বাণী
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
মোর ধেয়ানে মোর স্বপনে পরান-প্রিয়, দিও হে দেখা। মোর শয়নে মোর নয়নে লিখিয়া যেয়ো সলিল-লেখা।। পথ চলিতে আসিলে ভুলে’ নিও না তুলে’ তব দেউলে, হবে না পূজা এ বন-ফুলে — দেবতা মম, ঝরিব একা।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
মাকে আদর করে কালী বলি সে সত্যি কালো নয় রে। তার ঈষৎ হাসির এক ঝলকে জগৎ আলো হয় রে, ত্রি-জগৎ আলো হয় রে।। (কালো নয় কালো নয়, চরণে যার মহাকাল পায়ের নখে চাঁদের মালা, কালো নয় কালো নয়) সত্যি কালো নয় রে।। (আমরা) আপনভোলা পাগলী গিরিবালা মুন্ডামালায় মনে করে কুন্দফুলের মালা; (রয়) মরা-ছেলে বুকের ধ’রে শ্মশানে তন্ময় রে, রয় শ্মশানে তন্ময় রে। শ্মশানে সে থাকে ব’লে ভয়ঙ্করী নয় রে! (ভবের) খেলা-শেষে সকলেরে দেয় সে বরাভয় রে।। (সে) মারে যাকে, মালা করে তারেও পরে রয় রে! (সেই) তামসিকও যায়রে তরে (মাকে) তামসী যে কয় রে।।
রাগঃ
তালঃ ফেরতা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

এ কি অপরূপ যুগল-মিলন হেরিনু নদীয়া ধামে বিষ্ণুপ্রিয়া লক্ষী যেন রে গোলক-পতির বামে।। এ কি অতুলন যুগল-মূরতি যেন শিব-সতী হর-পার্বতী, জনক-দুহিতা সীতাদেবী যেন বেড়িয়া রয়েছে রামে।। গৌরের বামে গৌর-মোহিণী (যেন) রতি ও মদন চন্দ্র-রোহিণী (তোরা) দেখে যা রে আজ মিলন-রাসে যুগল রাধা-শ্যামে।।
নাটক: ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ
জাগো কৃষ্ণকলি, জাগো কৃষ্ণকলি। মধুকরের মিনতি মানো, ডাকে জাগো বলি’, বিহগ-কাকলি।। তব দ্বারে বারে বারে মন-উদাসী ভোরের হাওয়া এসে বাজায় বাঁশি, ফিরে গেল ভ্রমরা মউ-পিয়াসি — অযথা বিতানে কানে কথা বলি।। হের হাতের তার ফুলঝুরি ফেলে’ ধূলায় উদাসী বসন্ত মাগে বিদায়, দীরঘ-শ্বাস ফেলি’ ঝরা পাতায়। চাহে রঙিন ঊষা তব রঙের আভাস তব লাল আভায় লজ্জা পায় হিঙুল পলাশ। এলো কোকিল তোমার রঙে খেল্তে হোলি।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ আড়খেম্টা

(যখন) প্রেমের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে, জুড়াই জ্বালা গজলে। ছাতা দিয়ে মারি খোঁচা যেন সুরের বগলে॥ সিঁড়ির ধারে পিঁড়ি পেতে বিড়ি বাঁধি হায় কলকাতায়, মিলন আশার তামাক ঠাসি হায় বিরহের শাল পাতায়, [‘‘আরে লুল্লু আট পয়সার বিড়ি কিনে লিস্রে হাঁ হাঁ”] জালিম বিবির দিলের ছিপি (দাদা) খুলি সুরের ফজলে॥ কার্ফা তালে চার পা তুলে (হায়) ছুটাই তালের লাল ঘোড়া, ভজুয়া নাত্নি ছুটে আসে হায় ফেলে দিয়ে হায় ঝালবড়া; সুরে-তালে লাগে লড়াই যেন পাঠান মোগলে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
