আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে

বাণী

আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে মদিনায় —
জাত-পাক মুস্তাফার রওজা মুবারক যেথায়।।
মরিয়া আছি দুখে মাশরেকী এই মুল্লুকে,
পড়ব মাগরিবের নামাজ কবে খানা-এ কা'বায়।।
হজরতের নাম তসবি করে যাব রে মিসকিন বেশে
ইসলামের ঐ দ্বীনী ডঙ্কা বাজল প্রথম যে দেশে।
কাঁদব ধরে মাজার শরীফ ধরে শুনব সেথায় কান পাতি, —
নবীর মুখে তেমনি কি রে রব ওঠে 'এ্যায় উম্মতি'!
পাক কোরানের কালাম হয়ত সেথা শোনা যায়।।

মন জপ নাম শ্রীরঘুপতি

বাণী

মন জপ নাম শ্রীরঘুপতি রাম নব দূর্বাদলশ্যাম নয়নাভিরাম!
সুরাসুর-কিন্নর-যোগী-মুনি-ঋষি-নর চরাচর যে নাম জপে অবিরাম॥
		সজল-জলদ-নীল-নবঘন কান্তি
		নয়নে করুণা, আননে প্রশান্তি।
নাম শরণে টুটে যায় শোক-তাপ-ভ্রান্তি, রূপ নেহারি মূরছিত কোটি কাম॥

ললাটে মোর তিলক এঁকো মুছে বঁধুর চরণ-ধুলি

বাণী

ললাটে মোর তিলক এঁকো মুছে বঁধুর চরণ-ধুলি
আঁখিতে মোর কাজল মেখো ঘন শ্যামের বরণগুলি।।
	বঁধুর কথা মধুর প্রিয়
	কর্ণ মূলে দুলিয়ে দিও
বক্ষে আমার হার পরিও বঁধুর পায়ের নূপুর খুলি।।
তার পীত বসন দিয়ে ক'রো এই যোগিনীর উত্তরীয়
হবে অঙ্গেরই চন্দন আমার কলঙ্ক তার মুছে নিও।
	সে দেয় যা ফেলে মনের ভুলে
	তাই অঞ্চলে মোর দিও তুলে
তার বনমালার বাসি ফুলে ভ'রো আমার ভিক্ষা ঝুলি।।

যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার

বাণী

যেদিন		রোজ হাশরে করতে বিচার তুমি হবে কাজী
		সেদিন তোমার দিদার আমি পাব কি আল্লাজী।।
		সেদিন নাকি তোমার ভীষণ কাহ্‌হার রূপ দেখে
		পীর পয়গম্বর কাঁদবে ভয়ে ‘ইয়া নফসী’ ডেকে;
		সেই সুদিনের আশায় আমি নাচি এখন থেকে।
আমি		তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজী।
আল্লাহ 		তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজি।।
		যেরূপে হোক বারেক যদি দেখে তোমায় কেহ
		দোজখ্‌ কি আর ছুঁতে পারে পবিত্র তাঁর দেহ।
সে 		হোক না কেন হাজার পাপী হোক না বে-নামাজী।।
		ইয়া আল্লাহ, তোমার দয়া কত তাই দেখাবে ব’লে
		রোজ-হাশরে দেখা দেবে বিচার করার ছলে, —
		প্রেমিক বিনে কে বুঝিবে তোমার এ কারসাজি।।

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা

বাণী

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা
বনমালী এসো দুলায়ে বনমালা॥
তব পথে বকুল ঝরিছে উতল বায়ে
দলিয়া যাবে বলে অকরুণ রাঙা পায়ে
রচেছি আসন তরুণ তমাল ছায়ে
পলাশ শিমুলে রাঙা প্রদীপ জ্বালা॥
ময়ূরে নাচাও তুমি তোমারি নূপুর তালে
বেঁধেছি ঝুলনিয়া ফুলেল কদম ডালে
তোম বিনা বনমালী বিফল এ ফুল দোল
বাঁশি বাজাবে কবে উতলা ব্রজবালা॥

আসিয়া কাছে গেলে ফিরে

বাণী

আসিয়া কাছে গেলে ফিরে
কেন আসিয়া কাছে গেলে ফিরে।।
	মুখের হাসি সহসা কেন
	নিভে গেল আঁখি নীরে
ফুটিতে গিয়া কোন কথার মুকুল
	ঝরে গেল অধরের তীরে।।
ঝড় উঠিয়াছে বাহির ভুবনে আঁধার নামে বন ঘিরে
যে কথা বলিলে না-ব'লে যাও বিদায়-সন্ধ্যা তিমিরে।।