বাণী
মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে। কে এলে মনোহর নটবর-সাজে।। নিশীথের ফুল ঝরে রাঙা পায়ে মাধবী রাতের চাঁদ এলে কি লুকায়ে, 'পিয়া পিয়া' ব'লে পাখি ডাকে বন-মাঝে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শঙ্করা
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে। কে এলে মনোহর নটবর-সাজে।। নিশীথের ফুল ঝরে রাঙা পায়ে মাধবী রাতের চাঁদ এলে কি লুকায়ে, 'পিয়া পিয়া' ব'লে পাখি ডাকে বন-মাঝে।।
রাগঃ শঙ্করা
তালঃ ত্রিতাল

আজি চৈতী হাওয়ার মাতন লাগে হলুদ চাঁপার ডালে ডালে। তালী বনে বাজে তারি করতালি ঐ তালে তালে।। ভ্রমর মুখে গুনগুনিয়ে যায় সে মৃদু সুর শুনিয়ে শুকনো পাতার মর্মরে তার নূপুর বাজে রুনুঝুনিয়ে।। ফুলে পাতায় রঙ মাখায় সে ফিকে সবুজ নীলে লালে আজি ওড়ে তাহার রঙের নিশান প্রজাপতির পাখার পালে পালে।।
রেকর্ড-নাটিকা, ‘বাসন্তিকা’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
যাবার বেলায় মিনতি আমার (শুধু) রাখিও মনে ডাক দিও গো সাঁঝের ছায়ে সাঙ্গোপনে।। যখন সন্ধ্যাবধূ আঁকবে রঙের আলপনা আমার হিয়া দুলবে তখন তোমার প্রদীপ সনে যখন নিরালাতে গাঁথবে মালা আনমনে।। (আমি) রইব ঘিরে তোমার মালার গন্ধ সনে (প্রিয় আমার) আমি দুলিয়ে যাব অলক তব মৃদু পবনে ওগো একটি মালা গলায় নিও আমার স্মরণে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তোমার কথার পারাবতগুলি আকাশে উড়িয়া যায়। অঞ্চল মেলি’ চঞ্চল মন তাহারে ধরিতে চায়।।১ ব্যাকুল বক্ষে কোন্ তরুণীর উহারা কি কভু বাঁধিবে না নীড়? (ওরা) শূন্য মনের কথা কি গো তাই শূন্যে মিলায় হায়।। গানের আড়ালে ওগো ও-সুরের দেবতা২ কেন এ লুকিয়ে রাখা,৩ কেন কামনার কপোতগুলি ছড়াও দিগ্বিদিকে পরায়ে সুরের পাখা! যে বুকে জাগে এ সুর, এত কথা সারা বিশ্বের বিরহের ব্যথা, বল বল সেথা একটি হৃদয় ঠাঁই কেন নাহি পায়।।
গীতি-আলেখ্য : ‘আকাশবাণী’
১. ভবনে বসিয়া উন্মুখ মন তাহারে ধরিতে চায়, ২. কবি, ৩. থাকা
রাগঃ
তালঃ
একটুখানি দাও অবসর বসতে কাছে, তোমায় আমার অনেক যুগের অনেক কথা বলার আছে।। গ্রহ ঘিরে উপগ্রহ, ঘোরে যেমন অহরহ; আমার আকুল এ বিরহ তেমনি প্রিয় তোমায় যাচে॥ চিরকালই রইলে তুমি আমার পাওয়ার বহুদূরে আজকে ক্ষণিক কইব কথা সকরুণ গানের সুরে। করব পূজা গানে গানে, চাইব না আর নয়ন পানে; আমার চোখের অশ্রুলেখা দেখে তুমি চেন পাছে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
