কুসুম ফুলের মালা গেঁথে

বাণী

কুসুম ফুলের মালা গেঁথে দুলিয়ে দিছি গলে।
অশ্রু দিয়ে গাঁথা মালা রইলো বুকের তলে।।
বন্ধু আমার আস্‌বে যখন ফিরে’ বিজয় রথে
মরা ফুলের সাথে আমি রইবো প’ড়ে পথে,
যাবার বেলা চরণ দিয়ে যাবে আমায় দ’লে।।
তাহার প্রিয়ার মুখে দেবো আমার হাসি ল’য়ে
রইব না গো তাহার সুখে পথের কাঁটা হ’য়ে,
তা’র বাসরে আলো দেবো প্রদীপ হ’য়ে জ্ব’লে।।

অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে

বাণী

অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে।
প্রদীপ-শিখা সম কাঁপিছে প্রাণ মম
তোমায়, হে সুন্দর, বন্দিতে!
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।
তোমার দেবালয়ে কি সুখে কি জানি
দু’লে দু’লে ওঠে আমার দেহখানি
আরতি –নৃত্যের ভঙ্গীতে।
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।
পুলকে বিকশিল প্রেমের শতদল
গন্ধে রূপে রসে টলিছে টলমল।
তোমার মুখে চাহি আমার বাণী যত
লুটাইয়া পড়ে ঝরা ফুলের মত
তোমার পদতল রঞ্জিতে।
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।

এলো শিবানী-উমা এলো

বাণী

এলো শিবানী-উমা এলো এলোকেশে।
এলো রে মহামায়া দনুজদলনী বেশে।।
এলো আনন্দিনী গিরি-নন্দিনী
রবে না কেহ আর বন্দী-বন্দিনী,
শক্তি প্রবাহ বহিল মৃতদেশে।।
এলো রে বরাভয়া ভয় হরিতে,
শ্মশান কঙ্কালে বজ্র গড়িতে।
এলো মা অন্নদা, আয় রে ভিখারি
বর চেয়ে নে যার যে অধিকারী
মুক্তি বন্যায় ভারত যাক্ ভেসে।।

গহন বনে শ্রীহরি নামের মোহন বাঁশি কে

বাণী

গহন বনে শ্রীহরি নামের মোহন বাঁশি কে বাজায়।
ভুবন ভরি’ সেই সুরেরি সুরধুনি বয়ে যায়।।
সেই নামেরি বাঁশির সুরে, বনে পূজার কুসুম ঝুরে
সেই নামেরি নামাবলি, গ্রহ তারা আকাশ জুড়ে
অন্ত বিহীন সেই নামেরি সুর-স্রোতে কে ভাসবি আয়।।

চলচ্চিত্রঃ ধ্রুব (কাহিনীকার: গিরিশ ঘোষ)

বেণুকা ও-কে বাজায় মহুয়া বনে

বাণী

বেণুকা ও-কে বাজায় মহুয়া বনে।
কেন ঝড় তোলে তার সুর আমার মনে।।
বলে আয় সে দুরন্তে সখি
আমারে কাঁদাবে সারা জনম ও-কি,
সে কি ভুলিতে তারে দেবে না জীবনে।।
সখি, ভাল ছিল তার তীর-ধনুক নিঠুর,
বাজে আরো সকরুণ তা’র বেণুকার সুর।
সখি, কেন সে বন-বিলাসী
আমারই ঘরের পাশে বাজায় বাঁশি,
আছে আরো কত দেশ, কত নারী ভুবনে।।

আবির-রাঙা আভীরা নারী সনে

বাণী

আবির-রাঙা আভীরা নারী সনে কৃষ্ণ কানাই খেলে হোলি।
হোরির মাতনে চুড়ি ও কাঁকনে উঠিছে কল-কাকলি।।
শ্যামল তনু হ’ল রাঙা আবিরে রেঙে,
ইন্দ্রধনু-ছটা যেন কাজল মেঘে,
				রাঙিল রঙে নীল চোলি।।
লহু লহু হাসে মুহু মুহু ভাসে রাঙা কুঙ্কুম ফাগের রাগে,
দোঁহে দুহু ধরি’ মারে পিচকারি চাঁদ-মুখে কলঙ্ক জাগে।
অঙ্গে অপাঙ্গে অনঙ্গ-রঙ্গিমা ইঙ্গিতে উঠিছে উছলি’।।