আমি আছি ব'লে দুখ পাও তুমি

বাণী

আমি আছি  ব'লে দুখ পাও তুমি তাই আমি যাব চ'লে
এবার ঘুমাও প্রদীপের কাজ শেষ হয়ে গেছে জ্ব'লে।।
	আর আসিবে না কোন অশান্তি
	আর আসিবে না ভয়ের ভ্রান্তি
আর ভাঙিব না ঘুম নিশীথে গো 'জাগো প্রিয়া জাগো' বলে।।
হয়তো আবার সুদূর শূন্য আকাশে বাজিবে বাশিঁ,
গোপী-চন্দন গন্ধ আসিবে বাতায়ন পথে ভাসি'।
	চম্পার ডালে বিরহী পাপিয়া
	'পিয়া পিয়া' বলে উঠিবে ডাকিয়া
বৃন্দাবন কি ভাসিবে (আসিবে) সেদিন রোদন-যমুনা জলে।।

প্রিয় মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত

বাণী

প্রিয়	মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত
		(প্রিয়) তারিতে উম্মত এলে ধরায়
	মোহাম্মদ মোস্তফা, আমহদ মুরতজা
		নাম জপিতে নয়নে আঁসু ঝরায়।।
দিলে 	মুখে তক্‌বির, দিলে বুকে তৌহিদ
দিলে 	দুঃখেরই সান্ত্বনা খুশির ঈদ
দিলে 	প্রাণে ঈমান, দিলে হাতে কোরআন
		শিরে শিরতাজ নাম মুসলিম আমায়।।
তব	সব নসিহত মোরা গিয়াছি ভুলে
শুধু	নাম তব আছে জেগে প্রাণের কূলে
	ও-নামে এ প্রাণ-সিন্ধু তব দুলে
		আমি ঐ নামে ত’রে যাব, আছি আশায়।।

ব্রজপুর-চন্দ্র পরমসুন্দর কিশোর লীলা-বিলাসী

বাণী

ব্রজপুর-চন্দ্র পরমসুন্দর, কিশোর লীলা-বিলাসী
	সখি গো, আমি তা’রই চিরদাসী।
অমৃত-রস-ঘন শ্যামল শোভন, প্রেম-বৃন্দাবন-বাসী॥
	চাঁচর চিকুরে শিখী-পাখা যার,
	গলে দোলে বন-কুসুম হার
ললাটে তিলক, কপোলে অলক অধরে মৃদু মৃদু হাসি॥
	মকর কুন্ডল দোলে শ্রবণে,
	বোলে মণি-মঞ্জরি রাতুল চরণে
চির অশান্ত, চপল কান্ত বিশ্ব সে রূপ-পিয়াসি॥
	বক্ষে শ্রীবৎস কৌস্তুভ শোভে,
	করে মুরলী ভোলে মধুর রবে,
পীত বসনধারী সেই মাধবে যেন যুগে যুগে ভালবাসি॥

মা! আমার মনে আমার বনে

বাণী

মা! আমার মনে আমার বনে
		ফোটে যত কুসুম দল
সে ফুল মাগো তোরই তরে
		পূজ্‌তে তোরই চরণতল।।

নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার

বাণী

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার।
সৃষ্টিময় বৃষ্টি হয় নৃত্য সেই নন্দিতার।।
সাগরে নদীতে ঢেউ তোলে সেই দেবীর মুক্তকেশ।
সঙ্গীতের হিন্দোলে তাঁর আঁখির প্রেম-আবেশ।
পবনে পবনে হিল্লোলে নীল আঁচল চঞ্চলার
ছন্দোময় আনন্দময় চরণশ্রী বন্দি তাঁর।।

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে

বাণী

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে। 
গোপন অশ্রু-সম রাতের নয়ন-পাতে।। 
দেবতা চাহে না মোরে 
গাঁথে না মালার ডোরে, 
অভিমানে তাই ভোরে শুকাই শিশির-সাথে।। 
মধুর সুরভি ছিল আমার পরাণ ভরা, 
আমার কামনা ছিল মালা হয়ে ঝ’রে পড়া। 
ভালোবাসা পেয়ে যদি 
আমি কাঁদিতাম নিরবধি, 
সে-বেদনা ছিল ভালো, সুখ ছিল সে-কাঁদাতে।।