সেই রবিয়ল আউয়ালেরই চাঁদ এসেছে ফিরে

বাণী

সেই রবিয়ল আউয়ালেরই চাঁদ এসেছে ফিরে
		ভেসে আকুল অশ্রুনীরে।
আজ মদিনার গোলাপ বাগে বাতাস বহে ধীরে
		ভেসে আকুল অশ্রুনীরে।।
	তপ্ত বুকে আজ সাহারার
	উঠেছে রে ঘোর হাহাকার
মরুর দেশে এলো আঁধার শোকের বাদল ঘিরে।।
চবুতরায় বিলাপ করে কবুতরগুলি খোঁজে নবীজীরে।
কাঁদিছে মেষশাবক, কাঁদে বনের বুলবুলি গোরস্থান ঘিরে।।
	মা ফাতেমা লুটিয়ে প’ড়ে
	কাঁদে নবীর বুকের পরে
আজ দুনিয়া জাহান কাঁদে কর হানি শিরে।।

মোর নিশীথের চাঁদ ঘন মেঘে ঢাকিয়াছে

বাণী

মোর নিশীথের চাঁদ ঘন মেঘে ঢাকিয়াছে।
আর১ দূরে থাকিও না এসো এসো আরো কাছে।।
মোর ভবন-কপোতগুলি উড়িয়া গিয়াছে ভয়ে
কাঁপিছে মালতী-লতা মুকুল-বক্ষে ল’য়ে,
মোর আশার প্রদীপ-শিখা হের ঝড়ে নিভিয়াছে।।
হের ঘোর ঘন ঘটা সব লাজ দিল ঢেকে,
বিজলি তোমারে হেরি’ চমকায় থেকে থেকে।
বাহিরে আলেয়া ডাকে ধর হাত ধর মম
আঁধারে দেখাও পথ তুমি ধ্রুবতারা সম,
ঐ শোনো গো ফটিক জল তৃষ্ণার বারি যাচে।।

১. আজ

ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া

বাণী

ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া
এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।।
দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে
কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।।
বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে
হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।

আজো বোলে কোয়েলিয়া চাঁপাবনে

বাণী

আজো বোলে কোয়েলিয়া
চাঁপাবনে প্রিয় তোমারি নাম গাহিয়া।।
তব স্মৃতি ভোলেনি চৈতালি সমীরণ,
আজো দিকে দিকে খুঁজে ফেরে কাঁদিয়া।।
নিশীথের চাঁদ আজো জাগে
ওগো চাঁদ, তব অনুরাগে।
জলধারা উথলে যমুনার সৈকতে
খোঁজে তরুলতা ফুল আঁখি মেলিয়া।।

বুনো ফুলের করুণ সুবাস

বাণী

বুনো ফুলের করুণ সুবাস ঝুরে।
নাম-না-জানা গানের পাখি, তোমার গানের সুরে।।
	জানাতে হায় এলে কোথা
	বনের ছায়ার মনের ব্যথা,
তরুর ছায়া ফেলে এলে মরুর বুকে উড়ে।।
এলে চাঁদের তৃষ্ণা নিয়ে কৃষ্ণা তিথির রাতে,
পাতার বাসা ফেলে এলে সজল নয়ন-পাতে।
	ওরে পাখি, তোর সাথে হায়
	উড়তে নারি দূর অলকায়,
বন্ধনে যে বাঁধা আমি মলিন মাটির পুরে।।

ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান

বাণী

ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান আসিবে আজি বন্ধু মোর!
স্বপন মাখিয়া সোনার পাখায় আকাশে উধাও চিত-চকোর।।
		হিজল-বিছানো বন-পথ দিয়া
		রাঙায়ে চরণ আসিবে গো পিয়া।
নদীর পারে বন-কিনারে ইঙ্গিত হানে শ্যাম কিশোর।।
		চন্দ্রচূড় মেঘের গায়
		মরাল-মিথুন উড়িয়া যায়,
নেশা ধরে চোখে আলো-ছায়ায় বহিছে পবন গন্ধ-চোর।।