বাণী
ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ভিডিও
স্বরলিপি




