বাণী
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
তুমি প্রভাতের সকরুণ ভৈরবী। শিশির-সজল ভোরের আকাশে ভাসে তোমারি উদাস ছবি।। বিষাদ গভীর কার কল্পনা রূপ ধ’রে তুমি ফের আনমনা, তোমারি মূরতি ধেয়ায় স্বপনে বিরহী সুরের কবি।। তুমি ধরা দিতে যেন আস নাই ধরণীতে, একা-একা খেলা খেল সারাবেলা সাথিহীন তরণীতে। আঘাত হানিয়া সে-কোন্ নিঠুর জাগাবে তোমাতে আশাবরি সুর, পাষাণ টুটিয়া গলিয়া পড়িবে অশ্রুর জাহ্নবী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আঁধার ভীত এ চিত যাচে মা গো১ আলো আলো। বিশ্ববিধাত্রী আলোকদাত্রী নিরাশ পরানে আশার সবিতা জ্বালো জ্বালো, আলো, আলো।। হারায়েছি পথ গভীর তিমিরে লহ হাতে ধ’রে প্রভাতের তীরে পাপ তাপ মুছি’ কর মা গো২ শুচি, আশিস-অমৃত ঢালো।। দশ৩ প্রহরণধারিণী দুর্গতিহারিণী দুর্গে মা অগতির গতি সিদ্ধি-বিধায়িনী দনুজ-দলনী বাহুতে দাও মা শকতি। তন্দ্রা ভুলিয়া যেন মোরা জাগি — এবার প্রবল মৃত্যুর লাগি’, রুদ্র-দাহনে ক্ষুদ্রতা দহ’ বিনাশ গ্লানির কালো।।
১. প্রভু, ২. নাথ, ৩, পান্ডুলিপিতে এখানে দুটি পঙ্ক্তি বেশি আাছে অচেতন প্রাণে জাগরণ তৃষ্ণা আনো আনো জড়তার বুকে জীবন-পিপাসা দানো দানো।
রাগঃ শিবমত-ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল (টিমা)

আজি অলি ব্যাকুল ওই বকুলের ফুলে কত আদরে টানি, চুমে বদনখানি ফুলকলি লাজে পড়ে বুকে ঢুলে ঢুলে।। আসে ফুল-বধূ, বুকে ভরা মধু হাসে ভ্রমর-বঁধু কলি সনে দুলে দুলে।। সোহাগে গুনগুনিয়ে সব কথা তার কইতে বাকি সলাজ ফুল-কুমারীর ঘোমটাখানি খুলতে বাকি, গোপনে গোপন বুকের সুধাটুকু লুটতে বাকি, না কওয়া যত কথা কানে কানে বলে খুলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)

কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে। কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥ কালো জলে দীঘির বুকে কালায় দেখি নীল-শালুকে (আমি) চম্কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥ কল্মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো। উড়ে গেলে দোয়েল পাখি ভাবি কালার কালো আঁখি আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সখি নাম ধ’রে কে ডাকে দুয়ারে। চ’লে যাওয়া বন্ধু বুঝি ফিরে এলো জোয়ারে।। সখি নিত্য আমার বুকের মাঝে যাহার চরণ-ধ্বনি বাজে, সেই পায়ের ধ্বনি কানে শুনি আমার আঙিনার ধারে।। সাজ পরতে সাধ কেন হয়, বাম অঙ্গ নাচে, থাকি থাকি বৌ কথাকও পাখি ডাকে গাছে। গাঙের পারে বাজে বাঁশি চাঁদের মুখে রাঙা হাসি মোর মন কেঁদে কয়, সে এসেছে আন্ লো ডেকে উহারে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
