বাণী
তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের অন্ধকারে। এবার মোদের চির মিলন ধূলির ধরার পরপারে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের অন্ধকারে। এবার মোদের চির মিলন ধূলির ধরার পরপারে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ
কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে। কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥ কালো জলে দীঘির বুকে কালায় দেখি নীল-শালুকে (আমি) চম্কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥ কল্মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো। উড়ে গেলে দোয়েল পাখি ভাবি কালার কালো আঁখি আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ হৈমন্তী শুক্লা

মৃত্যু নাই, নাই দুঃখ, আছে শুধু প্রাণ। আনন্ত আনন্দ হাসি অফুরান।। নিরাশার বিবর হ’তে আয় রে বাহির পথে, দেখ্ নিত্য সেথায় — আলোকের অভিযান।। ভিতর হ’তে দ্বার বন্ধ ক’রে জীবন থাকিতে কে আছিস্ ম’রে। ঘুমে যারা অচেতন দেখে রাতে কু-স্বপন, প্রভাতে ভয়ের নিশি হয় অবসান।।
রাগঃ আশা-ভৈরবী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

মদিনার শাহানশাহ্ কোহ্-ই-তূর-বিহারী মোহাম্মদ মোস্তফা নবুয়তধারী॥ আল্লার প্রিয় সখা, দুলাল মা আমেনার খাদিজার স্বামী, প্রিয়তম আয়েশার আস্হাবের হাম্দম্, ওয়ালেদ ফাতেমার, বেলালের আজান, খালেদের তলোয়ার, কেয়ামতে উম্মত শাফায়ত-কারী॥ তৌহিদ-বাণী মুখে, আল-কোরআন হাতে খোদার নূর দেখি যাঁর হাসির ইশারাতে যাঁর কদমের নীচে দুলে কত জিন্নাত, যে দু’হাতে বিলালো দুনিয়ায় খোদার মোহাব্বত হো মেরাজের দুলহা আল্লার আর্শচারী॥ নয়নে যাঁর সদা খোদার রহমত ঝরে সংসার মরুবাসী পিয়াসার তরে আনিল যে কওসর সাহারা নিঙাড়ি’॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনায়॥ আমি শুনি যেন তার চরণের ধ্বনি আমারি তিয়াসী বাসনায়॥ আমারি মনের তৃষিত আকাশে কাঁদে সে চাতক আকুল পিয়াসে, কভু সে চকোর সুধা-চোর আসে নিশীথে স্বপনে জোছনায়॥ আমার মনের পিয়াল তমালে হেরি তারে স্নেহ-মেঘ-শ্যাম, অশনি-আলোকে হেরি তারে থির-বিজুলী-উজল অভিরাম। আমারি রচিত কাননে বসিয়া পরানু পিয়ারে মালিকা রচিয়া সে-মালা সহসা দেখিনু জাগিয়া আপনারি গলে দোলে হায়॥
রাগঃ
তালঃ কাওয়ালি
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা
শিল্পীঃ ধীরেন বসু
আমার হরিনামে রুচি, কারণ, পরিণামে লুচি আমি ভোজনের লাগি করি ভজন। আমি মালপোর লোভে এ কল্পলোকে তল্পী বাঁধিয়া এসেছি মন।। ‘রাধা-বল্লভী’ লোভে পূজি রাধা-বল্লভে, আসি রসগোল্লার তরে রাস মোচ্ছবে। আমার গোল্লায় গেছে মন, দাদা গো, রসগোল্লায় গেছে মন। ও তো রসগোল্লা কভু নয় যেন ন্যাড়া-মাথা বাবাজী থালাতে হয়েন উদয়! (আর) গজা দেখে প্রেম যে গজায় হৃদিতলে রে, পানতোয়া দেখে প্রাণ নাচে হরি ব’লে রে! ঐ গোলগাল মোয়া এই মায়াময় সংসার দেয় গো ভুলিয়ে, আর ক্ষীরের খোয়াতে খোয়াইতে কুল মন ওঠে চুলবুলিয়ে। (আমার) মন বলে হরি হরি হাত বলে হর হে, যত অরসিকে তেড়ে আসে বলে ব্যাটায় ধর হে! আর এই সংসারে রসিক শুধু রাঁধুনী ও ময়রাই — সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! যারা ময়দা খেয়ে মালপো ঢালে সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! আমি চিনি মেখে গায় যোগী হব দাদা যাব ময়রার দেশে, আর রসকরার কড়াই-এ ডুবিয়া মরিব গলে সন্দেশ ঠেসে। ভোজন ভজহরি-র শোনো এই তথ্য গো-ময় সংসারে ভজনই সত্য।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
