শ্মশান-কালীর নাম শুনে রে

বাণী

শ্মশান-কালীর নাম শুনে রে ভয় কে পায়।
মা যে আমার শবের মাঝে শিব জাগায়।।
আনন্দেরই নন্দিনী সে শান্তি সুধা কণ্ঠ বিষে
মায়ের চরণ শোভে অরুণ আলোর লাল জবায়।।
চার হাতে মা'র চার যুগেরই খঞ্জনী,
নৃত্য-তালে নিত্য ওঠে রনঝণি'।
মা পায় না ধ্যানে যোগীন্দ্র সেই যোগমায়ায়।। 

কি মজার কড়াই ভাজা

বাণী

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
		যদি পয়সা একটি পাই রে।
মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
	দাদা, পয়সা যদি পাই
	চল পেয়ারা তলায় যাই,
আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

শ্রান্ত হৃদয় অনেক দিনের

বাণী

শ্রান্ত হৃদয় অনেক দিনের অনেক কথার ভারে।
হে বিরহী, গেলে চ’লে, শুনলে নাকো তারে।।
	আমার মুখের সে-কথা, হায়!
	শুনতে এলে অনেক আশায়,
ফুটেছে সেই কথার মুকুল বিজন অন্ধকারে।।
যে কথা, হায়! বলতে এলে, গেলে নাকো ব’লে,
মালা গাঁথার ফুলগুলিরে গেলে পায়ে দ’লে।
	সেই ফুলে আজ মালা গাঁথি’
	তোমার আশায় জাগি রাতি,
তোমার চ’লে যাওয়ার পথ ধুয়ে দিই আকুল নয়ন-ধারে।।

হোরির রঙ লাগে আজি গোপিনীর তনু মনে

বাণী

হোরির রঙ লাগে আজি গোপিনীর তনু মনে।
অনুরাগে-রাঙা গোরীর বিধু-বদনে॥
ফাগের লালী আনিল কে,
কাজল-কালো চোখে
কামনা-আবির ঝরে রাঙা নয়নে॥
অশোক রঙন ফুলের আভা জাগে ডালিম-ফুলী গালে,
নাচিছে হৃদয় আজি রসিয়ার নাচের তালে।
তাম্বুলীরাঙা ঠোঁটে ফাগুনের ভাষা ফোটে,
(তার) প্রাণের খুশির রং লেগেছে রাঙা বসনে॥

ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন

বাণী

ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন সওদাগর।
বদনসীব আয়, আয় গুনাহগার নূতন করে সওদা কর।।
জীবন ভ'রে করলি লোকসান আজ হিসাব তার খতিয়ে নে;
বিনিমূলে দেয় বিলিয়ে সে যে বেহেশতী নজর।।
কোরানের ঐ জাহাজ বোঝাই হীরা মুক্তা পান্নাতে,
লুটে নে রে, লুটে নে সব, ভরে তোল তোর শূন্য ঘর।
কেয়ামতের বাজারে ভাই মুনাফা যে চাও বহুৎ —
এই ব্যাপারীর হও খরিদ্দার লও রে ইহার সিল-মোহর।।
আরশ হতে পথ ভুলে এ এলো মদিনা শহর,
নামে মোবারক মোহাম্মদ — পুঁজি 'আল্লাহু আকবর'।।

আবহায়াতের পানি দাও মরি পিপাসায়

বাণী

আবহায়াতের পানি দাও, মরি পিপাসায়
শরণ নিলাম নবীজির মোবারক পা’য়।।
ভিখারিরে ফিরাবে কি শূন্য হাতে,
দয়ার সাগর তুমি যে মরু সাহারায়।।
অন্ধ আমি আঁধারে মরি ঘুরিয়া,
দেখাবে না-কি মোরে পথ, এই নিরাশায়।।
যে-মধু পিয়ে রহে না ক্ষুধা তৃষ্ণা,
মরার আগে সেই মধু দিও গো আমায়।।