দূরের বন্ধু আছে আমার

বাণী

দূরের বন্ধু আছে আমার ঐ গাঙের পারের গাঁয়ে।
ঝরা পাতার পত্র আমার যায় ভেসে তার পায়ে।।
জানি জানি আমার দেশে আমার নেয়ে আসবে ভেসে,
চির-ঋণী আছে সে যে আমার প্রেমের দায়ে।।
নতুন আশার পাল তুলে সে আসবে ফিরে ঘরে,
ফুটেছে তাই কাশ-কুসুমের হাসি শুকনো চরে।
পিদিম জ্বেলে তা'রি আশায় গহীন গাঙের সোঁতে ভাসাই
ঐ পিদিমের পথ ধরে সে আসবে সোনার নায়ে।।

গুণে গরিমায় আমাদের নারী আদর্শ দুনিয়ায়

বাণী

গুণে গরিমায় আমাদের নারী আদর্শ দুনিয়ায়
রূপে লাবেন্য মাধুরী ও শ্রীতে হুরী-পরী লাজ পায়।।
নর নহে,নারী ইসলাম 'পরে প্রথম আনে ঈমান
আম্মা খাদিজা জগতে সর্ব প্রথম মুসলমান।
পুরুষের  সব গৌরব ম্লান এক এই মহিমায়।।
নবী-নন্দিনী ফাতেমা মোদের সতী-নারীদের রানী
যাঁর গুণ-গাথা ঘরে ঘরে প্রতি নর-নারী আজো গায়।।
রহিমার মত মহিমা কাহার তাঁর সম সতী কেবা
নারী নয় যেন মূর্তি ধরিয়া এসেছিল পতি-সেবা
মোদের খাওয়ালা জতের আলা বীরত্বে গরিমায়।।
রাজ্য শাসনে রিজিয়ার নাম ইতিহাসে অক্ষয়
শৌর্যে সাহসে চাঁদ-সুলতানা বিশ্বের বিস্ময়
জেবুন্নেসার তুলনা কোথায়,জ্ঞানের তপস্যায়।।
আঁধার হেরেমে বন্দিনী হল সহসা আলোর মেয়ে
সেইদিন হতে ইসলাম গেল গ্লানির কালিতে ছেয়ে।
লক্ষ খালেদ আসিবে যদি এ নারীরা মুক্তি পায়।।

রিমি ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া

বাণী

রিমি 		ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া।
শুনি’		শিহরে কদম, বিদরে কেয়া।।
			ঝিলে শাপলা কমল
			ওই মলিল দল,
		মেঘ-অন্ধ গগন, বন্ধ খেয়া।।
		বারি-ধারে কাঁদে চারিধার
		ঘরে ঘরে রুদ্ধ দুয়ার,
		তেপান্তরে নাচে একা আলেয়া।।
কাঁদে 	চখাচখি, কাঁদে বনে কেকা
		দীপ নিভায়ে কাঁদি আমি একা,
আজ 	মনে পড়ে সেই মন দেয়া-নেয়া।।

ওরে ভবের তাঁতি

বাণী

ওরে ভবের তাঁতি! হরিনামের এঁড়ে গরু কিনিস্‌নে।
তুই মূলে শেষে হাবাত্ হবি ঠাকুরকে তুই চিনিস্‌নে।
		রসিক ঠাকুরকে তুই চিনিস্‌নে।।
তুই খাচ্ছিস্ বেশ ভবের তাঁত বু’নে
চালিয়ে মাকু, ঘুরিয়ে টাকু, তাঁতের গান শু’নে
(ও তুই) সুখে খাবি আয়েশ পাবি
ঐ গরু কেনার টাকাতে তুই জরু আনার জিনিসনে।।
পরমার্থের কিনলে এঁড়ে, অর্থ যাবে ছেড়ে
তোর ঘাড়েরই লাঙল তোকে শেষে আসবে তেড়ে!
কুল যাবে তোর, যাবে জাতি মান
(এই গো-কুলের এঁড়ে এনে) যাবে জাতি মান,
দুঃখ অভাব শোক এসে তোর ধরবে রে দুই কান
শেষে কি কান খোয়াবি কানা হবি ভ’জে কানাই শ্রীকৃষ্ণে।।

সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে

বাণী

সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে!
তোমার রূপের মায়ায় আমার নয়ন- ভুবন গেল ছেয়ে'।।
	ঝরে তোমার রূপের ধারা—
	চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা,
আকাশ-ভরা হাজার তারা তোমার মুখে আছে চেয়ে'।।
	কোন গ্রহ-লোক ব্যথায় ভ'রে
	কোন অমরা শূন্য ক'রে
(ওগো) রাখলে চরণ ধরার পরে রঙ-সায়রের রঙের নেয়ে।
	শিল্পী আকেঁ তোমার ছবি
	তোমারি গান গাহে কবি
নিশীথিনী হারিয়ে রবি চাঁদ হাতে পায় তোমায় পেয়ে।।

ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ

বাণী

ভক্ত নরের কাছে হে নারায়ণ চিরদিন আজ হারি
তাই তো তোমায় নামায়েছি ব্রজে গোলক হইতে কাড়ি।।
চতুর্ভুজের দ্বিভুজ হরিয়া বেঁধেছি যশোদা দুলাল করিয়া
বনমালা পীত বসন পরিয়া হয়েছ ময়ূর মুকুটধারী।।
রাঙা পায়ে তব নূপুর পরায়ে নাচায়েছি পথ মাঝে
হাতে দিয়ে বেণু সাথে দিয়ে ধেণু সাজানু গোপাল সাজে।
ভগবান বলে মোরা না ধেয়াই চোর কপট নিঠুর বলি তাই
সুমধুর গালি দিয়েছি কানাই বামে দিয়ে রাধা প্যারী।।