অরুণ-কান্তি কেগো যোগী ভিখারী

বাণী

অরুণ-কান্তি কে গো যোগী ভিখারি।
নীরবে হেসে দাঁড়াইলে এসে
প্রখর তেজ তব নেহারিতে নারি ॥
রাস-বিলাসিনী আমি আহিরিণী
শ্যামল কিশোর রূপ শুধু চিনি,
অম্বরে হেরি আজ একি জ্যোতিঃপুঞ্জ
হে গিরিজাপতি! কোথা গিরিধারী ॥
সম্বর সম্বর মহিমা তব, হে ব্রজেশ ভৈরব,
		আমি ব্রজবালা।
হে শিব সুন্দর, বাঘছাল পরিহর, ধর নটবর-বেশ
		পর নীপ-মালা।
নব মেঘ-চন্দনে ঢাকি’ অঙ্গজ্যোতি
প্রিয় হয়ে দেখা দাও ত্রিভুবন-পতি
পার্বতী নহি আমি, আমি শ্রীমতী
বিষাণ ফেলিয়া হও বাঁশরি-ধারী ॥

একলা গানের পায়রা উড়াই

বাণী

একলা গানের পায়রা উড়াই।
সে কাছে নাই গো সে কাছে নাই।।
চাঁদ ভালো লাগে না, তার চেনা কার যেন ইহুদী মাক্‌ড়ি,
সে কেন কাছে নাই, অভিমানে ঝ’রে যায় গোলাপের পাপ্‌ড়ি।
ফিরোজা আকাশের জাফ্‌রানি জোছনায়
		মন ভরে না, কি যেন চাই গো কি যেন চাই।।

সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী

বাণী

চৌরঙ্গী হ্যায় ইয়ে চৌরঙ্গী।
ইসকী দুনিয়া রং বেরংগী।।
গোরে, কালে আওবে, যাওবে
আপনি আপনি ছাব দেখলাবে,
ই ড্যগর মেঁ সব সংসার —
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।
কিতনে আওবে রাজাবাবু
কিতনে হামসে বেকারি,
কিতনে আপনে গুলকে বন্দে
কিতনে প্রেম-পূজারী।
কোই কিসিকো রাব লাগায়ে
কোই য়া কর খুদ খো যায়ে
সিধা রাস্তা ফির হাজার
ইসকী দুনিয়া রঙ্গ বেরংগী।।

ভুবনময়ী ভবনে এসো

বাণী

ভুবনময়ী ভবনে এসো সীমার মাঝে এসো অসীমা।
ভক্ত মনের মাধুরী দিয়ে গড়িয়াছি মা তোমার প্রতিমা।।
	চিন্ময়ী গো ধর মৃন্ময়ীরূপ
	কত যুগ মাগো জ্বলিবে পূজাধূপ
মানসপটে বোধন ঘটে হও চির আসীনা করুণাময়ী মা।।
সে কোন অতীতে সুদূর ত্রেতায় এসেছিলে মা অশিব নাশিনী
আসিলে না আর ধূলির ধরায় দিলে না মা বর অমৃত ভাষিণী।
	কত যুগ গেল কত বরষ মাস
	কত বিফল পূজা কত কাঁদন হুতাশ
জাগ যোগমায়া যোগনিদ্রা ভোল পুন বিশ্বে প্রচার হোক্‌ তব মহিমা।।

গত রজনীর কথা পড়ে মনে

বাণী

গত রজনীর কথা পড়ে মনে রজনীগন্ধার মদির গন্ধে।
এই সে ফুলেরই মোহন-মালিকা জড়ায়ে ছিল সে কবরী-বন্ধে।।
বাহুর বল্লরী জড়ায়ে তার গলে
আধেক আঁচলে বসেছি তরুতলে,
		দুলেছে হৃদয় ব্যাকুল ছন্দে।।
মুখরা ‘বউ কথা কও’ ডেকেছে বকুল-ডালে,
লাজে ফুটেছে লালী গোলাপ-কুঁড়ির গালে।
কপোলের কলঙ্ক মোর মেটেনি আজো যে সই
জাগিছে তা’রি স্মৃতি চাঁদের কপোলে ঐ,
		কাঁদিছে নন্দন আজি নিরানন্দে।।

১. হাসিছে নন্দন আমি পরমানন্দে।।

মোহাম্মদ নাম যত জপি

বাণী

মোহাম্মদ নাম যত জপি, তত মধুর লাগে।
নামে এত মধু থাকে, কে জানিত আগে।।
ঐ নামেরি মধু চাহি' মন-ভ্রমরা বেড়ায় গাহি',
আমার ক্ষুধা তৃষ্ণা নাহি ঐ নামের অনুরাগে।।
ও নাম প্রাণের প্রিয়তম, ও নাম জপি মজনু সম,
ঐ নামে পাপিয়া গাহে প্রাণের কুসুম-বাগে।।
ঐ নামে মুসাফির রাহী চাই না তখত শাহানশাহী,
নিত্য ও নাম ইয়া ইলাহী, যেন হৃদে জাগে।।