বাণী
ফিরে নাহি এলে প্রিয় ফিরে এলো বরষা। মুঞ্জরিল বনে বিরহিণী লতিকা — আমারি আশালতা হ'লো না গো সরসা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ নটমল্লার
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ফিরে নাহি এলে প্রিয় ফিরে এলো বরষা। মুঞ্জরিল বনে বিরহিণী লতিকা — আমারি আশালতা হ'লো না গো সরসা।।
রাগঃ নটমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়। আমার কথার ফুল গো, আমার গানের মালা গো — কুড়িয়ে তুমি নিও।। আমার সুরের ইন্দ্রধনু রচে আমার ক্ষণিক তনু, জড়িয়ে আছে সেই রঙে মোর অনুরাগ অমিয়।। আমার আঁখি-পাতায় নাই দেখিলে আমার আঁখি-জল, আমার কণ্ঠের সুর অশ্রুভারে করে টলমল। আমার হৃদয়-পদ্ম ঘিরে কথার ভ্রমর কেঁদে ফিরে, সেই ভ্রমরের কাছে আমার মনের মধু পিও।।
গীতি আলেখ্য: ‘আকাশবাণী’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে। আমি কাঁটা হয়ে রই নাই বন্ধু তোমার পথের তলে॥ আমি তোমায় ফুল দিয়েছি কন্যা তোমার বন্ধুর লাগি’ যদি আমার শ্বাসে শুকায় সে ফুল তাই হলাম বিবাগী। আমি বুকের তলায় রাখি তোমায় গো, ওরে শুকায়নি ক’ গলে॥ (ওই) যে-দেশ তোমার ঘর্ রে বন্ধু সে দেশ হতে এসে, আমার দুখের তরী দিছি ছেড়ে, (বন্ধু) চলতেছে সে ভেসে। এখন যে-পথে নাই তুমি বন্ধু গো, তরী সেই পথে মোর চলে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে বাঁশরি বাজিল ছায়ানটে মনে মনে॥ চিত্তে চপল নৃত্যে কে ছন্দে ছন্দে যায় ডেকে; যৌবনের বিহঙ্গ ঐ ডেকে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে॥ বাজে বিজয়-ডঙ্কা তারই এলো তরুণ ফাল্গুনী, জাগো ঘুমন্ত – দিকে দিকে ঐ গান শুনি’। টুটিল সব অন্ধকার – খোলো খোলো বন্ধ দ্বার; বাহিরে কে যাবি আয় সে শুধায় জনে জনে॥
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল (জলদ)

আমায় আঘাত যত হানবি শ্যামা ডাকব তত তোরে। মায়ের ভয়ে শিশু যেমন লুকায় মায়ের ক্রোড়ে।। ওমা চারধারে মোর দুখের পাথার তুই পরখ্ কত করবি মা আর, আমি জানি তবু পার হ’ব মা চরণতরী ধ’রে।। আমি ছাড়বো না তোর নামের ধেয়ান বিশ্বভুবন পেলে, আমায় দুঃখ দিয়ে নাম ভুলাবি, নই মা তেমন ছেলে। আমায় দুঃখ দেওয়ার ছলে তুই স্মরণ করিস পলে পলে, আমি সেই আনন্দে দুখের অসীম-সাগর যাব ত’রে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে বাঁধ্ব গো পাষাণ-বুকে নিঝর হয়ে কাঁদব গো।। কুলের কাঁটায় স্বর্ণলতার দুল্ব হার, ফণীর ডেরায় কেয়ার কানন ফাঁদ্ব গো।। ব্যাধের হাতে শুনব সাধের বঙশী-সুর, আস্লে মরণ চরণ ধ’রে সাধব গো।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা
