বাণী
ঐ পথ চেয়ে থাকি আর কত বনমালী। করে কানাকানি লোক, দেয় ঘরে পরে গালি।। মোর কুলের বাঁধন খুলে হায় ভাসালে অকুলে, শেষে লুকালে গোকুলে — এ কি রীতি চতুরালি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ-পিলু
তালঃ কাহার্বা
ঐ পথ চেয়ে থাকি আর কত বনমালী। করে কানাকানি লোক, দেয় ঘরে পরে গালি।। মোর কুলের বাঁধন খুলে হায় ভাসালে অকুলে, শেষে লুকালে গোকুলে — এ কি রীতি চতুরালি।।
রাগঃ খাম্বাজ-পিলু
তালঃ কাহার্বা
সখি, সে হরি কেমন বল্। নাম শুনে যা’র এত প্রেম জাগে চোখে আনে এত জল।। সখি সে কি আসে এই পৃথিবীতে গাহি’ রাধা নাম বাঁশরিতে? যা’র অনুরাগে বিরহ-যমুনা হয়ে ওঠে চঞ্চল।। তা’রে কি নামে ডাকিলে আসে কোন্ রূপ কোন্ গুন পাইলে, সে রাধা সম ভালোবাসে? সখি শুনেছি সে নাকি কালো জ্বালে কেমনে সে এত আলো, মায়া ভুলাইতে মায়াবী সে নাকি করে গো মায়ার ছল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তুমি কি আসিবে না বলেছিলে তুমি আসিবে আবার ফুটিবে যবে হেনা।। সেদিন ঘুমায়ে ছিল যে মূকুল আজি সে পূর্ণ বিকশিত ফুল সেদিনের ভীরু অচেনা হৃদয় আজি হতে চায় চেনা।। ঘন পল্লব গুণ্ঠন ঢাকা ছিল সেদিন যে লতা আজিকে পুষ্প নিবেদন ল’য়ে কহিতে চায় যে কথা। প্রদীপ জ্বালায়ে আজি সন্ধ্যায় পথ চেয়ে আছি তোমারি আশায় পূর্ণিমা-তিথি আসিল, হে চাঁদ-অতিথি আসিলে না।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো খোঁপা খুলে কেশ হলো বাউল লো।। পথে সে বাজালো মোহন–বাঁশি তোর ঘরে ফিরে যেতে হলো এ ভুল লো।। কে নিল কেড়ে তোর পৈঁচী চুড়ি বৈঁচি মালায় ছি ছি খোয়ালি কুল লো।। ও সে বুনা পাগল পথে বাজায় মাদল পায়ে ঝড়ের নাচন শিরে চাঁচর চুল লো।। দিল নাকেতে নাকছাবি বাবলা ফুলি কুঁচের চুড়ি আর ঝুঁমকো ফুল দুল লো।। সে নিয়ে লাজ দু’কূল দিল ঘাঘরি সে আমার গাগরি ভাসালো জলে বাতুল লো।।
নাটকঃ মহুয়া
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্। সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।। ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা, এই রোজার শেষে ঈদ আস্বে, রইবে না বিষাদ।। আস্বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে, খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।। তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী শহীদের দর্জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী, দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্তেরি স্বাদ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি, তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
পাঠান্তর
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ, দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
[গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা