ওমা তুই আমারে ছেড়ে আছিস

বাণী

(মা)	ওমা তুই আমারে ছেড়ে আছিস আমি তাই হয়েছি লক্ষ্মীছাড়া
	ও তোর কৃপা বিনা শক্তিময়ী শুকিয়ে গেল ভক্তিচারা॥
	ওমা তুই আশ্রয় দিলি না তাই, আমি যা পাই তা পথে হারাই
	তোর রসময় ভুবন আমার শ্মশান হল ওমা তারা।
	আজ আনন্দ যমুনা ফেলে এসেছি তাই যমের দ্বারে
	ওমা জীবনে যা পেলাম না তা মরণ যদি দিতে পারে।
মাগো	ওমা তত বাড়ে বুকের জ্বালা, পাই যত যশ খ্যাতির মালা
	রাজপ্রসাদে শুয়ে মাগো শান্তি কি পায় মাতৃহারা॥

জাগত সোওত আঁঠু জাম

বাণী

জাগত সোওত আঁঠু জাম রাহত প্রভু মনমে তুমহারে ধ্যান।
রাত আধেঁরি মে চাঁদ সমান প্রভু উজ্জ্বল কর মেরা প্রাণ।।
এক সুর বোলে ঝিওর সারি রাত
এ্যায়সে হি জপত হুঁ তেরা নাম হে নাথ,
রুম রুম মে রম রহো মেরে এক তুমহারা গান।।
গয়ি বন্ধু কুটুম স্বজন
ত্যজ দিনু ম্যায় তুমহারে কারণ,
তুমহো মেরে প্রাণ-আধারণ, দাসী তুমহারী আন।।

গঙ্গার বালুতটে খেলিছে কিশোর

বাণী

গঙ্গার বালুতটে খেলিছে কিশোর গোরা।
চরণতলে চলে পুলকে বসুন্ধরা।।
	পড়িল কি রে খসি
	ভূতলে রাকা শশী
ঝরিছে অঝোর ধারায় রূপের পাগল-ঝোরা।।
শ্রীমতি ও শ্রীহরি খেলিছে এক অঙ্গে,
দেব-দেবী নর-নারী গাহে স্তব এক সঙ্গে।
	গঙ্গা জোয়ার জাগে
	তাহারি অনুরাগে,
ফিরে এলো কি নদীয়ায় ব্রজের ননী-চোরা।।

পেয়ে আমি হারায়েছি গো

বাণী

পেয়ে আমি হারায়েছি গো আমার বুকের হারামণি।
গানের প্রদীপ জ্বেলে তা’রেই খুঁজে ফিরি দিন-রজনী।।
সে ছিল গো মধ্যমণি আমার মনের মণি-মালায়,
রেখেছিলাম লুকিয়ে তায়, মানিক যেমন রাখে ফণী।।
স্নিগ্ধ জ্যোতি নিয়ে সে মোর এসেছিল দগ্ধ বুকে,
অসীম আঁধার হাত্‌ড়ে ফিরি খুঁজি তারি রূপ-লাবণি।।
হারিয়ে যে যায় হায় কেন সে যায় হারিয়ে চিরতরে,
মিলন-বেলাভুমে বাজে বিরহেরই রোদন-ধ্বনি।।

আমি নহি বিদেশিনী

বাণী

	আমি নহি বিদেশিনী।
(ঐ)	ঝিলের ঝিনুক, বিলের শালুক ছিল মোর সঙ্গিনী।।
		ঐ বাঁধা-ঘাট, ঐ বালুচর
		মাটির প্রদীপ, ঐ মেটে ঘর,
	চেনে মোরে ঐ তুলসীতলার নববধূ ননদিনী।।
	‘বৌ কথা কও’ পাখি,
	বাদ্‌লা নিশীথে মনের নিভৃতে আজও যায় মোরে ডাকি’।
		এত কালো চোখ এলোকেশ-ভার
		এত শ্যাম-মেঘ আছে কোথা আর,
(ঐ)	পদ্ম-পুকুরে মোরে স্মরি’ ঝুরে সখি মোর কমলিনী।।

পাশ্চাত্য সুর

কুসুম ফুলের মালা গেঁথে

বাণী

কুসুম ফুলের মালা গেঁথে দুলিয়ে দিছি গলে।
অশ্রু দিয়ে গাঁথা মালা রইলো বুকের তলে।।
বন্ধু আমার আস্‌বে যখন ফিরে’ বিজয় রথে
মরা ফুলের সাথে আমি রইবো প’ড়ে পথে,
যাবার বেলা চরণ দিয়ে যাবে আমায় দ’লে।।
তাহার প্রিয়ার মুখে দেবো আমার হাসি ল’য়ে
রইব না গো তাহার সুখে পথের কাঁটা হ’য়ে,
তা’র বাসরে আলো দেবো প্রদীপ হ’য়ে জ্ব’লে।।