আজো বোলে কোয়েলিয়া চাঁপাবনে

বাণী

আজো বোলে কোয়েলিয়া
চাঁপাবনে প্রিয় তোমারি নাম গাহিয়া।।
তব স্মৃতি ভোলেনি চৈতালি সমীরণ,
আজো দিকে দিকে খুঁজে ফেরে কাঁদিয়া।।
নিশীথের চাঁদ আজো জাগে
ওগো চাঁদ, তব অনুরাগে।
জলধারা উথলে যমুনার সৈকতে
খোঁজে তরুলতা ফুল আঁখি মেলিয়া।।

মৌরি ফুলের মিঠে সুবাস বাতায়নে এলো ভেসে

বাণী

মৌরি ফুলের মিঠে সুবাস বাতায়নে এলো ভেসে
পথ দিয়ে কে সোনার মেয়ে জলকে গেল এলোকেশে।।
	(কি)	ফুল ছিল তার কবরীতে
		মদির তাহার সুরভিতে,
উদাস ক’রে মনকে আমার নিয়ে গেল ফুলের দেশে।।
দখিন হাওয়া মর্মরিয়া খোঁজে তারে বনে বনে,
ভ্রমর ফেরে গুঞ্জরিয়া তারি তরে আনমনে।
		কালো দীঘির কালো জলে
		তারি তরে ঢেউ উথলে,
তারি পায়ের আল্‌তা হতে আকাশ রাঙে দিনের শেষে।।

শোন শোন ইয়া ইলাহী আমার মোনাজাত

বাণী

শোন শোন, ইয়া ইলাহী,
	আমার মোনাজাত।
তোমারি নাম জপে যেন,
	(আমার) হৃদয় দিবস-রাত।।
যেন কানে শুনি সদা
তোমারি কালাম হে খোদা,
(আমি) চোখে যেন দেখি শুধু,
	(দেখি) কোরআনের আয়াত।।
মুখে যেন জপি আমি
কলেমা তোমার দিবস-যামী,
(তোমার) মসজিদেরি ঝাড়ু-বরদার,
	(খোদা) হোক আমার এ হাত।
সুখে তুমি, দুখে তুমি,
চোখে তুমি, বুকে তুমি,
এই পিয়াসি প্রাণে খোদা
	(খোদা) তুমি আবহায়াত।।

আজি নন্দদুলালের সাথে

বাণী

আজি নন্দদুলালের সাথে
	ঐ খেলে ব্রজনারী হোরি।
কুঙ্কুম-আবির হাতে
	দেখ, খেলে শ্যামল খেলে গোরী।।
থালে রাঙা ফাগ,
নয়নে রাঙা রাগ,
ঝরিছে রাঙা সোহাগ
	রাঙা পিচ্‌কারি ভরি।।
পলাশ শিমুলে ডালিম ফুলে
	রঙনে অশোকে মরি মরি।
ফাগ-আবির ঝরে তরুলতা চরাচরে,
	খেলে কিশোর কিশোরী।।

নমো নমঃ রাম-খুঁটি

বাণী

নমো নমঃ রাম-খুঁটি!
তুমি গাদিয়া বসেছ আমাদের বুকে, সাধ্য নাই যে উঠি।।
	তুমি নির্বিকার হে পরম পুরুষ
	আপনাতে আছ আপনি বেহুঁশ,
তব বাঁধন ছিঁড়িতে বৃথা টানাটানি এই বৃথা মাথা কুটোকুটি।।
	এই আইন কানুন আচার বিচার
	বিধি ও নিষেধ স্ত্রী পরিবার
	(বাংলায় যাকে বলে Wife)
শত নামে তুমি জগৎ মাঝার চাপিয়া আছ যে টুটি।।
	কত রূপে তব লীলার প্রকাশ (রাম খুঁটো হে!)
	কভু হও খুঁটো কভু হও বাঁশ,
কভু হাঁড়ি-কাঠ কভু ঘানি-গাছ ঘোরাও ধরিয়া ঝুঁটি।।
কখনো পাঁচনী-রুপে পিঠে পড় (ওরে বাবারে)
	কখনো জোয়াল রূপে কাঁধে চড়,
	কখনো কঞ্চি, বাঁশ চেয়ে দড়
কভু গুঁতো কভু লাঠি (ওরে বাবারে)।
ঠুঁটো ত্রিভঙ্গ হে প্রভু, তোমার এই ভয়ে মোরা গুটিসুটি।।

‘খুঁটোর ভয়’

মদিনায় যাবি কে আয় আয়

বাণী

	মদিনায় যাবি কে আয় আয়।
উড়িল নিশান দিনের বিষাণ বাজিল যাহারে দরওয়াজায়।।
	হিজরাত ক’রে যে দেশে
	ঠাঁই পেলেন হজরত এসে
	খেলিতেন যথায় হেসে 
	হাসান হোসেন ফাতেমায়।।
হজরতের চার আসহাব যথা করলেন খেলাফত,
মসজিদে যাঁর প্রিয় মোহাম্মদ করতেন এবাদত;
ফুটল যথায় প্রথম ধীর খালেদের হিম্মত,
খোশ এলেহান দিতেন আজান বেলাল যথায়।।
	যার পথের ধূলির মাঝে
	নবীজীর চরণের ছোঁয়া বাজে,
	তৌহিদেরি ধ্বনি বাজে
	যার আসমানে, যার লু হাওয়ায়।।