বাণী
জাগো — জাগো বধূ নব-বাসরে। গৃহ-দীপ জ্বালো কল্যাণ-করে।। ভুবনের ছিলে, এলে ভবনে স্বপন হ’তে এলে জাগরণে, শ্রীমতী আসিলে শ্রী হীন ঘরে।। স্বপন-বিহারিণী অকুণ্ঠিতা পরিলে গুণ্ঠন সলাজ ভীতা’, কমলা আসিলে কাঁকন প’রে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালি
জাগো — জাগো বধূ নব-বাসরে। গৃহ-দীপ জ্বালো কল্যাণ-করে।। ভুবনের ছিলে, এলে ভবনে স্বপন হ’তে এলে জাগরণে, শ্রীমতী আসিলে শ্রী হীন ঘরে।। স্বপন-বিহারিণী অকুণ্ঠিতা পরিলে গুণ্ঠন সলাজ ভীতা’, কমলা আসিলে কাঁকন প’রে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালি
আজি মধুর গগন মধুর পবন মধুর ধরতীধাম আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম। বাজত বনমে মধুর মুরলী বোলাতা রাধা নাম আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম। আজ থির যমুনা আধীর ভায়ি আয়ে গোকুলকে চাঁদ অন্ধেরি গ্যয়ি, বোলে কোয়েলিয়া ময়ূর পাপিহা পিয়া পিয়া অবিরাম।। ব্রিজকে কোঁয়ারি বনকে যোগিনী রোতি থী বিরহ মে, আজ লেকে গাগরি ওড়ে নীল শাড়ি চলে ফের নীর ভরণে। আজ হরিকে সাথ হরিভি আয়ে রাঙা আবিরমে গোকুল ছায়ে, বনশী বাজাওয়ে রসিয়া গারে বিভোর ব্রিজধাম।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মুখে তোমার মধুর হাসি হাতে কুটিল ফাঁসি। সুন্দর চোর, চিনি তোমায় তবু ভালোবাসি।। শত ব্রজে কেঁদে মরে শত রাধা তোমার তরে, কত গোকুল ডুবলো অকূল আঁখির নীরে ভাসি'।। কত নারীর মন গেঁথে, নাথ, পরলে বন-মালা, যমুনাতে ডুবালে শ্যাম কত কুলের বালা। দেখাও আসল হাত দু'খানি- করাল গদার চক্রপাণি, তব এ দু'টি হাত ছলনা, নাথ, বাজাও যে হাতে বাঁশি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার ফুলের মতন মন। ফুলের মত সইতে নার একটু অযতন।। ভুল ক’রে এই কঠিন ধরায় তুমি কেন আসিলে হায়, একটি রাতের তরে হেথায় ফুলের জীবন।। গাঁথ্বে মালা প’রবে গলায় অর্ঘ্য দেবে দেবতা-পায়, ফেলে দেবে পথের ধূলায় মিট্লে প্রয়োজন।।
রাগঃ আশোয়ারী
তালঃ দাদ্রা
কোকিল, সাধিলি কি বাদ। নিশি অবসান হল না মিটিতে সাধ।। মিলনের মোহ কেন ডাকিয়া ভাঙিলি হেন, তুই রে সতিনী যেন — চন্দ্রাবলীর ফাঁদ।। সারা নিশি অভিমানে চাহিনি শ্যামের পানে, জেগে দেখি কুহু-তানে — নাহি শ্যামচাঁদ।। ননদিনী কুটিলা কি পাঠায়েছে তোরে পাখি, সুরের বাসরে ডাকি’ — আনিলি বিষাদ।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালী
নৃত্যকালী শঙ্কর সঙ্গে নাচে অতি রুদ্র-বিহঙ্গে। ছন্দ ঝরে ঝর্ঝর ধারায় মন্দাকিনী গঙ্গা তরঙ্গে।। মুক্তবেণী ধূর্জটি-জটা বিধূনিত অম্বরে দোলে সসাগরা ভীতা পৃথ্বী কাঁপে মহাবিষ্ণুর কোলে, বাজে ঘোর ডম্বরু শিঙ্গা উল্কা ছোটে ভ্রুকুটি ভঙ্গে।। মৃত্যু-ক্ষুধা জাগিল একি রে, সৃষ্টি-স্থিতি সংহার মানসে। পঞ্চভূত চিত্ত অহঙ্কার ব্রহ্মা-হরি লয় হ’ল ব্রহ্মে উগ্র তারা রুদ্রেরে আবরি’ নাচে একা উন্মাদ দম্ভে, একি হেরি মূর্ছিতা শক্তি সোহম্ শিব আমারি অঙ্গে।।
রাগঃ বাঙ্গাল ভৈরব
তালঃ ঝুম্রা
