বাণী
কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

[কেডারে? কেডা? উ-কেলিকদম্ব গাছে এই ডাল ঐ ডাল কইরা লাফ দিয়া বেড়াইত্যাছ? ও — ঘোষ পাড়ার হেই বখাইট্রা পোলাটা না?
উ-হুঁ-হুঁ, আবার পিরুক কইরা বাঁশি বাজান হইত্যাছে ? নাম্যা, আসো। ভরদুপুর বেলা মাইয়াগো সান ঘাটের কাছে — অ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ আবার কিষ্ট সাজাছেন?
বলি কেষ্ট সাজছো? নামো শিগগিরে নামো পোড়া কপাইল্যা নামো —]
তুমি নামো হে নামো শামো হে শামো কদম্ব ডাল ছাইড়া নামো। দুপরি রৌদ্রে বৃথাই ঘামো ব্যস্ত রাধা কাজে, ওহে শামো হে শামো॥ আরে তোমার ললিতাদেবী কি করতেয়াছে জাননি? তোমার ললিতাদেবী? আরে ললিতাদেবী সলিতা পাকায়, বিশাখা ঝোলে হিজল শাখায়। আর বৃন্দাদুতী কি করছে জান? বৃন্দাদুতী? বৃন্দাদুতী পিন্দা ধুতি গোষ্টে গেছেন তোমার ‘পোস্টে’ সাজিয়া রাখাল সাজে আর চন্দ্রা গ্যাছেন অন্ধ্র দেশে মান্দ্রাজী জাহাজে॥ আবার ইতি উতি চাও ক্যা? ইতি উতি চাইবার লাগছ ক্যা? এ্যা? আমি কমুনা কোন্খানে তোমার যমুনা - তা আমি কমু না? আরে (তুমি) ইতি উতি চাও বৃথাই আমি কমু না কোথায় তোমার যমুনা কইলকাতা আর ঢাকা রমনার লেকে পাবে তার নমুনা। আরে তোমার যমুনা লেক হইয়া গ্যাছে গিয়া! বুঝ্লা? হালার যমুনা ল্যাক হইয়া গ্যাছে গিয়া। কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম শ্রীদাম সুদাম কলেজে যাইতেয়াছে, আর তুমি এখানে বাঁশি বাজাইতেয়াছ অ্যাঁ! পোড়া কপাইল্যা — কলেজে ফিরিছে শ্রীদাম সুদাম, মেরে মাল কোঁচা খুলিয়া বোতাম লাঙ্গল ছাড়িয়া বলরাম ডাম্বেল মুঘার ভাঁজে। ওহে শামো হে শামো আরে তুমি নামো, পোড়া কপাইল্যা নামো॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ওকি ঈদের চাঁদ গো! চলে মদিনারই পথে গো! যেন হাসিন্ য়ুসোফ্ ফিরে এলো ফিরদৌস হতে গো।। যাহারা তার রূপ দেখে তারা ঝুরিছে আস্মানে গুল্ ভুলে তাই বুল্বুলি চেয়ে আছে গুলিস্তানে। বুঝি বেহেশ্তেরই বাদশাজাদা এলো সোনার রথে গো।। সাদা কবুতরের মত চরণ দুটি ছুঁয়ে, গোলাপ চাঁপা উঠছে ফুটে ধূলিমাখা ভুঁয়ে গো। সেই চাঁদের মুখে জোছনা সম খোদার কালাম ঝরে তা’র রূপ দেখে, তা’র গুণ শুনে মোর মন রহে না ঘরে লো, আমি উন্মাদিনী সেই মাদানী নবীর মোহব্বতে গো।।
রাগঃ
তালঃ
চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্। ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল নিম্নে উতলা ধরণী-তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।। ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত আমরা আনিব রাঙা প্রভাত আমরা টুটাব তিমির রাত বাধার বিন্ধ্যাচল। নব নবীনের গাহিয়া গান সজীব করিব মহাশ্মাশান আমরা দানিব নূতন প্রাণ বাহুতে নবীন বল। চল্ রে নও জোয়ান শোন্ রে পাতিয়া কান মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে জীবনের আহবান। ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল চল্ রে চল্ রে চল্ চল্ চল্ চল্।।
মার্চের সুর
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ
শিল্পীঃ আসিফ আকবর

ও বন্ধু! দেখ্লে তোমায়, বুকের মাঝে জোয়ার-ভাঁটা খেলে। আমি এক্লা ঘাটে কুলবধূ কেন তুমি এলে বন্ধু, কেন তুমি এলে।। ও বন্ধু, আমার অঙ্গে কাঁটা দিয়ে ওঠে বাজাও যখন বাঁশি আমি খিড়্কি দুয়ার দিয়ে বন্ধু, জল ভরিতে আসি ভেসে’ নয়ন-জলে ঘরে ফিরি ঘাটে কলস ফেলে।। আমার পাড়ায়, বন্ধু, তোমার নাম যদি নেয় কেউ বুকে আমার দুলে ওঠে পদ্মা নদীর ঢেউ বন্ধু পদ্মা নদীর ঢেউ। ওগো ও চাঁদ, এনো না আর দু’কূল-ভাঙা এমন জোয়ার কত ছল ক’রে জল লুকাই চোখের কাঁচা কাঠে আগুন জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আগের মত আমের ডালে বোল ধরেছে বউ। তুমিই শুধু বদ্লে গেছ, আগের মানুষ নও।। তেম্নি আজো তোমার নামে উথলে মধু গোলাপ-জামে, উঠ্ল পু’রে জামরুলে রস, মহুল ফুলে মউ।। ডালিম-দানায় রং ধরেছে, ডাঁশায় নোনা আতা, তোমার পথে বিছায় ছায়া ছাতিম তরুর ছাতা। তেম্নি আজো নিমের ফুলে ঝিম্ হয়ে ঐ ভ্রমর দুলে, হিজল-শাখায় কাঁদছে পাখি বউ গো কথা কও।।
রাগঃ বসন্ত মিশ্র
তালঃ দাদ্রা