এলো ফুলের মহলে ভ্রমরা

বাণী

এলো ফুলের মহলে ভ্রমরা গুন্‌গুনিয়ে।
ও-সে কুঁড়ির কানে কানে কি কথা যায় শুনিয়ে।।
জামের ডালে কোকিল কোতুহলে
আড়ি পাতি’ ডাকে কূ কূ ব’লে,
হাওয়ায় ঝরা পাতার নূপুর বাজে রুন্‌ঝুনিয়ে।।
‘ধীরে সখা ধীরে’ কয় লতা দু’লে,
জাগিও না কুঁড়িয়ে কাঁচা ঘুমে তুলে,
গেয়ো না গুন্ গুন্ গুন্ গুন্ গুন্ গুন্ সুরে প্রেমে ঢুলে ঢুলে।’
নিলাজ ভোম্‌রা বলে, ‘না-না-না-না’, ফুল দুলিয়ে।।

মোর বুক ভরা ছিল আশা

বাণী

মোর বুক ভরা ছিল আশা প্রাণ ভরা ভালোবাসা।
হায় আসিল সে যবে কাছে মুখে সরিল না ভাষা।।
	আমি পেয়েছিলাম তায় একা
	ছিল চোখে তাহার প্রেম-লেখা,
তবু বলিতে পারিনি তারে কাঁদে প্রাণে কি দুরাশা।।
	এসে ভরা নদীর তীরে
	পান না করিয়া বারি
	আমি আসিলাম ফিরে — 
ছিল তৃষ্ণা-কাতর এ প্রাণে মরুভূমির পিয়াসা।।

প্রিয় তুমি কোথায় আজি কত সে দূর

বাণী

প্রিয়	তুমি কোথায় আজি কত সে দূর।
প্রাণ	কাঁদে ব্যথায় বিরহ-বিধুর।।
	স্বপন-কুমারী, স্বপনে এসে
	মিশাইলে কোন্ ঘুমের দেশে
	তড়িত-শিখা ক্ষণিক হেসে
	লুকালে মেঘে আঁধারি’ হৃদি-পুর।।
	আপনা নিয়ে ছিনু একেলা
	কোন্ সে কূলে ভিড়ালে ভেলা
	জীবন নিয়ে মরণ-খেলা
	খেলিতে কেন আসিলে নিঠুর।।
	ঊষার গাঙে গাহন করি’
	দাঁড়ালে নভে রঙের পরী
	প্রেমের অরুণ উদিল যবে
	মিশালে নভে, হে লীল-চতুর।।

আমরা বনের পাখি বনের দেশে

বাণী

আমরা বনের পাখি বনের দেশে থাকি।
ফিরি পাহাড়ি ফুলের রাঙা পরাগ মাখি’।।
মোরা ঝর্না-ধারে ঐ নীল পাহাড়ে
দেবদারুর শাখায় বাঁধি লতার রাখি।
শুনি বন-উদাসী মিঠে পাহাড়ি বাঁশি
মোরা শিস্ দিয়ে রাখাল ছেলেরে ডাকি।।

নাটক : ‘মধুমালা’

ওহে রসিক রসাল কদলী

বাণী

ওহে রসিক রসাল কদলী।
ভাবুকের তুমি ভাবের আধার পেটুকের প্রাণ-পুতলী।।
আহা, তুমি যুগে যুগে বর্তমান
বৃন্দাবনে মোহন বাঁশি বাঙলায় মর্তমান।
বহুরূপী তুমি বহুনামধারী চম্প বীচে কাঁঠালি।।
তোমার কাঁচকলা রূপের উপাসক পেট-রোগা যত ভক্ত,
ঝোলে কি ভাজায় তোমারে সাজায় (তুমি) মজাও পলতা শুক্ত।
নৈবেদ্যে ও আদ্য শ্রাদ্ধে দয়াময়, জগতের যত নর-বানর
তোমার কৃপার কাঙালি।।

কৌতুক নাটিকা : ‘পণ্ডিত মশায়ের ব্যাঘ্র শিকার’

তব ফুলহার নহে মোর

বাণী

তব ফুলহার নহে মোর নহে।
ভুলায়ো না আর মালার মোহে।।
মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয়
হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়,
	আরো কাঁদায় বিরহে।।