আমার বিফল পূজাঞ্জলি অশ্রু-স্রোতে যায় যে ভেসে

বাণী

আমার বিফল পূজাঞ্জলি অশ্রু-স্রোতে যায় যে ভেসে
তোমার আরাধিকার পূজা হে বিরহী, লও হে এসে॥
	খোঁজে তোমায় চন্দ্র তপন
	পূজে তোমায় বিশ্বভুবন,
আমার যে নাথ ক্ষণিক জীবন মিটবে কি সাধ ভালবেসে॥
না দেখা মোর, বন্ধু ওগো কোথায়, তুমি কোথায়, বাঁশি বাজাও একা,
প্রাণ বোঝে তা অনুভবে নয়ন কেন পায় না দেখা।
	সিন্ধু যেমন বিপুল টানে
	তটিনীরে টেনে আনে,
তেমনি করে তোমার পানে আমায় ডাকো নিরুদ্দেশে॥

এসো মা দশভুজা

বাণী

এসো মা দশভুজা
দশহাতে কল্যাণ আন দশভুজা
মৃত্যুঞ্জয় ঘরনী! মৃতজনে অমৃত দান।
নিরাশ প্রাণে দাও আশা
মূকজনে দাও ভাষা
আঁধার মহিষাসুর বুকে আলোর ত্রিশূল হান॥
দেও জয় বরাভয়, শক্তি, তেজ, প্রেম, প্রীতি
দনুজদলনী! শাপ মুক্ত কর ক্ষিতি,
এলে যদি আর বার মাগো
ভক্তের হৃদি মাঝে জাগো
দুঃখ শোক আর দিও না গো 
		তারিণী সন্তানে ত্রাণ॥

এমনি মধুর ক্ষণে প্রিয়তম নাহি

বাণী

এমনি মধুর ক্ষণে প্রিয়তম নাহি পাশে।
আকুল পরান মম চম্পা-ফুল-সুবাসে।।
উতলা সমীরে বাজে ব্যাকুল বাঁশি
কাননে উছলি’ পড়ে সুরের রাশি,
আলোকে সুরভি তারি গগন ভরিয়া হাসে।।
বাতায়নে মোর নিশীথের তারা সুধায় নীরবে ডাকি,
‘হায় গো উদাসী এমন নিশায় সজল কেন গো আঁখি।’
	সুদূরে রহিল বঁধু একেলা আমি
	অসহ বিরহ সহি দিবসযামী,
আশার মালিকা রচি’, বসিয়া তাহারি আশে।।

আমি পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি

বাণী

আমি	পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি
	তোমাদের সুরের সভায় এই অজানায় লহ গো ডাকি'।।
	তোমরা বেঁধেছে বাসা যে তরু-শাখায়
	আমারে বসিতে দিও তাহারি ছায়ায়
	গাহিবার আছে আশা, জানি না গানের ভাষা
তবু	ভালোবাসা দিয়ে বাঁধ গো রাখি।।
	মায়াময় তোমাদের তরুলতা, ফুল
	তোমাদের গান শুনে' পথ হ'ল ভুল।
	যেন শতবার এসে' জন্মেছি এই দেশে-
বন্ধু	হে বন্ধু, অতিথিরে চিনিবে না-কি।।

তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের

বাণী

তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের অন্ধকারে।
এবার মোদের চির মিলন ধূলির ধরার পরপারে।।

নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’

জনম জনম তব তরে কাঁদিব

বাণী

জনম জনম তব তরে কাঁদিব।
যত হানিবে হেলা ততই সাধিব।।
	তোমারি নাম গাহি’ 
	তোমারি প্রেম চাহি’,
ফিরে ফিরে নিতি তব চরণে আসিব।।
জানি জানি বঁধু, চাহে যে তোমারে,
ভাসে সে চিরদিন নিরাশা-পাথারে।
	তবু জানি হে স্বামী
	কোন্ সে-লোকে আমি,
তোমারে পাব বুকে বাহুতে বাঁধিব।।

১. যত করিবে, ২. ফিরে ফিরে আমি তব চরণে আসিব, ৩. জীবন-স্বামী