বাণী
পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।। বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে বুঝি দুখ-নিশি মোর হবে না হবে না ভোর ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

পথহারা পাখি কেঁদে ফিরে একা আমার জীবনে শুধু আঁধারের লেখা।। বাহিরে অন্তরে ঝড় উঠিয়াছে আশ্রয় যাচি হায় কাহার কাছে বুঝি দুখ-নিশি মোর হবে না হবে না ভোর ফুটিবে না আশার আলোক রেখা।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বাদল-মেঘের মাদল-তালে ময়ূর নাচে দু’লে দু’লে। আকাশে নাচে মেঘের পরী বিজ্লি-জরীন্ ফিতা পড়ে খুলে’।। কদম্ব-ডালে ঝুলনিয়া ঝুলায়ে বনের বেণী কেয়াফুল দুলায়ে, তাল তমাল বনে কাজল বুলায়ে — বর্ষারানী নাচে এলোচুলে।। তরঙ্গ-রঙ্গ নাচে নটিনী ভরা-যৌবন ভাদর-তটিনী, পরি’ ফুলমালা নাচে বনমালা — সবুজ সুধার লহর তু’লে।।
রাগঃ সারং মিশ্র
তালঃ কাওয়ালি
ওগো ঠাকুর! বলতে পার কোথায় তোমার দেশ। সেই দেশেতে যাব আমি করবো দুখের শেষ।। কাঁদবো তোমার পায়ে ধ’রে আমার বাবা-মায়ের তরে, দেখতে নারি ঠাকুর, তাদের আর এ দীন বেশ।।
নাটকঃ ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ

শ্রীরাধা : ওলো বিন্দে! গোবিন্দে আর দিস্নে ব্যথা, দিস্নে। ওর দু নয়নে লো অঝোর ধারে বারি ঝরে, চোখে কি দেখিস্ নে? চোখের মাথা খেলি নাকি? [ঐ সজল কাজল চোখ দেখে তুই ঐ ডাগর চোখের চাওয়া দেখে তুই] ওর অশ্রুত নিবেদন অশ্রুতে ঝরে, ওরে কাঁদিতে দেখিলে মন কেমন করে। আমি রেইতে নারি — [হ’য়ে নারী সইতে নারি ওর নয়ন-বারি]। মোর পায়ে ধরার সাধে পদে-পদে অপরাধে আপনারে বাঁধে, কলঙ্ক হতে, সখি অধিক জোছনা দেয় কলঙ্কী-চাঁদে। ওরে তাই ভালোবাসি গো — [ত্রিভুবন ভালোবাসে ওরে]। এ-কুলে ও-কুলে যত নারী আছে, বৃন্দে, গোবিন্দে সকলে চায় — ও সকলের প্রিয় তবু কারো সে নয় কভু, প্রেমময় প্রেম দিয়ে কেবলি কাঁদায়, ওরে কে ধ’রে রাখবে? [ঐ দুরন্তরে বল্ ঐ উড়ন্ত পাখির] আমারি প্রিয়তমে সকলে বাসে ভালো গরবিনী আমি সেই গরব-ভরে। নিন্দা করি’, ‘বৃন্দা, বৃন্দাবনে লো — মনে মনে ক্ষমা চাই চরণ ধ’রে। ওর মন যে জানি লো, [ও চন্দ্রা’র বুকে কাঁদে ‘রাধা, রাধা’ ব’লে] ওর মনে যদি থাকত কিছু আবেশে, এ বেশে কি আসত? [চোর কি নিজে দেয় ধরা সই? অ-ধরা, ধরায়, ধরা পড়ত না সই] ও অত মুখ্যু নয় লো’ [কোটি কোটি মুমুক্ষেরে মোক্ষ দেয় যে, সে অত মুখ্যু নয় লো] প্রাণ গোবিন্দে, আন্ লো বৃন্দে — জুড়াক এ বুকের জ্বালা। বনমালী-কণ্ঠে নাহি জড়ালে সখি, প্রাণ-হীন আমি বনমালা! মোর কৃষ্ণ প্রাণ লো কৃষ্ণ ধ্যান, কৃষ্ণ জ্ঞান, কৃষ্ণ অভিমান — কৃষ্ণ প্রাণ লো! মোর কৃষ্ণ বিরহ, কৃষ্ণ কলহ, কৃষ্ণ প্রাণ লো!
‘কলহ-কলহান্তরিতা’
রাগঃ
তালঃ
ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন ভুবন গভীর বিষাদ মগন।। নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।
নাটক: সাবিত্রী
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

মনে রাখার দিন গিয়েছে এখন ভোলার বেলা আর লাগে না ভালো আমার হৃদয় নিয়ে খেলা।। লগ্ন ছিল ছিল সময় পরান ভরা চিল প্রণয়, সেদিন যদি আসতে মলয় বসতো ফুলের মেলা।। সুকুমার সুন্দর যাহা চিল আমার মাঝে গেছে ম'রে নিরাশাতে ঝ'রে গেছে লাজে। আজ উদাসীন শূন্য মনে ঘুরে বেড়াই অকারণে তোমার চেয়েও আমি আমায় হানি অবহেলা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
