তোমার বুকের ফুলদানিতে ফুল হব বঁধু আমি

বাণী

তোমার বুকের ফুলদানিতে ফুল হব বঁধু আমি
শুকাতে হয় শুকাইব ঐ বুকে ক্ষণেক থামি'।।
ঐ নয়নের জ্যোতি হব তিল হব ঐ কপোলের
দুলব মণির মালা হয়ে ঐ গলে দিবস-যামি।।
অঙ্গে তোমার রূপ হব গো ধূপ হব মিলন-রাতে,
গহীন ঘুমে স্বপন হব জল হব নয়ন-পাতে (আমি)।
তোমার প্রেমের সিঙহাসনে রানী হব, হে রাজা মোর।
চরণতলের ধূলি হব হে আমার জীবন-স্বামী।।

আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত

বাণী

আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত।
ও নাম প্রাণে মিটায় পিয়াসা,
আমার তামান্না আমারি আশা,
আমার গৌরব আমারি ভরসা,
এ দীন গোনাহগার তাঁহারই উম্মত।।
ও নামে রওশন জমীন আসমান,
ও নামে মাখা তামাম জাহান,
ও নামই দরিয়ায় বহায় উজান,
ও নাম ধেয়ায় মরু ও পর্বত।।
আমার নবীর নাম জপে নিশিদিন
ফেরেশ্‌তা আর হুর পরী জিন্‌,
ও নাম জপি আমার ভোমরায়
পাবো কিয়ামতে তাঁহার শাফায়ৎ।।

রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে

বাণী

		রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে,
		গাইয়ে ষাঁড়-সাথে বাছুর হাম্বা রবে — ভীষণ নাদ ছাড়ে,
		ফেটে বুঝি গেল কান, প্রাণে মারে!
		শুনিয়া হাই তোলে ভেউ ভেউ রোলে — ভুলোটা পগার পারে।।
তেলেনা: 		ডিম নেরে, তা দেরে, আমি না রে, তুই দেরে,
		নেরে ডিম, দেরে তা, তা দেনা,
		ওদের না না, তাদের না না তুই দেরে ডিম!
		ওদের নারী তাদের নারী দেদার নারী,
		দে রে নারী, যা ধেৎ, টানাটানি!
সরগম:	 	ধ প র ধ র গ, গ র গ ধ, গ র গ ধ,
		ন ধ ম ম, প র ন ম র গ, স র ন ধ স ম।।
তবলার বোল: 	ভেগে যা, মেগে খা, মেরে কেটে খা, মেরে কেটে খা’
		তেড়ে ধরে কাট ধুম, ধরে কেটে রাখুন না রাখুন না,
		কান দুটি যাক তবু কাটা থাক দুম।।

‘চতুরঙ্গ’

মোর যাবার বেলায় বল বল তুমি

বাণী

মোর	যাবার বেলায় বল বল তুমি চিনিতে পেরেছ মোরে।
	গানের সুরের আড়ালে খুঁজিতে যে প্রেম-সুন্দরে।।
	যাহার বিরহ যাহার আদর চেয়ে
	বীণা-সম তব তনু সুরে সুরে যেত ছেয়ে,
	সে তার নামখানি তোমার চরণে লিখে গেল আঁখি লোরে।।
	ফিরায়ে দিলাম তোমারে তোমার ঘরে,
	আমি চ’লে যাই আমার নীলাম্বরে।
	বল বল, মনে আর নাই কোন ভয়
	যত কলঙ্ক হল চন্দনময়,
	নন্দনবন-পারিজাত-প্রেম পাইয়াছি অন্তরে।।

ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন

বাণী

ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন
বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী
কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।।
দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে,
ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে।
হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে,
সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।

তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে

বাণী

তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে একটু রাখিও ঠাঁই।
মরণে যেন সে পরশ পাই গো জীবনে যা পাই নাই।।
	তোমারে চাহিয়া ওগো প্রিয়তম
	কাঁদিয়া আমার কাটিল জনম,
কেঁদেছি বিরহে এবার যেন গো মিলনে কাঁদিতে পাই।।
ঐ কবরের বাসর ঘরে গো তোমার বুকের কাছে
কাঁদিবে লায়লী, মজনু তোমার য’দিন ধরণী আছে।
	যে যাহারে চায় কেন নাহি পায়,
	কেন হেথা প্রেম-ফুল ঝ’রে যায় —
প্রেমের বিধাতা থাকে যদি কেউ শুধাইব তারে তাই।।

নাটিকা: ‌‘লায়লী মজনু’