সেদিন বলেছিলে এই সে ফুলবনে

বাণী

সেদিন ব’লেছিলে এই সে ফুলবনে,
আবার হবে দেখা ফাগুনে তব সনে।।
ফাগুন এলো ফিরে লাগে না মন কাজে,
আমার হিয়া ভরি, উদাসী বেণু বাজে;
শুধাই তব কথা দখিনা সমীরণে।।
শপথ ভুলিয়াছ বন্ধু, ভুলিলে পথ কি গো,
বারেক দিয়ে দেখা লুকালে মায়ামৃগ।
আঁচলে ফুল লয়ে হল’ না মালা গাঁথা,
আসার পথ তব ঢাকিল ঝরা পাতা;
পূজার চন্দন শুকালো অঙ্গনে।।

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে

বাণী

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে,
এই তরুতলে যে যাহা চায় তখনি তা পায় রে॥
	তুই চতুর্বর্গ ফল কুড়াবি
	যোগ পাবি, ভোগ পাবি
এমন কল্পতরু থাকতে - কেন মরিস্ নিরাশায় রে॥
দস্যু ছেলের আবদারে সে সাজে ডাকাত কালির বেশে,
কত রামপ্রসাদের কন্যা হয়ে বেড়া বেঁধে যায় রে।
	ওরে পুত্র-কন্যা বিভব-রতন,
	চেয়ে নে যার ইচ্ছা যেমন,
ওরে আমার এ মন থাকে যেন বাঞ্ছাময়ীর পায় রে॥
	সে আর কিছু না চায়
	চেয়ে চেয়ে বাসনা তার শেষ হল না হায়!
এবার খালি হাতে তালি দিয়ে (আমি) চাইব কালিকায় রে॥

বরের বেশে আসবে জানি

বাণী

বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর।
পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।।
	আসে সে ঐ চুপে চুপে
	আমার মধুর মরণ রূপে
আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।

নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’

আই লো আই সতীন-রা

বাণী

আই লো, আই সতীন-রা আম খাবি তো আয়।
এ আম খেলে, হবে ছেলে ঘুচবে সকল দায়।।
ফকিরের দাওয়ার এ ফল,
খেলে পেটে আসবে লো ফল,
জীবন তোদের হবে সফল, আই লো তোরা আয়।।

লেটো গান: ‘বানর রাজকুমার’

বেলওয়ারি চুড়ি কে নিবি আয়

বাণী

বেলওয়ারি চুড়ি কে নিবি আয় পুর-নারী।
চুড়িওয়ালী আমি এনেছি চুড়ি রকমারি।।
যৌবন যা’র হ’ল বাসী
বঁধু যার পরবাসী,
	এই চুড়ি-কবচ তারি’।।
কে আছ বিরহিণী
এই রেশমি চুড়ি কিনি,
ভোলো বিরহ ভোলো ভোলো।
মিলনের রাখি কাঁচের এ চুড়ি
কালো মেয়ে হবে তাঁর স্বামীর প্যারী।।
যাদু জানে এই চুড়ি বশ হয় ননদ-শাশুড়ি,
এ চুড়ি পরলে হাতে রাঙা বর পায় যত আই-বুড়ি।
চাই চুড়ি চাই — আয় বধূ আয়,
আয় কিশোরী, আয় কুমারী।
নে ভোলা মনের এই চুড়ি মনোহারী।।

তুমি আমার চোখের বালি

বাণী

তুমি আমার চোখের বালি, ওগো বনমালী।
আমার চোখে পড়ল কখন, তোমার রূপের কালি।।
(চোখ)	চাইলে ও-রূপ সইতে নারি
	নয়ন মুদেও রইতে নারি,
তোমার লীলা, প্রিয়জনে কাঁদাও খালি।।
কাঁদিয়ে আমায় করলে কানা, কানাই একি লীলা,
এবার ম’রে আর জনমে যেন হই কুটিলা।
	তোমার নয়ন-মণি রাইকে নিয়ে
	রাখব ঘরে দুয়ার দিয়ে
চোখে চোখে সেদিন যেন হয় মিতালি।।