বাণী
(এসো এসো) হে বিজয়ী! হে না-দেখা রূপের কুমার। তন্দ্রা-অলস এই চন্দ্রা নিশির ভাঙো ভাঙো দ্বার।। স্বপন কুমারীর খোলো গুণ্ঠন ঘুম-কিশোরীর আনো জাগরণ, দস্যুসম এসে কর লুণ্ঠন কুণ্ঠিত প্রেম-মধুনিশি গন্ধার।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
(এসো এসো) হে বিজয়ী! হে না-দেখা রূপের কুমার। তন্দ্রা-অলস এই চন্দ্রা নিশির ভাঙো ভাঙো দ্বার।। স্বপন কুমারীর খোলো গুণ্ঠন ঘুম-কিশোরীর আনো জাগরণ, দস্যুসম এসে কর লুণ্ঠন কুণ্ঠিত প্রেম-মধুনিশি গন্ধার।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।। বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে বুঝি দুখ-নিশি মোর হবে না হবে না ভোর ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

যাবার বেলায় সালাম লহ হে পাক রমজান। তব বিদায় ব্যথায় কাঁদিছে নিখিল মুসলিম জাহান।। পাপীর তরে তুমি পারের তরী ছিলে দুনিয়ায়, তোমারি গুণে দোজখের আগুন নিভে যায়, তোমারি ভয়ে লুকায়ে ছিল দূরে শয়তান।। ওগো রমজান, তোমারি তরে মুসলিম যত রাখিয়া রোজা ছিল জাগিয়া চাহি' তবু পথ, আনিয়াছিলে দুনিয়াতে তুমি পবিত্র কোরআন।। পরহেজগারের তুমি যে প্রিয় প্রাণের সাথী, মসজিদে প্রাণের তুমি যে জ্বালাও দ্বীনের বাতি, উড়িয়ে গেলে যাবার বেলায় নতুন ঈদের চাঁদের নিশান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ভেঙো না ভেঙো না বঁধু তরুণ চামেলি-শাখা। ফুলের নজ্রানা এর আজিও পাতায় ঢাকা।। কুঞ্জ-দ্বারে থাকি’ থাকি’ বৃথা এত ডাকাডাকি, আজিও এ বনের পাখি ঘুমায় হের গুটিয়ে পাখা।। অসময়ে হে রসময় ভাঙিয়ো না লতার হৃদয়, তনুতে এলে অনুরাগ হেরিবে না ফাঁকা ফাঁকা।। আসছে-ফাগুন মাসে আসিও ইহার পাশে, আজ যে-লতা কয় না কথা, সেদিন তা'য় যাবে না রাখা।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
ঐ নন্দন নন্দিনী দয়িতা, চির-আনন্দিতা। যেন প্রথম কবির প্রথম লেখা কবিতা ॥ তব চরণের নূপুরধ্বনি মধুকর গুঞ্জর তোলে যে রণি, মন মোর ভোলে হেরি তোমারে যে গো ঐ যে যৌবন-গর্বিতা ॥ দোলায় দোদুল দুল তব নৃত্য আবেশে আকুল হয় মোর চিত্ত, নৃত্যশেষে তব পায়ের নূপুর গ্রহ তারকায় রয় আকাশের সুদূর, সুরলোক উর্বশী তুমি যে আমার রও চির-অনিন্দিতা ॥
রাগঃ বেহাগড়া
তালঃ আদ্ধা

দৃষ্টিতে আর হয় না সৃষ্টি আগের মত গোলাপ ফুল। কথায় সুরে ফুল ফুটাতাম, হয় না এখন আর সে-ভুল।। বাসি হাসির মালা নিয়ে কি হবে নওরোজে গিয়ে, চাঁদ না দেখে আঁধার রাতি বাঁধে কি গো এলোচুল।। আজো দখিন হাওয়ায় ফাগুন আনে বুল্বুলি নাই গুলিস্তানে, দোলে না আর চাঁদকে দেখে’ বনে দোলন-চাঁপার দুল্।। কী হারালো! নাই কি যেন মন হয়েছে এমন কেন, কোন্ নিদয়ের পরশ লেগে’ হয় না হৃদয় আর ব্যাকুল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা