বাণী
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ
গাহে আকাশ পবন নিখিল ভুবন (গাহে) তোমারই নাম। সাগর নদী বন উপবন (গাহে) তোমারই নাম।। মধুর তোমার গানের নেশায় ঘোর লাগে ঐ গ্রহ-তারায়, অনন্ত কাল ঘুরিয়া বেড়ায় — ঘিরি’ অসীম গগন।। তোমার প্রিয় নামে, হে বঁধূ, ফুলের বুকে পুরে মধু। তোমার নামের মাধুরি মাখি’ গান গেয়ে যায় বনের পাখি, নিখিল পাগল ও নাম ডাকি’ — কোটি চন্দ্র তপন।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গহন বনে শ্রীহরি নামের মোহন বাঁশি কে বাজায়। ভুবন ভরি’ সেই সুরেরি সুরধুনি বয়ে যায়।। সেই নামেরি বাঁশির সুরে, বনে পূজার কুসুম ঝুরে সেই নামেরি নামাবলি, গ্রহ তারা আকাশ জুড়ে অন্ত বিহীন সেই নামেরি সুর-স্রোতে কে ভাসবি আয়।।
চলচ্চিত্রঃ ধ্রুব (কাহিনীকার: গিরিশ ঘোষ)
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক গাহে তোমারি জয়। আকাশ–বাতাস রবি–গ্রহ তারা চাঁদ, হে প্রেমময়।। সমুদ্র–কল্লোল নির্ঝর–কলতান – হে বিরাট, তোমার উদার জয়গান; ধ্যান গম্ভীর কত শত হিমালয় গাহে তোমারি জয়।। তব নামের বাজায় বীণা বনের পল্লব জনহীন প্রান্তর স্তব করে, নীরব। সকল জাতির কোটি উপাসনালয় গাহে তোমারি জয়।। আলোকের উল্লাসে, আঁধারের তন্দ্রায় তব জয়গান বাজে অপরুপ মহিমায়, কোটি যুগ–যুগান্ত সৃষ্টি প্রলয় গাহে তোমারি জয়।।
রাগঃ ধানি
তালঃ ত্রিতাল

এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়। পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পথিক ওগো চল্তে পথে তোমায় আমায় পথের দেখা। ঐ দেখাতে দুইটি হিয়ায় জাগ্ল প্রেমের গভীর রেখা।। এই যে দেখা শরৎ-শেষে পথের মাঝে অচিন্ দেশে, কে জানে ভাই কখন কে সে চল্ব আবার পথটি একা।। এই যে মোদের একটু চেনার আবছায়াতেই বেদন জাগে ফাগুন হাওয়ার মদির ছোঁওয়া পূবের হাওয়ার কাঁপন লাগে। হয়ত মোদের শেষ দেখা এই এম্নি ক’রে পথের বাঁকেই রইল স্মৃতি চারটি আঁখেই চেনার বেদন নিবি লেখা।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ ঝাঁপতাল
