বাণী
(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার মা যে গোপাল-সুন্দরী। যেন এক বৃন্তে কৃষ্ণ-কলি অপরাজিতার মঞ্জরি।। মা আধেক পুরুষ অর্ধ অঙ্গে নারী আধেক কালি আধেক বংশীধারী, অর্ধ অঙ্গে পীতাম্বর আর অর্ধ অঙ্গে দিগম্বরী।। মা সেই পায়ে প্রেম-কুসুম ফোটায় নূপুর-পরা যে চরণ, মা'র সেই পায়ে রয় সর্প-বলয় যে পায়ে প্রলয়- মরণ। মার আধ-ললাটে অগ্নি-তিলক জ্বলে চন্দ্রলেখা আধেক ললাট তলে, শক্তিতে আর ভক্তিতে মা আছেন যুগল রূপ ধরি'।।
রাগঃ কৌশিক কানাড়া / মালকোষ
তালঃ তেওড়া

তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে একটু রাখিও ঠাঁই। মরণে যেন সে পরশ পাই গো জীবনে যা পাই নাই।। তোমারে চাহিয়া ওগো প্রিয়তম কাঁদিয়া আমার কাটিল জনম, কেঁদেছি বিরহে এবার যেন গো মিলনে কাঁদিতে পাই।। ঐ কবরের বাসর ঘরে গো তোমার বুকের কাছে কাঁদিবে লায়লী, মজনু তোমার য’দিন ধরণী আছে। যে যাহারে চায় কেন নাহি পায়, কেন হেথা প্রেম-ফুল ঝ’রে যায় — প্রেমের বিধাতা থাকে যদি কেউ শুধাইব তারে তাই।।
নাটিকা: ‘লায়লী মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়, চাঁদ নেহারিয়া প্রিয় মোরে যদি মনে পড়ে, বাতায়ন বন্ধ করিয়া দিও।। সুরের ডুরিতে জপমালা সম তব নাম গাঁথা ছিল প্রিয়তম, দুয়ারে ভিখারি গাহিলে সে গান, তুমি ফিরে না চাহিও।। অভিশাপ দিও, বকুল-কুঞ্জে যদি কুহু গেয়ে ওঠে, চরণে দলিও সেই যুঁই গাছে আর যদি ফুল ফোটে। মোর স্মৃতি আছে যা কিছু যেথায় যেন তাহা চির-তরে মুছে যায়, (মোর) যে ছবি ভাঙিয়া ফেলেছ ধূলায় (তারে) আর তু’লে নাহি নিও।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না এ নয়ন পানে। জানিতে নাইকো বাকি, সই ও আঁখি কি যাদু জানে।। একে ঐ চাউনি বাঁকা সুর্মা আঁকা তা’য় ডাগর আঁখি রে বধিতে তা’য় কেন সাধ? যে মরেছে ঐ নয়ন বাণে। মরেছে ঐ আঁখির বাণে।। চকোর কি প’ড়ল ধরা পীযূষ ভরা ঐ মুখ-চাঁদে (রে), কাঁদিছে নার্গিসের ফুল লাল কপোলের কমল-বাগানে। জ্বলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেওয়ালি (রে), নিশিদিন তাই কি জ্বলি’ পড়ছ গলি’ অঝোর নয়ানে। মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায় হার গাঁথিস কবি (রে)। বিকিয়ে যায় রে মালা এই নিরালা আঁখির দোকানে।।
রাগঃ রাগেশ্রী-পিলু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে বোলে, তমাল বরণী কে নাচে, কে নাচে গগন কোলে।। তার অঙ্গের লাবনি যেন ঝরে অবিরল হয়ে শীতল মেঘলা মতির ধারা জল। কদম ফুলের পীত উত্তরী তার পূব হাওয়াতে দোলে।। বিজলি ঝিলিকে কার বনমালার আভাস জাগে বন কুন্তলা ধরা হলো শ্যাম মনোহরা তাহারি অনুরাগে। কারে হেরি পাপিয়া পিয়া পিয়া কহে সাগর কাঁদে নদী জল বহে ময়ূর-ময়ূরী বন-শবরী নাচে ট’লে ট’লে।।
বেতার গীতিকা: ‘বর্ষা মোদের প্রাণ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
