বাণী
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
বনে মোর ফুটেছে হেনা চামেলি যূথী বেলি। এসো এসো কুসুম সুকুমার শীতের মায়া-কুহেলি অবহেলি’॥ পরানে দেয় দোলা দেয় দোলা দুল্ দোলায় (পরানে দেয় দোলা দেয় দোলা দেয় দোলন্) উতলা দখিন হাওয়া কোকিল কুহরে কুহু কুহু স্বরে মদির স্বপন-ছাওয়া। হাসে গীত-চঞ্চল, জোছনা-উজল মাধবী রাতি এসো এসো যৌবন সাথি ফুল-কিশোর, হে চিতচোর, দেবতা মোর। মম লাজ অবগুণ্ঠন ঠেলি’॥
রাগঃ জংলা
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ ক্ষমা কর হজরত। মোরা ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমারি দেখানো পথ ॥ বিলাস-বিভব দলিয়াছ পায় ধূলি সম তুমি, প্রভু, তুমি চাহ নাই আমরা হইব বাদশা-নবাব কভু। এই ধরণীর ধন-সম্ভার - সকলেরি তাহে সম অধিকার; তুমি বলেছিলে ধরণীতে সবে সমান পুত্র-বৎ ॥ প্রভু তোমার ধর্মে অবিশ্বাসীরে তুমি ঘৃণা নাহি ক’রে আপনি তাদের করিয়াছ সেবা ঠাঁই দিয়ে নিজ ঘরে। ভিন্ ধর্মীর পূজা-মন্দির, ভাঙিতে আদেশ দাওনি, হে বীর, প্রভু আমরা আজিকে সহ্য করিতে পারিনে’ক পর-মত ॥ তুমি চাহ নাই ধর্মের নামে গ্লানিকর হানাহানি, তলোয়ার তুমি দাও নাই হাতে, দিয়াছ অমর বাণী। মোরা ভুলে গিয়ে তব উদারতা সার করিয়াছি ধর্মন্ধতা, বেহেশ্ত্ হ’তে ঝরে নাকো আর তাই তব রহমত ॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মোর বুক ভরা ছিল আশা প্রাণ ভরা ভালোবাসা। হায় আসিল সে যবে কাছে মুখে সরিল না ভাষা।। আমি পেয়েছিলাম তায় একা ছিল চোখে তাহার প্রেম-লেখা, তবু বলিতে পারিনি তারে কাঁদে প্রাণে কি দুরাশা।। এসে ভরা নদীর তীরে পান না করিয়া বারি আমি আসিলাম ফিরে — ছিল তৃষ্ণা-কাতর এ প্রাণে মরুভূমির পিয়াসা।।
রাগঃ পাহাড়ী মান্দ্
তালঃ কাহার্বা

মম বন-ভবনে ঝুলন দোলনা দে দুলায়ে উতল পবনে মেঘ-দোলা দুলে বাদল গগনে।। আয় ব্রজের ঝিয়ারি পরি' সুনীল শাড়ি নীল কমল কুঁড়ি দুলায়ে শ্রবণে।। নবীন ধানের মঞ্জরি কর্ণে তপ্ত বক্ষ ঢাকি' শ্যামল পর্ণে ওড়না ছুপায়ে রাঙা রামধনু বর্ণে আয় প্রেম-কুমারীরা আয় লো, উদাসী বাঁশীর সুরে ডাকে শ্যামরায় লো। ঝরিবে আকাশে অবিরল বৃষ্টি শ্যাম-সখা সাথে হবে শুভ-দৃষ্টি এই ঝুলনের মধু-লগনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ধর্মের পথে শহীদ যাহারা আমরা সেই সে জাতি সাম্য-মৈত্রী এনেছি আমরা বিশ্বে করেছি জ্ঞাতি।। পাপ-বিদগ্ধ তৃষিত ধরার লাগিয়া আনিল যাঁরা মরুর তপ্ত বক্ষ নিঙাড়ি শীতল শান্তি-ধারা উচ্চ-নীচের ভেদ ভাঙি দিল সবারো বক্ষ পাতি’।। কেবল মুসলমানের লাগিয়া আসেনি’ক ইসলাম সত্যে যে চায় আল্লায় মানে মুসলিম তারি নাম আমির ফকিরে ভেদ নাই — সবে ভাই, সব এক সাথি।। নারীরে প্রথম দিয়াছি মুক্তি, নর্ সম অধিকার মানুষের গড়া প্রাচীর ভাঙিয়া করিয়াছি একাকার। আধার রাতির বোরখা উতারি এনেছি আশার-ভাতি।।
হামদ্ নাত
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ
