ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা

বাণী

ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা।
সেই তো প্রেমিক প্রেম কয় তারে,
প্রিয়া যদি কয় ভোলো সে-প্রিয়ারে।
আজি হতে তাই ছাড়িলাম আমি তোমারে পাবার আশা
			ভোলো মজনুর ভালোবাসা।।

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি

বাণী

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি
শ্যাম সহকার তরুর সাথে।
আকাশে পূর্ণিমা-চাঁদের জলসা
হের গো তাই আজি চৈতালী রাতে।।
ফুলে ফুলে তা’র ফুল্ল তনুলতা
গাহিয়া ওঠে পাখি ‘বউ গো কও কথা’,
স্বর্ণলতার সাতনরী হার
দুলিছে গলায় রাতুল শোভাতে।।
তা’রি আমন্ত্রণ-লিপি থরে থরে,
শ্যামল পল্লবে কুসুম-আখরে।
তরুলতা দুলে পুলকে নাচি’ নাচি’
মিলন-মন্ত্র গাহিছে মৌমাছি,
আল্পনা আঁকে আলো ও ছায়াতে।।

১. শতনরী

গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল

বাণী

গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল
অপরূপ ঘনশ্যাম নব তরুণ তমাল॥
বিশাখার পটে আঁকা মধুর নিরুপম
কান্ত ললিতার শ্রীরাধা প্রীতম
রুক্মিণী-পতি হরি যাদব ভূপাল॥
যশোদার স্নেহডোরে বাঁধা ননীচোর
নন্দের নয়ন-আনন্দ-কিশোর
শ্রীদাম-সুদাম-সখা গোঠের রাখাল॥
কংস-নিসূদন কৃষ্ণ মথুরাপতি
গীতা উদ্‌গাতা পার্থসারথি
পূর্ণ ভগবান বিরাট বিশাল॥

পতিত উধারণ জয় নারায়ণ

বাণী

পতিত উধারণ জয় নারায়ণ
কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্‌ব-ভ্যয়-হ্যর‍্যণ
জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।

নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’

গ্রামের শেষের মাঠের পথে

বাণী

গ্রামের শেষের মাঠের পথে গান গেয়ে কে যায়
			একা বাউল আনমনা।
তার সুরে সবুজ ধানের ক্ষেত্রে ঢেউ খেলিয়া যায়
			গায় সাথে চপল-ঝরনা।।
	চলে নূপুর মুখর পায়
	সুর বাজিয়ে একতারায়,
তাথৈ তাথৈ হাততালি দেয় সাথে তালবনা।।
শান্ত নদীর কূলে হঠাৎ জোয়ার উঠে দুলে,
বালুচরে চম্‌কে চখা চাহে নয়ন তুলে’।
	ওঠে রেঙে আকাশ কোল্
	লাগে শাখায় শাখায় দোল্ লাগে দোল্,
মনের মাঝে এঁকে সে যায় সুরের আল্‌পনা।।

আঁখি তোল আঁখি তোল না

বাণী

	আঁখি তোল আঁখি তোল না,
	দানো করুণা, ওগো অরুণা,
	মেলি’ নয়ন জীর্ণ কানন কর তরুণা।।
	আঁখি যে তোমার বনের পাখি —
	ঘুম যে ভাঙায় আঁধারে ডাকি’,
	আলোর-সাগর জাগাও বরুণা।।
তব 	আনত আঁখির পাতার কোলে
	তরুণ আলোর মুকুল দোলে।
	রঙের কুমার দুয়ারে জাগে,
	তোমার আঁখির প্রসাদ মাগে,
	পাণ্ডুর ভোর হোক তরুণারুণা।।