জাগো জাগো রে মুসাফির

বাণী

জাগো জাগো, রে মুসাফির হ’য়ে আসে নিশিভোর।
ডাকে সুদূর পথের বাঁশি ছাড় মুসাফির-খানা তোর।।
অস্ত-আকাশ-অলিন্দে ঐ পান্ডুর কপোল রাখি’
কাঁদে মলিন ভোরের শশী, বিদায় দাও বন্ধু চকোর।।
মরুচারী খুঁজিস সলিল অগ্নিগিরির কাছে, হায়!
খুঁজিস অমর ভালোবাসা এই ধরণীর এই ধূলায়।
দারুণ রোদের দাহে খুঁজিস কুঞ্জ-ছায়া স্বপ্ন-ঘোর।।

বরের বেশে আসবে জানি

বাণী

বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর।
পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।।
	আসে সে ঐ চুপে চুপে
	আমার মধুর মরণ রূপে
আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।

নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’

আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি

বাণী

আজি নন্দলাল মুখচন্দ নেহারি
অধীর আনন্দে অন্তর কাঁপে ঝরে প্রেমবারি॥
বকুল-বন হরষে ফলদল বরষে
গাহে রাধা শ্যাম নাম হরি-চরণ হেরি শুকসারি॥

হেলে দুলে নীর ভরণে ও-কে যায়

বাণী

হেলে দুলে নীর ভরণে ও-কে যায়।
(কিশোরী) ছল ক’রে কলসী নাচায়।।
দুলে দোদুল তনু-লতা, বাহু দোলে, দুলে অঞ্চল চঞ্চল বায়।
দুলে বেণী, দুলে চাবি আঁচলায়।।
নাচে জল-তরঙ্গে তটিনী রঙ্গে জলদ্ দাদ্‌রা বাজায়,
(তার পায়) মম পরান নূপুর হতে চায়।।

তুমি অনেক দিলে খোদা

বাণী

তুমি অনেক দিলে খোদা, দিলে অশেষ নিয়ামত —
আমি লোভী, তাইতো আমার মেটে না হসরত।।
কেবলই পাপ করি আমি — মাফ করিতে তাই, হে স্বামী,
দয়া করে শ্রেষ্ঠ নবীর করিলে উম্মত।
তুমি নানান ছলে করছ পূরণ ক্ষতির খেসারত।।
মায়ের বুকে স্তন্য দিলে, পিতার বুকে স্মেহ;
মাঠে শস্য ফসল দিলে আরাম লাগি' গেহ।  
ঈদের চাঁদের রং মশালে রঙীন বেহেশ্‌ত পথ দেখালে
আখেরেরই সহায় দিলে আখেরী হজরত।
তুমি আজান দিলে না ভুলিতে মসজিদেরই পথ।।

হে বিজয়ী হে না-দেখা রূপের কুমার

বাণী

(এসো এসো) হে বিজয়ী! হে না-দেখা রূপের কুমার।
তন্দ্রা-অলস এই চন্দ্রা নিশির ভাঙো ভাঙো দ্বার।।
স্বপন কুমারীর খোলো গুণ্ঠন
ঘুম-কিশোরীর আনো জাগরণ,
দস্যুসম এসে কর লুণ্ঠন
কুণ্ঠিত প্রেম-মধুনিশি গন্ধার।।

নাটক : ‘মধুমালা’