অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর

বাণী

অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর
উলু দে রে শঙ্খ বাজা প্রদীপ তুলে ধর।।
		তপস্যাহীন পাপীর দেশে
		মা এসেছে ভালোবেসে,
বিনা পূজায় মায়ের রূপে এলো বিধির বর।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

নমো নারায়ণ অনন্ত লীলা সিন্ধু

বাণী

নমো নারায়ণ অনন্ত লীলা সিন্ধু বিশাল।
কভু প্রশান্ত উদার কভু কৃতান্ত করাল।।
বিরাট বিপুল তব মহা বিশ্বে,
অনন্ত প্রকাশ অনন্ত দৃশ্যে,
গদা-পদ্মধারী কভু গোলক-বিহারী
কভু গোপাল ব্রজ-দুলাল কিশোর রাখাল।।

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি

বাণী

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি
ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।।
ঝুরে বারিধারা
ফিরে এসো পথহারা
কাঁদে নদী তট চুমি’।।

কত জনম যাবে তোমার বিরহে

বাণী

কত	জনম যাবে তোমার বিরহে
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।
	শূন্য গেহ মোর শূন্য জীবনে,
একা	থাকারি ব্যথা কত সহে (ওগো)
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।
	দিয়েছি যে জ্বালা জীবন ভরি' হায়
	গলি নয়ন -ধারায় সে ব্যথা বহে
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।

আঁধার রাতে দেবতা মোর

বাণী

আঁধার রাতে দেবতা মোর এসে গেছে চ’লে
রেখে গেছে চরণ-চিহ্ন শূন্য গৃহ-তলে।।
	জেগে দেখি বুকের কাছে
	পূজার মালা প’ড়ে আছে
ফেলে গেছে মালাখানি বুঝি খানিক প’রে গলে।।
তার অঙ্গের সুবাস ভাসে মন্দির-অঙ্গনে,
তাহার ছোঁওয়া লেগে আছে কুমকুম-চন্দনে।
	অপূর্ণ মোর প্রণামখানি
	দেবো কবে নাহি জানি,
সে আস্‌বে বুঝি বাসনা-ধূপ পুড়িয়া শেষ হলে’।।

জননী মোর জন্মভূমি

বাণী

জননী মোর জন্মভূমি, তোমার পায়ে নোয়াই মাথা।
স্বর্গাদপি গরীয়সী স্বদেশ আমার ভারত-মাতা।।
তোমার স্নেহ যায় ব’য়ে মা শত ধারায় নদীর স্রোতে
ঘরে ঘরে সোনার ফসল ছড়িয়ে পড়ে আঁচল হ’তে,
স্নিগ্ধ-ছায়া মাটির বুকে তোমার শীতল পাঁটী পাতা।।
স্বর্গের ঐশ্বর্য লুটায় তোমার ধূলি-মাখা পথে
তোমার ঘরে নাই যাহা মা, নাইক তাহা ভূ-ভারতে,
ঊর্ধ্বে আকাশ নিম্নে সাগর গাহে তোমার বিজয়-গাথা।।
আদি জগদ্ধাত্রী তুমি জগতেরে প্রথম প্রাতে
শিক্ষা দিলে দীক্ষা দিলে, করলে মানুষ আপন হাতে,
তোমার কোলের লোভে মা গো রূপ ধ’রে আসেন বিধাতা।।
ছেলের মুখের অন্ন কেড়ে খাওয়ালি মা যাদের ডেকে
তারাই দিল তোর ললাটে চির-দাসীর তিলক এঁকে,
দেখে শুনে হয় মা মনে, নেইক বিচার, নেই বিধাতা।।