বাণী
একেলা গোরী জল্কে চলে গঙ্গাতীর অঙ্গে ঢুলিয়া পড়ে লালসে অলস সমীর।। কাঁকনে কলসে বাজে কত কথা পথ মাঝে আঁচল চুমিছে শিশির।। তটিনীতে চলে কি গো সোনার বরণ মায়া-মৃগ নয়নে আবেশ মদির।।
রাগ ও তাল
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

একেলা গোরী জল্কে চলে গঙ্গাতীর অঙ্গে ঢুলিয়া পড়ে লালসে অলস সমীর।। কাঁকনে কলসে বাজে কত কথা পথ মাঝে আঁচল চুমিছে শিশির।। তটিনীতে চলে কি গো সোনার বরণ মায়া-মৃগ নয়নে আবেশ মদির।।
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা

ওরে আমার চটি আমার ঠনঠনিয়ার চটি যাত্রা শুনতে কাহার সাথে গেলি তুই পালটি।। মোর শ্রীচরণ ভরসা গেলি কাহার পায়ে গ'লে তুই দু'বছর পায়ে ছিলি তোরে জানতাম সতী ব'লে তুই কাহার গোদা চরণ দেখে গেলি শেষে পটি'। তোরে নিয়ে গেছেন যিনি তার চটিখানি ফেলে এ চটি তো নয় রামচটিতং আছেন বদন মেলে' সদা আছেন বদন মেলে', যেন অষ্টাবক্র বেঁকে হয়ে গিয়েছেন ঠিক আঁশবঁটি বেঁকে হয়েছেন আঁশবঁটি।। চটি কেন তোরে রাখিনিকো বগল-দাবা ক'রে বুঝি এতক্ষণ সে ফাটিয়ে তোরে ফেলেছে পা' ভ'রে শেষে আস্তাকুড়েঁ দেছে ফেলে সে যে হয়তো চটিমটি'।। আমি ভাবি, এ তার পায়ের জুতো না তার গায়ের নিমা আমারচটির পাশে ইনি ঠিক যেন দিদি মা ওরে চটি রে তোর দিদি হলেও চলতো মোটামুটি তুই চটপটিয়ে আয় চ'লে নয় সত্যি যা'ব চটি'।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আমি গরবিনী মুসলিম বালা সংসার সাহারাতে আমি গুলে লালা।। জ্বালায়েছি বাতি (আমি) আঁধার কাবায় এনেছি খুশির, ঈদে শিরনির থালা।। আনিয়াছি ঈমান প্রথম আমি আমি দিয়াছি সবার আগে মোহাম্মদে মালা।। কত শত কারবালা বদরের রণে বিলায়ে দিয়াছি স্বামী-পুত্র স্বজনে; জানে গ্রহ-তারা জানে আল্লাহ তালা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ছিটাইয়া ঝাল নুন এলো ফাল্গুন মাস কাঁচা বুকে ধরে ঘুণ, শ্বাস ওঠে ফোঁস ফাঁস।। শিমুল ফুলের মত ফটাফট্ ফাটে হিয়া প্রেম-তুলো বের হয়ে পড়ে গো ছড়াইয়া, সবে বালিশ ধরিয়া করে ছটপট হাঁসফাঁস।। চিবুতে সজ্’নে খাড়া সজনীরা ভুলে যায়, আনাগোনা করে প্রেম পরানের দরজায়, হৃদয়ের ইঞ্জিনে গ্যাস্ ওঠে ভোঁস ভাঁস।। কচি আম-ঝোল-টক খাইয়া গিন্নি মায় বৌঝির সাথে করে টক্ষাই টক্ষাই। আইবুড়ো আইবুড়ি জল গেলে ছ’ গেলাস।। বিরহিণীদের আঁখি-কলসি হয়েছে ফুটো, গাধাও আজ গাহে গান ফেলিয়া ঘাসের মুঠো, নোনা-পাকা মন বলে, কবে আসে তালশাঁস।।
রাগঃ সোহিনী বসন্ত
তালঃ কাহার্বা

কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিলে না ধরা জীবনে যদি। বিশাল চোখে মিশায়ে মরু চাহিলে কেন গো বে–দরদী।। ছিনু অচেতন আপনা নিয়ে কেন জাগালে আঘাত দিয়ে তব আঁখিজল সে কি শুধু ছল একি মরু হায় নহে জলধি।। ওগো কত জনমের কত সে কাঁদন করে হাহাকার বুকেরি তলায় ওগো কত নিরাশায় কত অভিমান ফেনায়ে ওঠে গভীর ব্যথায়। মিলন হবে কোথায় সে কবে কাঁদিছে সাগর স্মরিয়া নদী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাবিহা মাহবুব

আমি চাঁদ নহি, চাঁদ নহি অভিশাপ শূন্য হৃদয়ে আজো নিরাশায় আকাশে করি বিলাপ।। শত জনমের অপূর্ণ সাধ ল'য়ে আমি গগনে কাদিঁ গো ভুবনের চাঁদ হয়ে জোছনা হইয়া ঝরে গো আমার অশ্রু বিরহ-তাপ।। কলঙ্কহয়ে বুকে দোলে মোর তোমার স্মৃতির ছায়া এত জোছনায় ঢাকিতে পারিনি তোমার মধুর মায়া। কোন সে সাগর মন্থন শেষে মোরে জড়াইয়া যেন উঠেছিলে প্রেমভরে হায় তুমি গেছ চলে বুকে তবু দোলে তব অঙ্গের ছাপ।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
