বাণী
অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর উলু দে রে শঙ্খ বাজা প্রদীপ তুলে ধর।। তপস্যাহীন পাপীর দেশে মা এসেছে ভালোবেসে, বিনা পূজায় মায়ের রূপে এলো বিধির বর।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপি

অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর উলু দে রে শঙ্খ বাজা প্রদীপ তুলে ধর।। তপস্যাহীন পাপীর দেশে মা এসেছে ভালোবেসে, বিনা পূজায় মায়ের রূপে এলো বিধির বর।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কথা কইবে না বউ, তোর সাথে তার আড়ি, বউ মান করেছে, আজি চলে যাবে বাপের বাড়ি।। বউ কসনে কথা কসনে, এত অল্পে অধীর হ'সনে ও নতুন ফুলের খবর পেলে পালিয়ে যাবে তোকে ফেলে, ওর মন্দ স্বভাব ভারি।।
ছায়াছবিঃ ‘সাপুড়ে’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ফুটলো যেদিন ফাল্গুনে, হায়, প্রথম গোলাপ-কুঁড়ি বিলাপ গেয়ে বুলবুলি মোর গেল কোথায় উড়ি।। কিসের আশায় গোলাপ বনে গাইতো সে গান আপন মনে, লতার সনে পাতার সনে খেতো লুকোচুরি (হায়) সেই লতাতে প্রথম প্রেমের ফুটলো মুকুল যবে পালিয়ে গেল ভীরু পাখি অমনি নীরবে। বাসলে ভালো যে জন কাঁদে বাঁধবো তা'রে কোন সে ফাঁদে, ফুল নিয়ে তাই অবসাদে বনের পথে ঘুরি (হায়)।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দোলে প্রাণের কোলে প্রভূর নামের মালা। সকাল সাঁঝে সকল কাজে জপি সে নাম নিরালা।। সেই নাম বসন-ভূষণ আমারি সেই নামে ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারি, সেই নাম লয়ে বেড়াই কেঁদে সেই নামে আবার জুড়াই জ্বালা।। সেই নামরেই নামাবলী গ্রহ তারা রবি শশী দোলে গগন কোলে। মধুর সেই নাম প্রাণে সদা বাজে, মন লাগে না সংসার কাজে সে নামে সদা মন মাতোয়ালা।। আদর-সোহাগ মান -অভিমান আপন মনে তার সাথে; কাঁদায়ে কাঁদি, পায়ে ধ'রে সাধি, কভু করি পূজা, কভু বুকে বাঁধি, আমার স্বামী সে ভুবন-উজালা।।
রাগঃ ভূপালী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

তুমি কেন এলে পথে ঝরা মল্লিকা ভাসাইতেছিনু একাকিনী নদী-স্রোতে।। কলসি আমার অলস খেলায় ধীর তরঙ্গে যদি ভেসে' যায় তীরে সে কলসি তুলে' আনো তুমি কেন নদী' জল হ'তে।। আমার নিরালা বনে আমি গাঁথি হার, তুমি গান গাহি' ধ্যান ভাঙো অকারণে। আমি মুখ হেরি' আরশিতে একা তুমি সে মুকুরে কেন দাও দেখা বাতায়নে চাহি' তুমি কেন হাসো আসিয়া চাঁদের রথে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে, এই তরুতলে যে যাহা চায় তখনি তা পায় রে॥ তুই চতুর্বর্গ ফল কুড়াবি যোগ পাবি, ভোগ পাবি এমন কল্পতরু থাকতে - কেন মরিস্ নিরাশায় রে॥ দস্যু ছেলের আবদারে সে সাজে ডাকাত কালির বেশে, কত রামপ্রসাদের কন্যা হয়ে বেড়া বেঁধে যায় রে। ওরে পুত্র-কন্যা বিভব-রতন, চেয়ে নে যার ইচ্ছা যেমন, ওরে আমার এ মন থাকে যেন বাঞ্ছাময়ীর পায় রে॥ সে আর কিছু না চায় চেয়ে চেয়ে বাসনা তার শেষ হল না হায়! এবার খালি হাতে তালি দিয়ে (আমি) চাইব কালিকায় রে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
