বাণী
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
কী অনল জ্বলে লো সই কী অনল জ্বলে। নয়ন ভরল জলে লো সই আমার হিয়ার তলে।। (আমি) উদাসী পাগল হ’য়ে না ত্যাজিলাম কায়া এই চাঁদের মুখে পড়ল আমার রাহুল প্রেমের ছায়া, মোর বুকের মাঝে সাত সিন্ধুর একি ঢেউ উথলে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
নন্দন বন হতে কি গো ডাকো মোরে আজো নিশীথে ক্ষণে ক্ষণে ঘুম হারা পাখি কেঁদে ওঠে করুন-গীতে।। ভেঙে যায় ঘুম চেয়ে থাকি চাহে চাঁদ ছলছল আখিঁ ঝরা চম্পার ফুল যেন কে ফেলে চলে যায় চকিতে।। সহিতে না তিলেক বিরহ ছিলে যবে জীবনের সাতি, ব'লে যাও আজ কোন অমরায় কেমনে কাটাও দিবারাতি।। জীবনে ভুলিলে তুমি যারে তারে ভুলে যাও মরনের ওপারে আঁধার ভুবনে মোরে একাকী দাও মোরে দাও ঝুরিতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

লাল টুক্টুক্ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল। বিনি পানে রঙ দেখে যায় লাল-ঝুঁটি বুলবুল।। দেখতে আমার, খুকুর বিয়ে সূয্যি ওঠেন উদয় দিয়ে, চাঁদ ওঠে ঐ প্রদীপ নিয়ে গায় নদী কুল্কুল্।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ইরানের রূপ-মহলের শাহজাদী শিঁরি! জাগো জাগো শিঁরি। ‘প্রিয়া জাগো’ ব’লে ফরহাদ ডাকে শোনো আজো১ রাতে ধীরি ধীরি।। তুমি ধরা দিবে তারে বলেছিলে, বে-দরদি, যদি পাহাড় কাটিয়া আনিতে পারে সে নদী। হের গো শিলায় শিলায় আজি উঠিয়াছে ঢেউ সেথা তব মুখ ছাড়া নাহি আর কেউ, প্রেমের পরশে যেন মোমের পুতুল হয়েছে পাষাণ-গিরি।। গলিল পাষাণ, তুমি গলিলে না ব’লে — যে প্রেমিক মরেছিল তোমার পাষাণ-প্রতিমার তলে, সেই বিরহীর রোদন যেন গো উঠিছে ভুবন ঘিরি’।।
১. আধো
নাটকঃ ‘মদিনা’
রাগঃ শিরী-ফর্হাদ্ (নজরুল সৃষ্ট)
তালঃ কাহার্বা

গুরুমন্ত্র তোমার উঠল জ্ব’লে হোমের শিখার মত। এক নিমেষে ভষ্ম হ’ল পাপ-তাপ মোর যত।। চির-আঁধার ছিল আমার হিয়া তুমি এলে মন্দ্র-প্রদীপ নিয়া, হল চকিতে সেই দীপালোকে মনের আঁধার গত।। উজ্জ্বল মোর ঘন-দেউলে কোন্ সে আদি ঋষি, গভীর উদার মন্ত্র তোমার জপে দিবা-নিশি। রিপু দানব যথা ক’রত বাস সেই মন হ’ল আজ আনন্দ-কৈলাস, সে-কৈলাসে তুমি শিব, আমি দীন প্রণত।।
রাগঃ
তালঃ