বাণী
আয় ওলো সই, খেলবো খেলা ফাগের ফাজিল পিচ্কিরিতে। আজ শ্যামে জোর করব ঘায়েল হোরির সুরে গিট্কিরিতে।। বসন-ভূষণ ফেল্লো খুলে’, দে দোল্ দে দোল্ দোদুল-দুলে, কর্ লালে-লাল কালায় কালো আবির হাসির টিট্কিরিতে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় ওলো সই, খেলবো খেলা ফাগের ফাজিল পিচ্কিরিতে। আজ শ্যামে জোর করব ঘায়েল হোরির সুরে গিট্কিরিতে।। বসন-ভূষণ ফেল্লো খুলে’, দে দোল্ দে দোল্ দোদুল-দুলে, কর্ লালে-লাল কালায় কালো আবির হাসির টিট্কিরিতে।।
রাগঃ
তালঃ
নীলাম্বরী–শাড়ি পরি’ নীল যমুনায় কে যায়? যেন জলে চলে থল–কমলিনী ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।। কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে, চমকায় উন্মন চম্পা বনকে, দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে, পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।। অঙ্গের ছন্দে পলাশ–মাধবী অশোক ফোটে, নূপুর শুনি’ বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে। মেঘ–বিজড়িত রাঙা গোধূলি নামিয়া এলো বুঝি পথ ভুলি, তাহার অঙ্গ তরঙ্গ–বিভঙ্গে কুলে কুলে নদী জল উথলায়।।
রাগঃ নীলাম্বরী
তালঃ ত্রিতাল

ও কে সোনার চাঁদ কাঁদে রে হেরা গিরির ’পরে। শিরে তাঁহার লক্ষ কোটি চাঁদের আলো ঝরে।। কী অপরূপ জ্যোতির ধারা নীল আসমান হ’তে নামে বিপুল স্রোতে, হেরা পাহাড় বেয়ে বহে সাহারা মরু পথে, সেই জ্যোতিতে দুনিয়া আজি ঝলমল করে।। আগুন বরণ ফেরেশ্তা এক এসে, ‘খোদার হাবিব, জাগো জাগো’, বলে হেসে হেসে। নবুয়তের মোহর দিল বাজুতে তাঁর বেঁধে তাজিম ক’রে কদমবুসি করে কেঁদে কেঁদে, সেই নবীরই নামে আজি দুনিয়া দরুদ পড়ে।।
রাগঃ
তালঃ
আমি বাঁধন যত খুলিতে চাই জড়িয়ে পড়ি তত। শুভদিন এলো না দিনে দিনে দিন হল হায় গত।। শত দুঃখ অভাব নিয়ে জগৎ আছে জাল বিছিয়ে অসহায় এ পরান কাঁদে জালে মীনের মত।। বোঝা যত কমাতে চাই ততই বাড়ে বোঝা, শান্তি কবে পাব কবে চল্ব হয়ে সোজা। দাও ব’লে হে জগৎ-স্বামী মুক্তি কবে পাব আমি? কবে উঠবে ফুটে জীবন আমার ভোরের ফুলের মত।।
রাগঃ ভৈরবী / জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

কাঁদিছে তিমির-কুন্তলা সাঁঝ আমার হৃদয় গগনে। এসো প্রিয়া এসো বঁধূ-বেশে এই বিদায়-গোধূলি-লগনে।। দিনের চিতার রক্ত-আলোকে শুভ-দৃষ্টি গো হবে চোখে চোখে, আমার মরণ-উৎসব-ক্ষণে শঙ্খ বাজুক সঘনে।। চাঁদের প্রদীপ জ্বালাইয়া হের খুঁজিছে মোদেরে তারাদল, সজল-বসনা বাদল-পরীর নয়ন করিছে ছল ছল।। মরণে তোমারে পাইব বলিয়া জীবনে করেছি আরাধনা প্রিয়া, এসো মায়ালোক-বিহারিণী মোর কুহেলি-আঁধার-স্বপনে।।
রাগঃ ধানশ্রী
তালঃ একতাল
এ কি অপরূপ যুগল-মিলন হেরিনু নদীয়া ধামে বিষ্ণুপ্রিয়া লক্ষী যেন রে গোলক-পতির বামে।। এ কি অতুলন যুগল-মূরতি যেন শিব-সতী হর-পার্বতী, জনক-দুহিতা সীতাদেবী যেন বেড়িয়া রয়েছে রামে।। গৌরের বামে গৌর-মোহিণী (যেন) রতি ও মদন চন্দ্র-রোহিণী (তোরা) দেখে যা রে আজ মিলন-রাসে যুগল রাধা-শ্যামে।।
নাটক: ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ