বাণী
পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।। বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে বুঝি দুখ-নিশি মোর হবে না হবে না ভোর ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।। বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে বুঝি দুখ-নিশি মোর হবে না হবে না ভোর ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

হে গোবিন্দ রাখ চরণে। মোরা তব চরণে শরণাগত আশ্রয় দাও আশ্রিত জনে হে॥ গঙ্গা ঝরে যে শ্রীচরণ বেয়ে কেন দুখ পাই সে চরণ চেয়ে এ ত্রিতাপ জ্বালা হর হে শ্রীহরি, চাহ করুণা সিক্ত নয়নে॥ হরি ভিক্ষা চাহিলে মানুষ নাহি ফিরায় তোমারি দুয়ারে হাত পাতিল যে, ফিরাবে কি তুমি তায়। হরি সব তরী ডুবে যায় তোমার চরণ তরী ত’ ডোবে না হায়, তব চরণ ধরিয়া ডুবে মরি যদি রবে কলঙ্ক নিখিল ভুবনে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

ওগো ও আমার কালো — গহন বনে বুকের মাঝে জ্বালো তুমি জ্বালো ওগো আমার আলো গো।। কাজলা মেঘের অন্তরালে তোমার রূপের মানিক জ্বলে আমার কালো মনের তলে জ্বালাও তুমি আলো গো।। একলা ব’সে দিন যেন মোর কাটে কইতে কথা বুক যে আমার ফাটে গো আঁধার যখন আসবে ঘিরে জ্বালবে তুমি আলো গো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গলে টগর মালা কাদের ডাগর মেয়ে যেন রূপের সাগর চলে উজান বেয়ে॥ তার সুডোল তনু নিটোল বাহুর পরে চাঁদের আলো যেন পিছ্লে পড়ে ও কি বিজলি পরী এলো মেঘ পাসরি’ চাঁদ ভুলে যায় লোকে তার নয়নে চেয়ে॥ যেন রূপকথার দেশের সে রাজকুমারী রামধনুর রঙ ঝরে অঙ্গে তারি মদন রতি করে তার আরতি তার রূপের মায়া দুলে ভুবন ছেয়ে॥
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ফুরাবে না এই মালা গাঁথা মোর ফুরাবে না এই ফুল এই হাসি ঐ চাঁপার সুরভি ভুল নহে, ভুল নহে, নহে ভুল॥ জানি জানি মোর জীবনের সঞ্চয়, রসঘন-মাধুরীতে হবে মধুময় তবে কেন আমার বকুল-কুঞ্জে বাঁশরি হইল আকুল॥ কৃষ্ণা তিথিতে নাই যদি হাসে চাঁদ, ফুরাবে না মোর পূর্ণ রসের সাধ যমুনার ঢেউ থাকুক আমার (আমি) নাই দেখিলাম কূল॥
চলচ্চিত্রঃ ‘দিকশূল’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গানের শুরুতে নীচের কথাগুলি সাপুড়েদের মন্ত্র-পড়ার ঢংয়ে আবৃত্তি করা হয়েছে :-
[খা খা খা তোর বক্ষিলারে খা তারি দিব্যি ফণাতে তোর যে ঠাকুরের পা' বিষহরি শিবের আজ্ঞ্যে দোহাই মনসা, আমায় যদি কামড়াস খাস জরৎ-কারুর হাড় নাচ নাগিনী ফণা তুলে, নাচ রে হেলেদুলে মারলে ছোবল বিষ-দাঁত তোর অমনি নেব তুলে বাজ তুবরী বাজ ডমরু বাজ, নাচ রে নাগ-রাজা।।] সাপুড়িয়া রে — বাজাও বাজাও সাপ-খেলানোর বাঁশি। কালিদহে ঘোর উঠিল তরঙ্গ রে কালনাগিনী নাচে বাহিরে আসি।। ফণি-মনসার কাঁটা-কুঞ্জতলে গোখরা কেউটে এলো দলে দলে রে সুর শুনে ছুটে এলো পাতাল-তলের বিষধর বিষধরী রাশি রাশি।। শন-শন-শন-শন পুব হাওয়াতে তোমার বাঁশি বাজে বাদলা-রাতে মেঘের ডমরু বাজাও গুরু গুরু বাঁশির সাথে। অঙ্গ জর জর বিষে বাঁচাও বিষহরি এসে রে এ কি বাঁশি বাজালো কালা, সর্বনাশী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
