মা এলো রে মা এলো রে

বাণী

মা এলো রে, মা এলো রে, বরষ পরে আপন ছেলের ঘরে
সাত কোটি ভাই বোন মিলিয়া আজি ডাকি আকুল স্বরে (মাগো আনন্দময়ী)
মা এসেছে! মা এসেছে! আকাশ-পাতাল ‘পরে
আনন্দ তাই ধরে না যে আজকে থরে থরে
শিউলি ফুলের মত আজ আনন্দ গান করে।।
কমল-মুকুল-শাপ্‌লা বনে ভ্রমর শোনায় গীতি —
জাগো জাগো, আজকে মোদের আগমনীর তিথি;
জল-তরঙ্গ বেজে ওঠে নদীর বালুচরে।।
বুকের মাঝে বাঁশি বাজে অঝোর কলরোলে,
দূর-প্রবাসী কাজ ভুলে আয় আপন মায়ের কোলে;
আজকে পেলাম মাকে যেন কত যুগের পরে।।

গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল

বাণী

গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল
রুখসারী সে বেদর্‌দী বোর্‌খা খুল খুল।।
হাঁসতি হায় বোস্তা মস্ত্‌ হো যা দোস্তা
শিরি শিরাজি সে হো যা বেহোঁশ জাঁ
সব কুছ আজ রঙ্গীন হ্যায় সব কুছ মশগুল
হাঁসতি হায় গুল হো কর দোজখ্‌ বিল্‌কুল্‌।
হারে আশক মাশুক কি চমনোঁ মে ফুলতা নেই
দোবারা ফুল, ফুল ফুল ফুল।।

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত

বাণী

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত হোক সার্থক নাম।
হোক এই জাতি ধর্মে এক, কর্মে এক, মর্মে এক — 
এক লক্ষ্যে মধুর সখ্যে,
পূর্ণ হউক পূর্ণ হউক আর্যাবর্তধাম।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

ঐ পথ চেয়ে থাকি আর কত

বাণী

ঐ পথ চেয়ে থাকি আর কত বনমালী।
করে কানাকানি লোক, দেয় ঘরে পরে গালি।।
	মোর কুলের বাঁধন খুলে
	হায় ভাসালে অকুলে,
শেষে লুকালে গোকুলে — এ কি রীতি চতুরালি।।

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে

বাণী

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে।
শরম বারণ যেন করিল চরণ ধ’রে।।
ছল ক’রে কত শত সে মম রুধিত পথ
লাজ ভয়ে পলায়েছি সে ফিরেছে ব্যথাহত
অনাদরে প্রেম-কুসুম গিয়াছে ম’রে।।
কত যুগ মোর আশে ব’সে ছিল পথ-পাশে
কত কথা কত গান জানায়েছে ভালোবেসে
শেষে অভিমানে নিরাশে গিয়াছে স’রে।।

ঘর ছাড়াকে বাঁধতে এলি

বাণী

ঘর ছাড়াকে বাঁধতে এলি কে মা অশ্রুমতী!
লীলাময়ী মহামায়া দাক্ষায়ণী সতী।।
	কে মাগো তুই কার দুলালী
	যোগীন্দ্রেরও যোগ ভুলালি,
তোর ছোঁওয়াতে স্নিগ্ধ হ’ল শিবের তপের জ্যোতি।।
সৃষ্টিরে তোর বাঁচাতে মা করিস্ কতই রঙ্গ,
তোর মায়াতে শঙ্করেরও ধ্যান হ’ল তাই ভঙ্গ।
	শুদ্ধ শিবে মুগ্ধ ক’রে
	চঞ্চলা তুই গেলি স’রে,
হরের যদি জ্ঞান হরিস্ মা মোদের কোথায় গতি।
আমরা যে তোর মায়ায় অন্ধ জীবন দুর্বল মতি —
		ওমা কোথায় মোদের গতি।।

‘সতী’