কার মঞ্জীর রিনিঝিনি বাজে

বাণী

কার মঞ্জির রিনিঝিনি বাজে — চিনি চিনি।
প্রাণের মাঝে সদা বাজে তারি রাগিণী।।
বন-শিরিষের জিরিজিরি পাতায়
ধীরি ধীরি ঝিরি ঝিরি নূপুর বাজায়,
তমাল-ছায়ায় বেড়ায় ঘুরে মায়া-হরিণী।।
আমার গানে তারি চরণের অনুরণনে
ছন্দ জাগে গন্ধে রসে রূপে বরণে। 
কান পেতে রই দুয়ার পাশে —
তারি আসার আভাস আসে,
ঝঙ্কার তোলে মনের বীণায় বীণ-বাদিনী।।

যে অবহেলা দিয়ে মোরে

বাণী

যে		অবহেলা দিয়ে মোরে করিল পাষাণ।
সখি		কেন কেঁদে ওঠে তারি তরে মোর প্রাণ।।
		যে ফুল ফুটায়ে তার মধু নিল না
মোরে	ধরার ধূলিতে এনে ধরা দিল না,
কেন		তার তরে বুকে এত জাগে অভিমান।।
মোর		প্রেম-অঞ্জলি সে যত যায় দলি’
তারে		তত জড়াতে চাই, শ্যাম-সুন্দর বলি’,
		চাঁদ সে যে আকাশের সে ধরা দেয় না
তবু		চকোরীর ভুল হয় নাকো অবসান।।

আয় সবে ভাই বোন

বাণী

আয় সবে ভাই বোন
আয় সবে আয় শোন্ 
	পদধূলি শিরে লয়ে মা’র।
মা’র বড় কেহ নাই
কেহ নাই, কেহ নাই,
	নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’

ঐ অভ্র-ভেদী তোমার ধ্বজা

বাণী

ঐ অভ্র-ভেদী তোমার ধ্বজা উড়্‌লে আকাশ-পথে।
মাগো, তোমার রথ আনা ঐ রক্ত-সেনার রথে।।
ললাট-ভরা জয়ের টীকা অঙ্গে নাচে অগ্নি-শিখা,
রক্তে জ্বলে বহ্নি-লিখা,
মা! ঐ বাজে তোর বিজয়-ভেরি,
নাই দেরি আর নাই মা দেরি, মুক্ত তোমার হ’তে।।
আনো তোমার বরণ-ডালা, আনো তোমার শঙ্খ, নারী!
ঐ দ্বারে মা’র মুক্তি-সেনা, বিজয়-বাজা উঠ্‌ছে তারি। ওরে ভীরু!
ওরে মরা! মরার ভয়ে যাস্‌নি তোরা;
তোদেরও আজ ডাক্‌ছি মোরা – ভাই!
ঐ খোলে রে মুক্তি-তোরণ,
আজ একাকার জীবন-মরণ মুক্ত এ ভারতে।।

আল্লা নামের দরখ্‌তে ভাই

বাণী

	আল্লা নামের দরখ্‌তে ভাই ফুটেছে এক ফুল।
তাঁরে	কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।।
	পয়গম্বর ফেরেশ্‌তা হুর পরী ফকির ওলি
	খুঁজে জমিন আসমান ভাই দেখতে সে ফুল-কলি,
সে-ফুল	যে দেখেছে সেই হয়েছে বেহেশ্‌তি বুলবুল।।
	আল্লা নামের দরিয়াতে ভাই উঠলো প্রেমের ঢেউ
তারে	কেউ বলে আমিনা দুলাল, মোহম্মদ কয় কেউ,
সে-ঢেউ	যে দেখেছে সে পেয়েছে অকূলের কূল।।
	আল্লা নামের খনিতে ভাই উঠেছে এক মণি
	কোটি কোহিনূর ম্লান হয়ে যায় হেরি’ তার রোশ্‌নি,
সেই	মণির রঙে উঠল রেঙে ঈদের চাঁদের দুল
তারে	কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।।

আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে

বাণী

আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে চেয়ে আছে
ঝরা-ফুল অঞ্জলি পড়ে আছে,পা'র কাছে।
	দেবতা গো,জাগো জাগো জাগো।।
আঁধার-ঘোমটা খুলি শতদল আঁখি তুলি'
পৃথিবী প্রসাদ যাচে দেবতা গো,জাগো।।
কপোত-কণ্ঠে শোন তব বন্দনা বাজে
তোমারে হেরিতে ঊষা দাঁড়ায় বধূর সাজে।
দেবতা,তোমার লাগি'আজি আছি নিশি জাগি’'
ভীরু এ মনের কলি হের,দল মেলিয়াছে।
	দেবতা গো,জাগো।।