বাণী
ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।। দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে, ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে। হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে, সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।
রাগ ও তাল
রাগঃ কেদারা-হাম্বীর
তালঃ কাওয়ালি
ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।। দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে, ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে। হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে, সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।
রাগঃ কেদারা-হাম্বীর
তালঃ কাওয়ালি
স্ত্রী: ফুল বীথি এলে অতিথি চম্পা মঞ্জরি-কুঞ্জে পড়ে ঝরি' চঞ্চল তব পায়। পুরুষ: কুড়ায়ে সেই ঝরা ফুল, চাঁপার মুকুল গেঁথেছি মোহন-মালিকা পরাব বলিয়া তোমার গলায়।। স্ত্রী: হে রূপ-কুমার, সুন্দর প্রিয়তম এলে যে ফিরিয়া দাসীরে স্মরিয়া জীবন সফল মম। পুরুষ: পরো কুন্তলে ধরো অঞ্চলে অমিলন প্রেম-পারিজাত, স্ত্রী: কি হবে লয়ে সে ফুল-মালা যাহা নিশি ভোরে শুকায়। পুরুষ: মোছ মোছ আঁখিধার লহ বাহুর হার ভোলে অতীত ব্যথায়। উভয়ে: বিরহ অবসানে মিলন মধুর প্রিয় এ মিলন নিশি যেন আর না পোহায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি কি আসিবে না বলেছিলে তুমি আসিবে আবার ফুটিবে যবে হেনা।। সেদিন ঘুমায়ে ছিল যে মূকুল আজি সে পূর্ণ বিকশিত ফুল সেদিনের ভীরু অচেনা হৃদয় আজি হতে চায় চেনা।। ঘন পল্লব গুণ্ঠন ঢাকা ছিল সেদিন যে লতা আজিকে পুষ্প নিবেদন ল’য়ে কহিতে চায় যে কথা। প্রদীপ জ্বালায়ে আজি সন্ধ্যায় পথ চেয়ে আছি তোমারি আশায় পূর্ণিমা-তিথি আসিল, হে চাঁদ-অতিথি আসিলে না।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দেবতা গো, দ্বার খোলো। অভিসার নিশি বাহির দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রভাত হ’ল॥ পাষাণের আবরণে তুমি যদি এমনি গোপন রবে নিরবধি, বেণুকার সুরে হৃদি যমুনায় কেন এ লহর তোলো॥ আর সহিতে পারি না একা, প্রাণে কেন দিয়ে আশা এত ভালোবাসা যদি নাহি দিবে দেখা। বহিতে পারি না আর এই ভার, এই ফুল সাজ পূজা-সম্ভার তুমি দেখা দেও একবার দেখা দেও — দেখা দিয়ে চিরতরে মোরে ভোলো॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা বনমালী এসো দুলায়ে বনমালা॥ তব পথে বকুল ঝরিছে উতল বায়ে দলিয়া যাবে বলে অকরুণ রাঙা পায়ে রচেছি আসন তরুণ তমাল ছায়ে পলাশ শিমুলে রাঙা প্রদীপ জ্বালা॥ ময়ূরে নাচাও তুমি তোমারি নূপুর তালে বেঁধেছি ঝুলনিয়া ফুলেল কদম ডালে তোম বিনা বনমালী বিফল এ ফুল দোল বাঁশি বাজাবে কবে উতলা ব্রজবালা॥
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ ত্রিতাল
