বাণী
ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে। পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।। রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে, (আমি) দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে। পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।। রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে, (আমি) দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
ছিটাইয়া ঝাল নুন এলো ফাল্গুন মাস কাঁচা বুকে ধরে ঘুণ, শ্বাস ওঠে ফোঁস ফাঁস।। শিমুল ফুলের মত ফটাফট্ ফাটে হিয়া প্রেম-তুলো বের হয়ে পড়ে গো ছড়াইয়া, সবে বালিশ ধরিয়া করে ছটপট হাঁসফাঁস।। চিবুতে সজ্’নে খাড়া সজনীরা ভুলে যায়, আনাগোনা করে প্রেম পরানের দরজায়, হৃদয়ের ইঞ্জিনে গ্যাস্ ওঠে ভোঁস ভাঁস।। কচি আম-ঝোল-টক খাইয়া গিন্নি মায় বৌঝির সাথে করে টক্ষাই টক্ষাই। আইবুড়ো আইবুড়ি জল গেলে ছ’ গেলাস।। বিরহিণীদের আঁখি-কলসি হয়েছে ফুটো, গাধাও আজ গাহে গান ফেলিয়া ঘাসের মুঠো, নোনা-পাকা মন বলে, কবে আসে তালশাঁস।।
রাগঃ সোহিনী বসন্ত
তালঃ কাহার্বা

উভয়ে : কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই সুদূর বিমানে আমরা দু’জনে। কানন-কান্তর শিহরি’ ওঠে মোদের প্রণয়-মদির কূজনে।। স্ত্রী : ভ্রমর গুঞ্জে মঞ্জুল গীতি, হেরিয়া আমার বঁধূর প্রীতি, পুরুষ : আমার প্রিয়ার নয়নে চাহি’ কুসুম ফুটে ওঠে বিপিনে বিজনে।। স্ত্রী : তোমা ছাড়া স্বর্গ চাহি না, প্রিয়! মোদের প্রেমে চাঁদ আসে নেমে মাটির পাত্রে পান করি অমিয়।। পুরুষ : বিশ্ব ভুলায়ে ও-রাঙা পায়ে আমারে বেঁধেছে জীবনে মরণে।।
রাগঃ পিলু বারোয়াঁ
তালঃ ত্রিতাল

মোহাম্মদ মোর নয়ন-মণি মোহাম্মদ নাম জপমালা। ঐ নামে মিটাই পিয়াসা ও নাম কওসারের পিয়ালা।। মোহাম্মদ নাম শিরে ধরি, মোহাম্মদ নাম গলায় পরি, ঐ নামের রওশনীতে আঁধার এ মন রয় উজালা।। আমার হৃদয়-মদিনাতে শুনি ও নাম দিনে-রাতে, ও নাম আমার তস্বি হাতে, মন-মরুতে গুলে-লালা।। মোহাম্মদ মোর অশ্রু চোখের ব্যথার সাথী শান্তি শোকের, চাইনে বেহেশ্ত যদি ও নাম জপ্তে সদা পাই নিরালা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রাঙা জবার বায়না ধ’রে আমার কালো মেয়ে কাঁদে সে তারার মালা সরিয়ে ফেলে এলোকেশ নাহি বাঁধে॥ পলাশ অশোক কৃষ্ণচূড়ায়, রাগ ক’রে সে পায়ে গুঁড়ায় সে কাঁদে দু’হাত দিয়ে ঢেকে যুগল আঁখি সূর্য চাঁদে॥ অনুরাগের রাঙাজবা থাক না মোর মনের বনে আমার কালো মেয়ের রাগ ভাঙাতে ফিরি জবার অন্বেষণে। মা’র রাঙা চরণ দেখতে পেয়ে, বলি এই যে জবা হাবা মেয়ে (সে) জবা ভেবে আপন পায়ে উঠলো নেচে মধুর ছাঁদে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সো’জা সো’জা সো’জা জগ নরনারী বাদল গ্যর্যজো বিজলি চ্যম্যকে র্যজ্যনী হো রহ্ আঁধিয়ারী।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
