বাণী
চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা এবার মোদের পূজিতে হবে। বৃথাই কেঁদেছি বৃথাই সেধেছি সহেছি দুঃখ শোক নীরবে।। টলেনি পাষাণ বলনি কথা কাঁদিয়েছ চিরকাল নিঠুর দেবতা, কাঁদিতে হবে আজ আমাদের ঘরে সে-পূজার ঋণ সুধিবে এ ভবে।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা এবার মোদের পূজিতে হবে। বৃথাই কেঁদেছি বৃথাই সেধেছি সহেছি দুঃখ শোক নীরবে।। টলেনি পাষাণ বলনি কথা কাঁদিয়েছ চিরকাল নিঠুর দেবতা, কাঁদিতে হবে আজ আমাদের ঘরে সে-পূজার ঋণ সুধিবে এ ভবে।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
মা তোর কালো রূপের মাঝে রসের সাগর লুকিয়ে আছে, তোর কৃষ্ণ জ্যোতির আড়াল টেনে মোর প্রেমময় কৃষ্ণ নাচে।। (নাচে, নাচে, নাচে গো) আমি যাঁহার পরম তৃষ্ণা লয়ে কাঁদি (মা), ওমা কৃষ্ণা কেন রাখলি তারে বাঁধি, ওমা যোগমায়া সে যে বাজায় বাঁশি তোরই রূপের কদম গাছে।। আমার অভয় সুন্দরেরে কেন ভয়ের আবরণে রাখলি ঢেকে মাগো, আমি কাঁদব কত এই বিরহের বৃন্দাবনে। ওমা তোর শক্তি যমুনারি তীরে নাম লয়ে মোর শ্যাম যে কেঁদে ফিরে। তুই কোলে করে মেয়েরে তোর নিয়ে যা তাঁর পায়ের কাছে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আজি দোল্-পূর্ণিমাতে দুল্বি তোরা আয়। দখিনার দোল্ লেগেছে দোলন্-চাঁপায়।। দোলে আজ দোল্-ফাগুনে ফুল-বাণ আঁখির তূণে, দুলে আজ বিধুর হিয়া মধুর ব্যথায়।। দুলে আজ শিথিল বেণী, দুলে বধূর মেখলা দুলে গো মালার পলা জড়াতে বঁধুর গলা! মাধবীর দোলন্-লতায় দোয়েলা দোল্ খেয়ে যায়, দুলে যায় হল্দে পাখি সোঁদাল-শাখায়।। বিরহ-শীর্ণা নদীর আজিকে আঁখির কূলে ভরে জল কানায় কানায় জোয়ারে উঠ্ল দু’লে। দুলে বসন্ত-রানী কুসুমিতা বনানী পলাশ রঙন দোলে নোটন-খোঁপায়।। দোলে হিন্দোল-দোলায় ধরণী শ্যাম-পিয়ারী, দুলিছে গ্রহ-তারা আলোক-গোপ-ঝিয়ারি। নীলিমার কোলে বসি’ দুলে কলঙ্কী-শশী, দোলে ফুল-উর্বশী ফুল-দোলায়।।
রাগঃ কালেংড়া-বসন্ত-হিন্দোল
তালঃ দাদ্রা
‘চোখ গেল’ ‘চোখ গেল’ কেন ডাকিস রে চোখ গেল পাখি (রে)। তোর ও চোখে কাহার চোখ পড়েছে নাকি রে চোখ গেল পাখি (রে)।। চোখের বালির জ্বালা জানে সবাই রে চোখে যার চোখ পড়ে তার অষুধ নাই রে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয় তাহার আঁখি রে।। তোর চোখের জ্বালা বুঝি নিশি রাতে বুকে লাগে চোখ গেল ভুলে রে ‘পিউ কাঁহা’ ‘পিউ কাঁহা’ বলে তাই ডাকিস অনুরাগে রে। ওরে বন পাপিয়া কাহার গোপন্-প্রিয়া ছিলি আর জনমে আজো ভুলতে নারিস আজো ঝুরে হিয়া ওরে পাপিয়া বল্ যে হারায় তাহারে কি পাওয়া যায় ডাকি’ রে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ রাহাত আরা গীতি

আবার কেন আগের মত অমন চোখে চাও যে বিরহ গেছি ভুলে’, ভুলতে তারে দাও।। শান্ত উদাস আমার আকাশ নাই সেথা আর মেঘের আভাস, নির্মল সে-আকাশ কেন বাদল-মেঘে ছাও।। বিপুল ধরার দূর নিরালায় একটুখানি পেয়েছি ঠাঁই, নিঠুর, তুমি আবার আগুন জ্বেলো না সেথাও।।
রাগঃ
তালঃ
কালো পাহাড় আলো করে কে ও কে কালো শশী, নিতুই এসে লো বাজায় বাঁশি কদম তলায় বসি।। সই লো মানা কর্ না ওকে, ও চায় না যেন অমন চোখে, ওর চাউনি দেখে অলপ বয়সে হলাম দোষী।। গুরুজনের সে ভয় করে না, বাঁকিয়ে ভুরু ডাকে — সে ডাকে, আমারে সে ডাকে। রাতের বেলায় চোরের মত চাহে বেড়ার ফাঁকে। আমি না চাহিলে নূপুর ছুঁড়ে কলসি ভেঙে পালায় দূরে, আমি মরেছি সই প'রে তাহার বনমালার রশি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
