স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর

বাণী

স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর
তুমি আমি দু’জন প্রিয় তুমি আমি দু’জন।
বাহিরে বকুল-বনে কুহু পাপিয়া করে কুজন।।
		আবেশে ঢুলে’ ফুল-শয্যায় শুই
		মুখ টিপে হাসে মল্লিকা যুঁই
কানে কানে গানে গানে কহে ‘চিনেছি উতল সমীরণ’।।
পূর্ণিমা চাঁদ কয়, গান আর সুর, চঞ্চল ওরা দু’জন
প্রেম-জ্যোতি আনন্দ-আঁখিজল, ছল ছল ওরা দু’জন।
মৌমাছি কয়, গুন্‌ গুন্‌ গান গাই
মুখোমুখি দু’জনে সেইখানে যাই
শারদীয়া শেফালি গায়ে পড়ে কয় —
‘ব্রজের মধুবন — এই তো ব্রজের মধুবন’।।

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী

বাণী

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী।
ইসকী দুনিয়া রং বেরংগী।।
গোরে, কালে আওবে, যাওবে
আপনি আপনি ছাব দেখলাবে,
ই ড্যগর মেঁ সব সংসার —
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।
কিতনে আওবে রাজাবাবু
কিতনে হামসে বেকারি,
কিতনে আপনে গুলকে বন্দে
কিতনে প্রেম-পূজারী।
কোই কিসিকো রাব লাগায়ে
কোই য়া কর খুদ খো যায়ে
সিধা রাস্তা ফির হাজার
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।

গগনে খেলায় সাপ বরষা-বেদিনী

বাণী

	গগনে খেলায় সাপ বরষা-বেদিনী।
	দূরে দাঁড়ায়ে দেখে ভয়-ভীতা মেদিনী।।
	দেখায় মেঘের ঝাপি তুলিয়া
	ফনা তুলি’ বিদ্যুৎ-ফণি ওঠে দুলিয়া,
	ঝড়ের তুব্‌ড়িতে বাজে তার অশান্ত রাগিণী।।
	মহাসাগরে লুটায় তার সর্পিল অঞ্চল
	দিগন্তে দুলে তার এলোকেশ পিঙ্গল
	ছিটায় মন্ত্রপূত ধারাজল অবিরল তন্বী-মোহিনী।।
	অশনি-ডমরু ওঠে দমকি’
	পাতালে বাসুকি ওঠে চমকি’
তার 	ডাক শুনে ছুটে আসে নদীজল যেন পাহাড়িয়া নাগিনী।।

তুমি যে আমার আধখানি চাঁদ

বাণী

তুমি যে আমার আধখানি চাঁদ, আধখানি ঐ আকাশে।
তুমি হাস যবে মোর বুকে থাকি’ ঝলকে জোছনা হাসে।।
	কত বেদনায় মোর হিয়াতল
	ঘন হয়ে আসে যেন দীঘিজল,
তারি বুকে তুমি অমল কমল — দুলিছ দখিনা বাতাসে।।
আমি যে বাঁধিনু খেলাঘরখানি, তুমি যে পুতুল তারি,
বাহিব সেথায় তরণী আমার — তুমি যে অসীম বারি।
	পথগুলি মোর মিশিল যেথায়
	আসিনু ফিরিয়া সেই মোহনায়,
ভালোবাসা তব জীবনে আমার সৌরভ হ’য়ে ভাসে।।

বহু পথে বৃথা ফিরিয়াছি প্রভু

বাণী

বহু পথে বৃথা ফিরিয়াছি প্রভু হইব না আর পথহারা
বন্ধু স্বজন সব ছেড়ে যায় তুমি একা জাগো ধ্রুবতারা।।
	মায়ারূপী হায় কত স্নেহ-নদী,
	জড়াইয়া মোরে ছিল নিরবধি,
সব ছেড়ে গেল, হারাইনু যদি তুমি এসো প্রাণে প্রেমধারা।।
ভ্রান্ত পথের শ্রান্ত পথিক লুটায় তোমার মন্দিরে,
প্রভু আরো যদি কিছু আছে মোর প্রিয় লও বাঁচায়ে বন্দীরে।
	ডাকি' লও মোরে মুক্ত আলোকে
	তব আনন্দ-নন্দন-লোকে,
শান্ত হোক এ ক্রন্দন, আর সহে না এ বন্ধন-কারা।।

হের গোধূলি-বেলা সই ঘনিয়ে এলো

বাণী

হের	গোধূলি-বেলা সই ঘনিয়ে এলো ওই
	(ঐ হের গোধূলি)
	কি ভয়ে কি জানি উঠ্ল অঙ্গ ছ’ম্‌কে।
	কেন জল নিতে এলাম সই অবেলা
	একে অল্প বয়স তাহে একেলা,
	কাঁধে কাঁখে ঘড়া দেহে ডালি-ভরা
		যৌবন-পসরা উঠি চ’ম্‌কে।।
	পিছে পিছে আসিছে যেন কে হাসে চটুল চোখে।
	আর চল্‌তে নারি সখি ধর ধর
	কাঁপে দেহলতা কেন থর থর,
	ঐ কলঙ্কী কালারে বল্ যেতে বল্
	দেশ ভরিবে মোদের কলঙ্কে।
	বল্ তারে, জল নিতে কাল হ’তে —
		আস্‌ব না আর এ পথে।।