বাণী
মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই। সহসা প্রাতে আমি এসেছি, জানাই।। আমি আনি দেশে দশভূজার পূজা কোজাগরী নিশি জাগি আমি অনুজা। বুকে শাপ্লা-কমল মালা দোলে টলমল, আমি পরদেশি বন্ধুরে স্বদেশে আনাই।।
রাগ ও তাল
রাগঃ রামকেলি
তালঃ কাহার্বা
মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই। সহসা প্রাতে আমি এসেছি, জানাই।। আমি আনি দেশে দশভূজার পূজা কোজাগরী নিশি জাগি আমি অনুজা। বুকে শাপ্লা-কমল মালা দোলে টলমল, আমি পরদেশি বন্ধুরে স্বদেশে আনাই।।
রাগঃ রামকেলি
তালঃ কাহার্বা
কানন গিরি সিন্ধু–পার ফির্নু পথিক দেশ–বিদেশ। ভ্রমিনু কতই রূপে এই সৃজন ভুবন অশেষ।। তীর্থ–পথিক এই পথের ফিরিয়া এলো না কেউ, আজ এ পথে যাত্রা যার, কা’ল নাহি তার চিহ্ন লেশ।। রাত্রি দিবার রঙমহল চিত্রিত এ চন্দ্রতাপ দু’দিনের এ পান্থবাস এই ভুবন – এ সুখ–আবেশ।। ভোগ–বিলাসী ‘জমশেদের জল্সা ছিল এই সে দেশ, আজ শ্মশান, ছিল যেথায় “বাহ্রামের” আরাম আয়েশ।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া মজনুঁ গো আঁখি খোলো। প্রিয়তম! এতদিনে বিরহের নিশি বুঝি ভোর হলো।। মজনুঁ! তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু–নদী পর্বতে বন্দিনী আজ ভেঙেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে। আজিদখিনা বাতাস বহে অনুকূল, ফুটেছে গোলাপ নার্গিস ফুল, ওগো বুলবুল, ফুটন্ত সেই গুলবাগিচায় দোলো।। বনের হরিণ–হরিণী কাঁদিয়া পথ দেখায়েছে মোরে, হুরী ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধ’রে। আমার নয়নে নয়ন রাখিয়া কি বলিতে চাও, হে পরান–পিয়া! নাম ধ’রে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী ভোলো অভিমান ভোলো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফেরদৌসি রহমান

মুরলী শিখিব ব'লে এসেছি কদম্ব তলে মুরলীধারী মুরলী শিখাও হে কোন সুরে মধু-মাধবী ফোটে কোন সুরে রাধা নাম ওঠে মাধব হে! বাঁশির কোন সুরে উদাসী করে প্রাণ দাসী করে, মাধব হে — দেহ ময়ুর নাচে কোন সুর শুনিয়া মন-পাপিয়া গেয়ে ওঠে পিয়া পিয়া মোরে শিখাও সে সুর হে — যে সুরে তুমি নাচিবে, পিয়া ব'লে ডাকিবে মোরে শিখাও সে সুর হে বঁধু যে সুরে কেবল তব সাথে ভাব হয় অভাব রয় না আমি সেই সুর শিখিব যে সুর কৃষ্ণ ছাড়া কোন কথা কয় না কেন ছলছল চোখে চাও মুরলী শিখাও কেন হাত কাপে রসময়। যে সুর তোমার অধর পরশ লাগে সেই বেনু যেন চিরদিন রাধারই রয় বেনু শিখাও হে মোর দেহ মন ধায় যেন ধেনু সম তব পানে বেণু শিখাও হে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (আড়া চৌতাল, দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

মধুর আরতি তব বিশ্ব সভাতে নিত্য হেরি নাথ সন্ধ্যায় প্রভাতে।। চন্দ্র, সূর্য, দীপ গগন-থালা শ্বেত মেঘ-চন্দন, তারার মালা মলয় সমীর পূজা-ধূপের গন্ধ ঝরা ফুল-অঞ্জলি ধরণীর হাতে।। শঙ্খ বাজায় তব সাগর-কল্লোল বজ্র রবে ঘন ঘন্টার রোল বিগ্রহ নিখিল সৃষ্টি-আঙিনায়। (তব) শান্ত সত্ব-পাখা প্রণব-ওঙ্কার ঝমঝম বৃষ্টিতে ঝাঁঝর ঝঙ্কার। দেবদাসী সম কোটি গ্রহ ঘুরে ঘুরে তোমার বন্দনা-নৃত্যে মাতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ধীরে বহ ভোরের হাওয়া ধীরে বহ ধীরে ঘুমায়ে রয়েছে প্রিয়া এই পিয়াল নদীর তীরে।। যে ফুল ঝরিল ভোর রাতে সে ঘুমায় তাহার সাথে ঝরাপাতার মন্দিরে।। শান্ত উদাস আকাশ নীরবে আছে চেয়ে' ধীরে বহ নদী সকরুণ গান গেয়ে। ছলছল চোখে শুকতারা হেরিছে পলক-হারা তার বিদায় বেলার সঙ্গীরে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
