আরে পঙ্খীরাজের বাচ্চা আমার

বাণী

ঘোড়া-পূজার মন্ত্র : 
ওঁ নমস্তে শ্রী বিলাতী অশ্ব সাহেব হর্স নমোহ নমঃ।
চতুষ্পদ একপুচ্ছ শৃঙ্গহীন জীব আদর্শ —
			সাহেব হর্স নমো নমঃ।।


অ্যাই, আরে পঙ্খীরাজের বাচ্চা আমার ঘোড়া ছুইট্যা যাও।
ক্যাৎরাইয়া দুই চক্ষুরে ঘোড়া ছ্যাৎরাইয়া চাইর পাও।।
স্বর্গপানে ল্যাজ উঠাইয়া, (ছোট) চিঁহি চুঁহু চিঁহি চুঁহু ডাইক্যা
আমরা দুজন রাত্র জাগুম ছোলা ভিজাইয়া রাইখ্যা (রে)
ফাস্‌টো যদি না হও ঘোড়া, (তোমার) ঘোড়ানীর মাথা খাও
					হালা কচ্‌মচাইয়া খাও।।
		তোমার ঘোড়ানীর মাথা কচ্‌মচাইয়া খাও।।

নাটিকা : ‘বিলাতী ঘোড়ার বাচ্চা’

আজ শ্রাবনের লঘু মেঘের সাথে

বাণী

আজ	শ্রাবনের লঘু মেঘের সাথে মন চলে মোর ভেসে',
	রেবা নদীর বিজন তীরে মালবিকার দেশে।।
		মন ভেসে যায় অলস হাওয়ায়
		হালকা-পাখা মরালী-প্রায়
	বিরহিনী কাদেঁ যথা একলা এলাকেশে।।
	কভু মেঘের পানে কভু নদীর পানে চেয়ে,'
	লুকিয়ে যথা নয়ন মোছে গায়েঁর কালো মেয়ে,
	একলা বধূ বসে থাকে যথায় বাতায়নে
				বাদল দিনের শেষে।।

সহসা কি গোল বাঁধালো পাপিয়া আর পিকে

বাণী

সহসা কি গোল বাঁধালো পাপিয়া আর পিকে
গোলাপ ফুলের টুকটুকে রঙ চোখে লাগে ফিকে।।
	নাই বৃষ্টি বাদল ওলো,
	দৃষ্টি কেন ঝাপসা হলো?
অশ্রু জলের ঝালর দোলে চোখের পাতার চিকে।।
পলাশ-কলির লাল আঁখরে বনের দিকে দিকে
গোপন আমার ব্যথার কথা কে গেল সই লিখে।
	মনে আমার পাইনে লো খেই;
	কে যেন নেই, কি যেন নেই।
কে বনবাস দিল আমার মনের বাসন্তীকে।।

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি

বাণী

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি
ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।।
ঝুরে বারিধারা
ফিরে এসো পথহারা
কাঁদে নদী তট চুমি’।।

প্রদীপ নিভায়ে দাও উঠিয়াছে চাঁদ

বাণী

প্রদীপ নিভায়ে দাও, উঠিয়াছে চাঁদ।
বাহুর ডোর আছে, মালায় কি সাধ।।
ফুল আনিও না ভবনে
কেশের সুবাস তব ঘনাক মনে,
হৃদয়ের লাগি মোর হৃদয় কাঁদে চন্দন লাগে বিস্বাদ।।
খোলো গুণ্ঠন, ফেলে দাও আভরণ,
হাতে রাখ হাত, তোলো আনত নয়ন।
বাহিরে বহুক বাতাস
বক্ষে লাগুক মোর তব ঘন শ্বাস,
চম্পার ডালে ব’সে মোদেরে দেখে,
কুহু আর পাপিয়ায় করুক বিবাদ।।

১. বাহু-বন্ধন

চুম্বক পাথর হায় লোহারে দেয়

বাণী

চুম্বক পাথর হায় লোহারে দেয় গালি,
আমার গায়ে ঢ’লে প’ড়ে কুলে দিলে কালি।।
	লোহা বলে, হায় পাষাণী
	তুমিই লহ বুকে টানি’,
(কেন) সোনা-রূপা ফেলে দিয়ে আমায় টান খালি।।
চুম্বক আর লোহায় চলে দ্বন্দ্ব সারা বেলা,
কে’দে মরে, বুঝতে নারে (এ) কোন্ নিঠুরের খেলা।
	হঠাৎ তাদের দৃষ্টি গেল খুলে
	ঊর্দ্ধ পানে চায় নয়ন তুলে,
(দেখে) খেলেন তাদের নিয়ে রস-শেখর বনমালি।।