বাণী
বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

হৃদয় কেন চাহে হৃদয়, আমি জানি মন জানে জানে নদী কেন যে সে, যায় ছুটে সাগর পানে।। কেহ বারি কেন চাহে, জানে চাতক, জানে মেঘ, জানে চকোর সুদূর নভে, চাঁদ কেন তারে টানে।। কুসুম কেন চাহে শিশির, জানে শিশির, জানে ফুল, জানে বুলবুল আছে কাঁটা, তবু যায় গুল-বাগানে। আঁখি চাহে আঁখি-বারি , মন চাহে মনোব্যথা প্রাণ আছে যার সেই জানে, কেন চাহে প্রাণে প্রাণে।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ দাদ্রা

বৈকালী সুরে গাও চৈতালি গান, বসন্ত হয় অবসান। নহবতে বাজে সকরুণ মূলতান।। নীরব আনমনা পিক চেয়ে আছে দূরে অনিমিখ ধূলি-ধূসর হলো দিক আসে বৈশাখ অভিযান।। চম্পা-মালা রবমলিন লুটায় ফুল-ঝরা বন-বীথিকায়, ঢেলে দাও সঞ্চিত প্রাণের মধু-যৌবন দেবতার পায়। অনন্ত বিরহ-ব্যথায় ক্ষণিকের মিলন হেথায় ফিরে নাহি আসে যাহা যায়-নিমেষের মধুতর গান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মা তোর কালো রূপের মাঝে রসের সাগর লুকিয়ে আছে, তোর কৃষ্ণ জ্যোতির আড়াল টেনে মোর প্রেমময় কৃষ্ণ নাচে।। (নাচে, নাচে, নাচে গো) আমি যাঁহার পরম তৃষ্ণা লয়ে কাঁদি (মা), ওমা কৃষ্ণা কেন রাখলি তারে বাঁধি, ওমা যোগমায়া সে যে বাজায় বাঁশি তোরই রূপের কদম গাছে।। আমার অভয় সুন্দরেরে কেন ভয়ের আবরণে রাখলি ঢেকে মাগো, আমি কাঁদব কত এই বিরহের বৃন্দাবনে। ওমা তোর শক্তি যমুনারি তীরে নাম লয়ে মোর শ্যাম যে কেঁদে ফিরে। তুই কোলে করে মেয়েরে তোর নিয়ে যা তাঁর পায়ের কাছে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।। গেলেন মদিনা যবে হিজরতে হজরত মদিনা হলো যেন খুশিতে জিন্নত, ছুটিয়া আসিল পথে মর্দ ও আওরত লুটায়ে পায়ে নবীর, গাহে সব উম্মত ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।। হাজার সে কাফের সেনা বদরে, তিন শত তের মমিন এধারে; হজরতে দেখিল যেই, কাঁপিয়া ডরে কহিল কাফের সব তাজিমের স্বরে ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।। কাঁদিয়া কেয়ামতে গুনাহগার সব, নবীর কাছে শাফায়তী করিবেন তলব, আসিবেন কাঁদন শুনি সেই শাহে আরব অমনি উঠিবে সেথা খুশির কলরব ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পাঠাও বেহেশ্ত হ’তে হজরত্ পুন সাম্যের বাণী, (আর) দেখিতে পারি না মানুষে মানুষে এই হীন হানাহানি।। বলিয়া পাঠাও, হে হজরত যাহারা তোমার প্রিয় উম্মত, সকল মানুষে বাসে তা’রা ভালো খোদার সৃষ্টি জানি’ — সবারে খোদারই সৃষ্টি জানি।। আধেক পৃথিবী আনিল ঈমান (তোমার) যে উদারতা-গুণে, শিখিনি আমরা সে-উদারতা, (কোরানে হাদিসে) কেবলি গেলাম শুনে’। তোমার আদেশ অমান্য ক’রে লাঞ্ছিত মোরা ত্রিভুবন ভ’রে, আতুর মানুষে হেলা ক’রে বলি, ‘আমরা খোদারে মানি’।।
রাগঃ
তালঃ