সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো

বাণী

সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো স্মৃতিও হায় যায় ভোলা
ওগো মনে হ'লে তারি কথা আজো মর্মে সে মোর দেয় দোলা।।
	ঐ প্রতিটি ধূলি কণায়
	আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়,
আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরেরই সব দ্বার খোলা।।
	হেথা সে এসেছিল যবে
	ঘর ভরেছিল ফুল-উৎসবে,
মোর কাজ ছিল শুধু ভবে তার হার গাঁথা আর ফুল তোলা।।
	সে নাই ব'লে বেশি ক'রে
	শুধু তার কথাই মনে পড়ে,
হেরি তার ছবি ভুবন ভ'‌রে তারে ভুলিতে মিছে বলা।।

তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের

বাণী

তোমার ডাক শুনেছি নিশীথ রাতের অন্ধকারে।
এবার মোদের চির মিলন ধূলির ধরার পরপারে।।

নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে

বাণী

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে
শ্রবণে শুনিনি আহ্বান তব পবনে শুনেছি বনে বনে।।
	হে বিরহী তব আতাস
	পাণ্ডু করেছে তোমার আকাশ
বিজনে তোমারে করিয়াছি ধ্যান শুধা যে ফিরিনি জনে জনে।।
সকলে যখন ঘুমায়ে পড়েছে আধ রাতে
স্মৃতি মঞ্জুষা খুলিয়া দেখেছি নিরালাতে।
	যদি তব ছবি ম্লান হয়ে যায়
	অশ্রু সলিলে ধুয়ে রাখি তায়
দেবতা তোমারে মৌন পূজায় নীরবে ধেয়াই নিরজনে।।

তোমার গানের চেয়ে তোমায়

বাণী

তোমার গানের চেয়ে তোমায় ভালো লাগে আরো।
(মোর) ব্যথায় আস প্রিয় হয়ে, কথায় যখন হারো।।
	(তব) সুর যবে দূরে য়ায় চ’লে
	তখন আস মোর অঁখির জলে,
ভালোবাসায় যে মধু দাও বঁধু তা কি ভাষায় দিতে পার।।
আমায় যখন সাজাও সুরে ছন্দে অলংকারে,
তখন তুমি থাক যেন কোন্ গগনের পারে।
	গান থামিয়ে একলা ঘরে
	আস যখন আমার তরে,
সেই ত আমার আনন্দ, তাহা ছন্দে দিতে নারো।।

কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে

বাণী

কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে।
নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।।
	বল বল মোরে
	কেন এমন ক’রে
পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।

আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো

বাণী

আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো, চলো আমার বাড়ি
ওগো ভিনগেরামের নারী
তোরে সোনাল ফুলের বাজু দেবো চুড়ি বেলোয়ারি।।
তোরে বৈঁচী ফুলের পৈঁচী দেবো কলমিলতার বালা,
রক্ত-শালুক দিবো পায়ে, পরবে আলতা তা'রি।।
হলুদ-চাঁপার বরণ কন্যা এসো আমার নায়
সরষে ফুলের সোনার রেণু মাখাবো ওই গায়!
ঠোঁটে দিবো রাঙা পলাশ মহুয়া ফুলের মউ,
বকুল-ডালে ডাকবে পাখি, 'বউ গো কথা কও!'
আমি সব দিবো গো, যা পারি আর যা দিতে না পারি।।