বাণী
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
বসন্ত আজ আসল ধরায় ফুল ফুটেছে বনে বনে। শীতের হাওয়া পালিয়ে বেড়ায় ফাল্গুনী মোর মন-বনে।। ফুলগুলি হায় ঝরেছিল হিমেল হাওয়ার পরশনে, দখিন হাওয়ার হিল্লোলে আজ প্রিয়তমের স্পর্শ নে’। উদাসী এই মাতাল বাতাস জাগায় ধরায়, মাতায় আকাশ, হাসিতে তার কিসের আভাস মন জানে, মনে মনে।।
রাগঃ
তালঃ
নিত্য শুদ্ধ কল্যাণ রূপে আছ তুমি মোর সাথে। সান্দ্র নিবিড় সন্ধ্যায় যেই পথ ভুলি’, ধর হাতে।। প্রদোষে স্বরগ-পাশে তোমার করুণা ভাসে, স্নিগ্ধ শান্ত চাঁদ হ’য়ে, প্রভু, আঁধারে পথ দেখাতে।। মান তাজিয়া যে যায় প্রভু তোমার চরণ-তলে, পূর্ণ-রূপে নেমে আস তার হৃদয়-পদ্ম-দলে। অবতার হও ভুপালিতে প্রভু প্রেম-যমুনার পারে রহ কভু, দগ্ধ-পরানে বিরাজ হে স্বামী, দুঃখ-জ্বালা জুড়াতে।।
রাগঃ শুদ্ধ-কল্যাণ (কল্যাণ ঠাট)
তালঃ একতাল
আমি পূরব দেশের পুরনারী (গো)। গাগরি ভরিয়া এনেছি গো অমৃত-বারি।। পদ্মকুলের আমি পদ্মিনী-বধূ এনেছি শাপলা-পদ্মের মধু ঘন বন ছায়ায় শ্যামলী মায়ায় শান্তি আনিয়াছি ভরি’ হেমঝারি।। আমি শঙ্খ-নগর হতে আনিয়াছি শাখা, অভয়শঙ্খ, ঝিল্ ছেনে এনেছি সুনীল কাজল গো — বিল্ ছেনে অনাবিল চন্দন-পঙ্ক (এনেছি)। এনেছি, শত ব্রত-পার্বণ-উৎসব এনেছি, সারস হংসের কলরব এনেছি, নব আশা-ঊষার সিন্দুর মেঘ-ডম্বরু সাথে মেঘ-ডুমুর শাড়ি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল, দুলায়ে মেঘলা চাঁচর চুল চপল চোখে কাজল মেঘে আসিল কে।। বাজায়ে মেঘর মাদল ভাঙালে ঘুম ছিটিয়ে জল, একা-ঘরে বিজলিতে এমন হাসি হাসিল কে।। এলে কি দুরন্ত মোর ঝোড়ো হাওয়া, চির-নিঠুর প্রিয় মধুর পথ-চাওয়া। হৃদয়ে মোর দোলা লাগে ঝুলনেরই আবেশ জাগে, ফেলে-যাওয়া বাসি মালায় — আবার ভালোবাসিল কে।।
রাগঃ
তালঃ
অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম। মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্কে শ্যামকা নাম।। বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্ যাতি নাগন কালি কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্ মাঙ্গনে আতে লাখ্ যনম্। তুম, আতে ইস্ বৃজধাম।। চুপ্কে চুপ্কে তুম্রে হিরদয় ম বসতা বন্সীওয়ালা, আওর, ধীরে ধীরে উস্কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্কি জ্বালা। পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্, র্যহতে আস্ ল্যগায়ে আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্ হো জাতে বদনাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
