ভগবান শিব জাগো জাগো

বাণী

ভগবান শিব জাগো জাগো, ছাড়িয়া গেছেন দেবী শিবানী সতী।
শক্তিহীন আজি সৃষ্টি চন্দ্র-সূর্য তারা হীন-জ্যোতি।।
	হে শিব, সতীহারা হয়ে নিষ্প্রাণ
	ভূ-ভারত হইয়াছে শবের শ্মশান,
কোলে ল’য়ে প্রাণহীন জড়-সন্তান — শিবনাম জপে ধ’রা অশ্রুমতী।।

চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল আঁখি দোলে

বাণী

চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল আঁখি দোলে রে
যেন বন-লতার কোলে কোয়েল পাখি দোলে রে।।
	যেন ফুল-ধনুর উজল তীর গো হায়
	বাদশাজাদীর রঙ মহলে 
যেন নীলার প্রদীপ জ্বলে দোলে রে দোলে রেদেোলে রে।।
	সজল শিশির মাখা দু'টি কুসুম গো
	সুনীল দু'টি কমল -কুড়িঁ
যেন রূপের সাঁতার -জলে দোলে রে দোলে রে দোলে রে।।

কে দুয়ারে এলে মোর তরুণ ভিখারি

বাণী

কে দুয়ারে এলে মোর তরুণ ভিখারি
কি যাচে ও আঁখি বুঝিতে যে নারি॥
হৃদি প্রাণ মন বিভব রতন
ডারিনু চরণে লহ পথচারী॥
দুয়ারে মোর নিতি গেয়ে যায় যে গীতি
নিশিদিন বুকে বেঁধে তারি স্মুতি।
কি দিয়ে এ ব্যথা নিবারিতে পারি॥
মিলন বিরহ যা চাও প্রিয় লহ
দাও ভিখারিনী বেশ দাও ব্যথা অসহ
মোর নয়নে দাও তব নয়ন বারি॥

নাটকঃ ‘আলেয়া’

উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে

বাণী

উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে
বাদল ধারা ঝরে বুঝি তাই আজ নিশীথে।।
সুর যে তোমার নেশার মত, মনকে দোলায় অবিরত,
ফুলকে শেখায় ফুটতে গো, পাখিকে শিস দিতে।।
কেন তুমি গানের ছলে বঁধু, বেড়াও কেঁদে?
তীরের চেয়েও সুর যে তোমার প্রাণে অধিক বেঁধে।
তোমার সুরে কোন সে ব্যথা, দিলো এতো বিহ্বলতা
আমি জানি (ওগো) সে বারতা তাই কাদিঁ নিভৃতে।।

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার

বাণী

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার।
সৃষ্টিময় বৃষ্টি হয় নৃত্য সেই নন্দিতার।।
সাগরে নদীতে ঢেউ তোলে সেই দেবীর মুক্তকেশ।
সঙ্গীতের হিন্দোলে তাঁর আঁখির প্রেম-আবেশ।
পবনে পবনে হিল্লোলে নীল আঁচল চঞ্চলার
ছন্দোময় আনন্দময় চরণশ্রী বন্দি তাঁর।।

গুরুমন্ত্র তোমার উঠল জ্ব’লে

বাণী

গুরুমন্ত্র তোমার উঠল জ্ব’লে হোমের শিখার মত।
এক নিমেষে ভষ্ম হ’ল পাপ-তাপ মোর যত।।
	চির-আঁধার ছিল আমার হিয়া
	তুমি এলে মন্দ্র-প্রদীপ নিয়া,
হল চকিতে সেই দীপালোকে মনের আঁধার গত।।
উজ্জ্বল মোর ঘন-দেউলে কোন্ সে আদি ঋষি,
গভীর উদার মন্ত্র তোমার জপে দিবা-নিশি।
	রিপু দানব যথা ক’রত বাস
	সেই মন হ’ল আজ আনন্দ-কৈলাস,
সে-কৈলাসে তুমি শিব, আমি দীন প্রণত।।