কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা

বাণী

	কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে
ওমা	কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।।
	বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি
	মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো —
	পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।।
	কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে,
আমি	জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে।
আমি	রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে
	এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো
	আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী

বাণী

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী গোঠ-চারী গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারী।
গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারি হে পাপ-তাপ-দুখ-হারী।।
কালরূপ কভু দৈত্য-নিধনে, চিকন কালা কভু বিহর বনে,
কভু বাজাও বেণু, খেল ধেনু-সনে,
কভু বামে রাধা প্যারী, গোপ-নারী মনোহারি, নিকুঞ্জ-লীলা-বিহারী।।
কুরুক্ষেত্র-রণে পান্ডব-মিতা, কন্ঠে অভয়বাণী ভগবদ্-গীতা,
পূর্ণ ভগবান পরম পিতা, শঙ্খ-চক্র-গদাধারী,
পাপ-তারী, কান্ডারি ত্রিভুবন সৃজনকারী।।

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত

বাণী

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত হোক সার্থক নাম।
হোক এই জাতি ধর্মে এক, কর্মে এক, মর্মে এক — 
এক লক্ষ্যে মধুর সখ্যে,
পূর্ণ হউক পূর্ণ হউক আর্যাবর্তধাম।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

কেন মনোবনে মালতী-বল্লরি দোলে

বাণী

কেন	মনোবনে মালতী-বল্লরি দোলে - জানি না।
কেন	মুকুলিকা ফুটে ওঠে পল্লব-তলে - জানি না।।
কেন	ঊর্মিলা-ঝরনার পাশে
সে	আপন মঞ্জরি-ছায়া দেখে' হাসে,
কেন	পাপিয়া কুহু মুহু মুহু বোলে, জানি না।।
চৈতালি-চাঁপা কয়, মালতী শোন
শুনেছিস বুঝি মধুকর গুঞ্জন,
তাই বুঝি এত মধু সুরভি উথলে —
মধু-মালতী বলে, জানি না, জানি না।।

ফিরে আয় ভাই গোঠে কানাই

বাণী

ফিরে আয় ভাই গোঠে কানাই
আর কতকাল রবি মথুরায়
তোর শ্যামলী ধবলী কাঁদে তৃণ ফেলি
বারে বারে পথে ফিরে চায়।।
রাখাল সাথীরে ফেলি কোথা আজ
রাজ্য পেয়েছ, হে রাখাল-রাজ!
তোর ফেলে-যাওয়া বাঁশি
নিয়ে যাবে আসি’
মোরা আঁখি-জলে ভাসি দেখে’ তায়।।
তুই শিখী-পাখা ফেলে মুকুট মাথায়
দিয়েছিস নাকি, শুনে হাসি পায়!
তুই পীত-ধড়া ছেড়ে রাজ-বেশে ভাই
সেজেছিস নাকি, মোদের কানাই।
তুই অসি ফেলে নেচে আয় হেলে দুলে
নূপুর পরিয়া রাঙা পায়।
ফিরে আয় ননী-চোর ব্রজের কিশোর
মা বলে ডাক যশোদায়।।

তুই পাষাণ গিরির মেয়ে হ’লি

বাণী

	তুই পাষাণ গিরির মেয়ে হ’লি পাষাণ ভালোবাসিস্‌ ব’লে।
	মা গ’লবে কি তোর পাষাণ-হৃদয় তপ্ত আমার নয়ন-জলে।।
		তুই বইয়ে নদী পিতার চোখে
		লুকিয়ে বেড়াস লোকে লোকে
	মহেশ্বরও পায় না তোকে প’ড়ে মা তোর চরণতলে।।
	কোটি ভক্ত যোগী ঋষি ঠাঁই পেল না তোর চরণে,
	তাই ব্যথায়-রাঙা তা’দের হৃদয় জবা হ’য়ে ফোটে বনে।
		আমি শুনেছি মা ভক্তি ভরে
		মা ব’লে যে ডাকে তোরে
(তুই)	অমনি গ’লে অশ্রু-লোরে ঠাঁই দিস তোর অভয় কোলে।।