বাণী
মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে। যাহারে না পাইনু কভু এ জীবনে সে কেন গো কাঁদাতে আসে নিতি স্মরণে, কুসুমের গন্ধে গো তারি সুবাস বাসে।। কেন এ সমীরে সে আসে ফিরে ফিরে, নয়ন নদীতীরে কেন জল উছাসে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ একতাল
মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে। যাহারে না পাইনু কভু এ জীবনে সে কেন গো কাঁদাতে আসে নিতি স্মরণে, কুসুমের গন্ধে গো তারি সুবাস বাসে।। কেন এ সমীরে সে আসে ফিরে ফিরে, নয়ন নদীতীরে কেন জল উছাসে।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ একতাল
আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই। ওই পাহাড়ের ঝর্না আমি, ঘরে নাহি রই গো উধাও হ’য়ে বই।। চিতা বাঘ মিতা আমার গোখ্রো খেলার সাথি সাপের ঝাঁপি বুকে ধ’রে সুখে কাটাই রাতি ঘূর্ণি হাওয়ার উড়্নি ধ’রে নাচি তাথৈ থৈ গো ‘আমি’ নাচি তাথৈ থৈ।।
চলচ্চিত্র: ‘সাপুড়ে’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ হৈমন্তী

মালতী মঞ্জরি ফুটিবে যবে অলস বেলায় প্রিয় হে প্রিয় মোরে স্মরিও সেই সন্ধ্যায়।। ঝরা পল্লবে ফেলি দীরঘ শ্বাস কাঁদিয়া ফিরিবে যবে চৈতী বাতাস, নাগকেশরের ঝরা কেশর দলে খুঁজিও আমায়।। মল্লিকা মুকুলের প্রথম সুবাস বিরহী পরাণ যবে করিবে উদাস, পিয়াল নদীর কূলে কাঁদিয়া বাঁশি ডাকিবে প্রিয়ায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শোনালো শ্রবণে শ্যাম শ্যাম নাম যে নাম শুনি পবনে, যে নাম হৃদি-ভবনে (সখি) যে নাম ত্রিভুবনে বাজে অবিরাম।। নাম শোনা লো, শোনা লো যে নাম শুনে কুলনারী হয় আনমনা লো। সখি, ধেয়ায় যে নাম প্রতি ঘরে প্রতি জনা লো। সখি ভোলায় যে গৃহকাজ, ভোলায় যে কুললাজ যে নাম শুনিতে লো কান পেতে রই সাধ যায় যে নাম-নামাবলী গায়ে দিয়ে যোগিনী হই। নহে শুধু রাধিকার, সাধকের সাধিকার, যে নাম জপমালা সই, তোরা শোনা সেই নাম লো, তোরা বাহিরে শোনা, তোরা গাহিয়া শোনা যে নাম অন্তরে জপি অবিরাম লো।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত–দাদ্রা)

মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা তুমি বাদ্শারও বাদ্শাহ্ কম্লিওয়ালা।। পাপে-তাপে পূর্ণ আঁধার দুনিয়া হ’ল পুণ্য বেহেশ্তী নূরে উজালা।। গুনাহ্গার উম্মত লাগি’ তব আজো চয়ন্ নাহি, কাঁদিছ নিরালা।। কিয়ামতে পিয়াসি উম্মত লাগি’ দাঁড়ায়ে রবে ল’য়ে তহুরার পিয়ালা।। জ্বলিবে রোজ হাশরে দ্বাদশ রবি কাঁদিবে নফ্সি ব’লে সকল নবী য়্যা উম্মতী য়্যা উম্মতী, একেলা তুমি কাঁদিবে খোদার পাক আরশ চুমি’ — পাপী উম্মত ত্রাণ তব জপমালা ধ্যান তব গুণ গাহিল খোদ্ আল্লাহতা’লা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার মানস-বনে ফুটেছে রে শ্যামা-লতার মঞ্জরি। সেই মঞ্জু-বনে ফির্ছে রে তাই ভক্তি-ভ্রমর গুঞ্জরি।। সেথা আনন্দে দেয় করতালি প্রেমের কিশোর বনমালী, সেই লতামূলে শিবের জটার গঙ্গা ঝরে ঝর্ঝরি।। কোটি তরু শাখা মেলি’ এই সে-লতার স্পর্শ চায়, শিরে ধ’রে ধন্য হ’তে এই শ্যামারই শ্যাম শোভায়। এই লতারই ফুল-সুবাসে কোটি চন্দ্র সূর্য আসে১ নীল আকাশে, এই লতার ছায়ায় প্রাণ জুড়াতে ত্রিলোক আছে প্রাণ ধরি’।।
১. হাসে
রাগঃ দেশ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
