আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়

বাণী

		আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়।
মোরা 	শিরনি নিয়ে পথে হাঁকি (নিতে) কেহ নাহি চায়।।
			এই শিরনির গুণে ওরে শোন
			শিরিণ্ হবে তোর তিক্ত মন রে
		রাঙা হবে ভাঙা হৃদয় এই শিরনির মহিমায়।।
		ধররে প্রাণের তশ্‌তরি তোর আরশ পানে মেলে,
		খোদার খিদে মিটবে রে ভাই এই শিরনি খেলে।
			তোদের পেট পুরিলি ধূলামাটি খেয়ে
			করলি হেলা আল্লার নাম পেয়ে
তোরা 	কাবা পাবার দরজা পাবি আয় আল্লা নামের দরজায়।।

প্রিয় তুমি কোথায় আজি কত সে দূর

বাণী

প্রিয়	তুমি কোথায় আজি কত সে দূর।
প্রাণ	কাঁদে ব্যথায় বিরহ-বিধুর।।
	স্বপন-কুমারী, স্বপনে এসে
	মিশাইলে কোন্ ঘুমের দেশে
	তড়িত-শিখা ক্ষণিক হেসে
	লুকালে মেঘে আঁধারি’ হৃদি-পুর।।
	আপনা নিয়ে ছিনু একেলা
	কোন্ সে কূলে ভিড়ালে ভেলা
	জীবন নিয়ে মরণ-খেলা
	খেলিতে কেন আসিলে নিঠুর।।
	ঊষার গাঙে গাহন করি’
	দাঁড়ালে নভে রঙের পরী
	প্রেমের অরুণ উদিল যবে
	মিশালে নভে, হে লীল-চতুর।।

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর

বাণী

মোর		ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম।
		শ্রাবণ-মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম
			(ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।।
শিয়রে		বসি চুপি চুপি চুমিলে নয়ন
মোর		বিকশিল আবেশে তনু নীপ-সম, নিরুপম, মনোরম।।
মোর		ফুলবনে ছিল যত ফুল
			ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর
হায়		নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল,
			নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম-ডোর।
স্বপনে		কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’
জাগিয়া	কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।।

যা সখি যা তোরা গোকুলে ফিরে

বাণী

যা সখি যা তোরা গোকুলে ফিরে।
যে পথে শ্যামরায় চ’লে গেছে মথুরায়
কাঁদিতে দে ল’য়ে সেই পথ ধূলিরে॥
এ তো ধূলি নয়, ধূলি নয়
হরি-চরণ-চিহ্ন-আঁকা এ যে হরি-চন্দন ধূলি নয়, ধূলি নয়
এই ধূলি মাখিয়া,
হ’য়ে পাগলিনী ফিরিব ‘শ্যাম শ্যাম’ ডাকিয়া।
হব যোগিনী এই ধূলি-তিলক-আঁকিয়া॥ (সখি গো)
শুনিয়াছি দূতি মুখে, প্রিয়তম আছে সুখে সেই মম পরম প্রসাদ।
ভুলিয়া এ রাধিকায়, সে যদি সুখ পায় তার সে সুখে সাধিব না বাদ॥
আমার দীরঘ শ্বাসে উৎসব-বাতি তার যদি নিভে যায়।
তাই ওলো ললিতা আমি হব ধূলি-দলিতা যাব না লো তার মথুরায়॥
আমি মথুরায় যাব, না গেলে মথুরাতে মোর শ্যামে আর ফিরে পাব না। (সখি গো)
হারানো মানিক কভু ফিরে লোকে পায়
হারানো হৃদয় ফিরে নাহি পাওয়া যায়॥

ইন্দ্রজিৎ মোর নাম

বাণী

ইন্দ্রজিৎ মোর নাম, জানে দেবকুল।
নর ও বানর আজ করিব নিরমূল ॥
ঐ দেখি শ্রীরাম পাশেতে লক্ষ্মণ।
খুরপার্শ্ব অর্ধচন্দ্র, মারিব এখন

লেটো গানঃ ‘মেঘনাদ বধ’

চল্ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন হারা

বাণী

চল্‌ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন হারা
চল্‌ অমর সমরে, চল ভাঙি’ কারা
জাগায়ে কাননে নব পথের ইশারা।।
প্রাণ-স্রোতের ত্রিধারা বহায়ে তোরা ওরে চল!
জোয়ার আনি, মরা নদীতে পাহাড় টলায়ে মাতোয়ারা।।
ডাকে তোরে স্নেহভরে ‘ওরে ফিরে আয় ফিরে ঘরে’
তারে ভোল্‌ ওরে ভোল্‌ তোরা যে ঘর-ছাড়া।।
তাজা প্রাণের মঞ্জুরি ফুটায়ে পথে তোরা চল্‌,
রহে কে ভুলে ছেঁড়া পুঁথিতে তাদের পরানে দে রে সাড়া।
রণ-মাদল আকাশে ঘন বাজে গুরু গুরু।
আঁধার ঘরে কে আছে প’ড়ে তাহার দুয়ারে দে রে নাড়া।।