বাণী
আই লো, আই সতীন-রা আম খাবি তো আয়। এ আম খেলে, হবে ছেলে ঘুচবে সকল দায়।। ফকিরের দাওয়ার এ ফল, খেলে পেটে আসবে লো ফল, জীবন তোদের হবে সফল, আই লো তোরা আয়।।
লেটো গান: ‘বানর রাজকুমার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আই লো, আই সতীন-রা আম খাবি তো আয়। এ আম খেলে, হবে ছেলে ঘুচবে সকল দায়।। ফকিরের দাওয়ার এ ফল, খেলে পেটে আসবে লো ফল, জীবন তোদের হবে সফল, আই লো তোরা আয়।।
লেটো গান: ‘বানর রাজকুমার’
রাগঃ
তালঃ
তোমার আমার এই বিরহ সইব কত আর রইবে কত আড়াল টেনে গ্রহ-তারকার।। তৃষিত মোর হৃদয় যাচে এসো আমার বুকের কাছে যেমন দূরের চাঁদকে ডাকে ব্যাকুল পারাবার।। হাত চাহে মোর ব'সো কাছে করবো সেবা তব, নয়ন বলে নয়ন পাতায় রাখবো হে বল্লভ। হে নাথ তোমার তীর্থ পথে এ প্রাণ চাহে ধূলি হ'তে ঘুচবে কবে মোদের মাঝে অসীম অন্ধকার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
এসো মা ভারত-জননী আবার জগৎ-তারিণী সাজে। রাজরানী মা’র ভিখারিনী বেশ দেখে প্রাণে বড় বাজে॥ শিশু-জগতেরে মায়ের মতন, তুমি মা প্রথম করিলে পালন, আজ মাগো তোরই সন্তানগণ কাঁদিছে দৈন্য-লাজে॥ আঁধার বিশ্বে তুমি কল্যাণী জ্বালিলে প্রথম জ্ঞান-দীপ আনি; হইলে বিশ্ব-নন্দিতা রানী নিখিল নর-সমাজে॥ দেখা মা পুন সে অতীত মহিমা, মুছে দে ভীরুতা গ্লানির কালিমা, রাঙায়ে আবার দশদিক-সীমা দাঁড়া মা বিশ্ব-মাঝে॥
রাগঃ জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ একতাল

তুমি কেন এলে পথে ঝরা মল্লিকা ভাসাইতেছিনু একাকিনী নদী-স্রোতে।। কলসি আমার অলস খেলায় ধীর তরঙ্গে যদি ভেসে' যায় তীরে সে কলসি তুলে' আনো তুমি কেন নদী' জল হ'তে।। আমার নিরালা বনে আমি গাঁথি হার, তুমি গান গাহি' ধ্যান ভাঙো অকারণে। আমি মুখ হেরি' আরশিতে একা তুমি সে মুকুরে কেন দাও দেখা বাতায়নে চাহি' তুমি কেন হাসো আসিয়া চাঁদের রথে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

(ওমা) দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর (শ্যামা) রাখলাম তোর পায়ে। (এবার) তুই দিবি মা, ভক্তের তোর সকল ঋণ মিটায়ে।। মাগো সমন হাতে মোর মহাজন ধরতে যদি আসে এখন, তোরই পায়ে পড়বে বাঁধন ছেলের ঋণের দায়ে।। ওমা সুদ আসলে এ সংসারের বেড়েই চলে দেনা, এবার ঋণ মুক্তির তুই নে মা ভার, রইব তোরই কেনা। আমি আমার আর নহি ত (আমি) তোর পায়ে যে নিবেদিত, এখন তুই হয়েছিস্ জামিন আমার দে ওদের বুঝায়ে।।
রাগঃ
তালঃ
জাগো যুবতী! আসে যুবরাজ। অশোক-রাঙা বসনে সাজ।। আসন-পাতা-বনে অঞ্চল আধো বন্দনা-গীতি-ভাষা বাধো বাধো, কপোলে লাজ।। উছলি’ ওঠে যৌবন আকুল তরঙ্গে, খেলিছে অনঙ্গ নয়নে, বুকে, অঙ্গে আকুল তরঙ্গে। আগমনী-ছন্দ মেঘ-মৃদঙ্গে ভবন-শিখী গাহে বন-কুহু সঙ্গে, বাজো হৃদি-অঙ্গনে বাঁশরি বাজো।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (কাকলি ও বন্দিনীগণের গান)
রাগঃ
তালঃ