বাণী
সখি জাগো, রজনী পোহায় মলিন কামিনী-ফুল যামিনী-গলায়।। চলিছে বধূ সিনানে (ওগো) বসন বশ না মানে শিথিল আঁচল টানে পথের কাঁটায়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ যৎ
ভিডিও
স্বরলিপি

সখি জাগো, রজনী পোহায় মলিন কামিনী-ফুল যামিনী-গলায়।। চলিছে বধূ সিনানে (ওগো) বসন বশ না মানে শিথিল আঁচল টানে পথের কাঁটায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ যৎ

শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী। মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।। মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো, হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।। অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী, আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি। যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া; নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।।
রাগঃ মধুমাধবী সারং
তালঃ ত্রিতাল

কাঁদবো না আর শচীদুলাল তোমায় ডেকে ডেকে মোরা কাঁদবো না — (প্রিয়) তুমি গেছ চলে তোমার প্রেম গিয়েছ রেখে তাই কাঁদব না॥ ত্যাগ যেখানে প্রেম যেখানে তোমার মধু-রূপ সেখানে ওগো জগন্নাথের দেউল তোমায় রাখবে কোথায় ঢেকে॥ হল বৈরাগিনী ধরা তোমার চরণ ধূলি মেখে তোমার মন্ত্র নিল অসীম আকাশ চাঁদের তিলক এঁকে। সুন্দর যা কিছু হেরি ওগো রূপ সে শচী-নন্দনেরি তোমার ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে। তোমার ডাক শুনি যে ওহে প্রিয় ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এলো শারদশ্রী কাশ-কুসুম-বসনা রসলোক-বাসিনী ল’য়ে ভাদরের নদী সম রূপের ঢেউ মৃদু মধু-হাসিনী।। যেন কৃশাঙ্গী তপতী তপস্যা শেষে সুন্দর বর পেয়ে হাসে প্রেমাবেশে, আমন ধানের শিষে মন ভোলানো কোন্ কথা কয় সে মঞ্জুল-ভাষিণী।। শিশির স্নিগ্ধ চাঁদের কিরণ ওকি উত্তরী তার, অরণ্য কুন্তলে খদ্যোত মণিকা মালতীর হার। তার আননের আবছায়া শতদলে দোলে হংসধ্বনিতে মায়া মঞ্জীর বোলে, সে আনন্দ এনে কেঁদে চলে যায় বিজয়ায় বেদনার বেদমতী সন্ন্যাসিনী।।
গীতি আলেখ্য : ‘শারদশ্রী’
রাগঃ
তালঃ
আমি মা ব’লে যত ডেকেছি, সে-ডাক নূপুর হয়েছে ও-রাঙা পায়। মোর শত জনমের কত নিবেদন, চরণ জড়ায়ে কহিয়া যায়।। মাগো তোরে নাহি পেয়ে লোকে লোকে যত অশ্রু ঝরেছে মোর চোখে, সেই আঁখিজল জবা ফুল হয়ে, শোভা পেতে ঐ চরণ চায়।। মাগো কত অপরাধ করেছিনু বুঝি, সংহার ক’রে সে-অপরাধ, বল লীলাময়ী, মিটেছে কি তোর মুণ্ডমালিকা পরার সাধ। যে ভক্তি পায়নি চরণতল আজ হয়েছে তা বিল্বদল, মোর মুক্তির তৃষা মুক্তকেশী গো, এলোকেশ হয়ে পায়ে লুটায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কাবেরী নদী-জলে কে গো বালিকা আনমনে ভাসাও চম্পা-শেফালিকা।। প্রভাত-সিনানে আসি আলসে কঙ্কন-তাল হানো কলসে খেলে সমীরণ ল’য়ে কবরীর মালিকা।। দিগন্তে অনুরাগ নবারুণ জাগে তব জল ঢল ঢল করুণা মাগে। ঝিলাম, রেবা নদী তীরে, মেঘদূত বুঝি খুঁজে ফিরে তোমারেই তন্বী শ্যামা কর্ণাটিকা।।
রাগঃ কর্ণাটী–সামন্ত
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ নিয়াজ মোহাম্মদ
