ধূলার ঠাকুর ধূলার ঠাকুর

বাণী

ধূলার ঠাকুর, ধূলার ঠাকুর! তোমার সাথে ক’রব খেলা।
ধূলার আসন, ধূলার ভূষণ, ধূলি নিয়ে হেলাফেলা।।
	অনেক দূরে গহন বনে
	খেলব দু’জন আপন মনে,
খেলার নেশায় সকাল কখন হয়ে যাবে বিকাল বেলা।।
	খুঁজতে মাতা আসলে রাতে
	দু’জন গিয়ে ধরব হাতে,
বলব ঠাকুর আছেন সাথে ভয় কি গো মা নই একেলা।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’

চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া

বাণী

চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া
			তবু কেন তারে ভালোবাসি।
বলিতে পারি না বোঝাতে পারি না
			আঁখি-জলে যায় বুক ভাসি’।।
কেন সে বিরাজে		হৃদয়েরি মাঝে
তার স্বর যেন 		সদা প্রাণে বাজে
কি বাঁধনে মোরে		বেঁধেছে বল সে
			দিয়ে গেছে গলে প্রেম-ফাঁসি।।

করুণ কেন অরুণ আঁখি

বাণী

করুণ কেন অরুণ আঁখি দাও গো সাকি দাও শারাব
হায় সাকি এ আঙ্গুরী খুন নয় ও হিয়ার খুন–খারাব।।
আর সহে না দিল্‌ নিয়ে এই দিল–দরদির দিল্‌লাগী,
তাইতে চালাই নীল পিয়ালায় লাল শিরাজি বে–হিসাব।।
হারাম কি এই রঙিন পানি আর হালাল এই জল চোখের?
নরক আমার হউক মঞ্জুর বিদায় বন্ধু!লও আদাব।।
দেখ্‌ রে কবি, প্রিয়ার ছবি এই শারাবের আর্শিতে,
লাল গেলাসের কাঁচ্‌–মহলার পার হ’তে তার শোন্‌ জবাব্‌।।

জল দাও দাও জল

বাণী

জল দাও, দাও জল!
মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।।
	আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন —
	বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন!
সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।

সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’

ওগো পিয়া তব অকরুণ ভালোবাসা

বাণী

ওগো পিয়া তব অকরুণ ভালোবাসা।
অন্তরে দিল বিপুল বিরহ, কবিতায় দিল ভাষা।।
	মোর গানে দিল সুর
	করুণ ব্যথা বিধুর,
বাণীতে দিল সুদূর স্বর্গের পিপাসা।।
তুমি ভালো করিয়াছ ভালোবাস নাই মোরে,
রাখ নাই ধ’রে আমারে তোমার ক’রে।
	মম বিরহের বেদনাতে
	তাই ত্রিভুবন কাঁদে সাথে,
ভুলেছি সবারে চেয়ে তোমারে পাবার আশা।।

মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথী নাহি

বাণী

মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথী নাহি।
ল’য়ে আহত প্রাণ একা গান গাহি।।
	দিবস বরষ মাস
	বুকে চাপি’ হা-হুতাশ,
চলি মরুপথে মেঘ-ছায়া চাহি’।।
কানন রচি বৃথা, কুসুম নাহি ফোটে
বাসি হয় গাঁথা মালা পথের ধূলায় লোটে,
কবে বহিবে নিঝর-ধারা পাষাণ বাহি’।।