেঁউ নাহি উঠত জাগি যব্ ভারত প্রেম গাহে॥
রাগঃ
তালঃ
মরু সাহারা আজি মাতায়োরা — হলেন নাজেল তাহার দেশে খোদার রসুল। যাঁহার নামে যাঁহার ধ্যানে সারা দুনিয়া দীওয়ানা, প্রেমে মশগুল।। যাঁহার আসার আশাতে অনুরাগে নীরস খর্জুর তরুতে রস জাগে, তপ্ত মরু’পরে খোদার রহম্ ঝরে, হাসে আকাশ পরিয়া চাঁদের দুল।। ছিল এ ত্রিভুবন যাঁহার পথ চাহি’ এলে রে সেই নবী ‘ইয়া উম্মতি’ গাহি’, যতেক গুম্রাহে নিতে খোদার রাহে এলো ফুটাতে দুনিয়াতে ইসলামি ফুল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

প্রভু তোমারে খুঁজিয়া মরি ঘুরে ঘুরে বৃথা দূরে চেয়ে থাকি তুমি অন্তরতম আছ অন্তরে নয়নেরে দিয়ে ফাঁকি॥ তুমি কাছে থাকি খেল লুকোচুরি তাই বাহিরে চাহিয়া দেখিতে না পাই যেমন আঁখির পল্লব নাথ দেখিতে পায় না আঁখি॥ মোরা ভাবি তুমি কত দূরে বুঝি গ্রহ তারকার পারে বুকে যে ঘুমায় তারে খুঁজি বনে প্রান্তরে দ্বারে দ্বারে। বাহিরে না পেয়ে ফিরি যবে ঘরে দেখি জেগে আছ তুমি মোর তরে যত ডাকি তত লুকাও হে চোর মোর বুকে মুখ রাখি॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
