মন জপ নাম শ্রীরঘুপতি

বাণী

মন জপ নাম শ্রীরঘুপতি রাম নব দূর্বাদলশ্যাম নয়নাভিরাম!
সুরাসুর-কিন্নর-যোগী-মুনি-ঋষি-নর চরাচর যে নাম জপে অবিরাম॥
		সজল-জলদ-নীল-নবঘন কান্তি
		নয়নে করুণা, আননে প্রশান্তি।
নাম শরণে টুটে যায় শোক-তাপ-ভ্রান্তি, রূপ নেহারি মূরছিত কোটি কাম॥

ব্রজগোপী খেলে হোরী

বাণী

ব্রজ–গোপী খেলে হোরী
খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে।
রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্‌কুম্‌
অনুরাগ–আবীর নয়ন–পাতে।।

পিরীতি–ফাগ মাখা গোরীর সঙ্গে
হোরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে।
বসন্তে এ কোন্ কিশোর দুরন্ত
রাধারে জিনিতে এলো পিচ্‌কারী হাতে।।

গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর ভ্রুকুটি ভঙ্গ
অনঙ্গ আবেশে জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ।

শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে
অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে
রঙ–পিয়াসি মন ভ্রমর গুঞ্জে
ঢালো আরো ঢালো রঙ প্রেম–যমুনাতে।।

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা পথে এসো

বাণী

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা-পথে এসো মোরা যাই।
সঙ্ঘ বাঁধিয়া চলিলে অভয় সে পথে মৃত্যু নাই।।
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে তাদের সাথে,
ঐশী শক্তি সহায় হইয়া চলে হাত রেখে হাতে
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে সারথি ভগবানে মোরা পাই।।
সঙ্ঘ শক্তি আসিলে সর্ব ক্লৈব্য হইবে লীন,
চল্লিশ কোটি মানুষ এই ভারতে
ভিন্ন হইয়া ডাকি ঠাঁই ঠাঁই, তাই মোরা পরাধীন।
মোরা সঙ্ঘবদ্ধ হই যদি একবার
জাতি ও ধর্ম ভেদ রবে নাকো আর
পাব সাম্য, শান্তি, অন্ন, বস্ত্র পুনঃ সবাই।।

মম প্রাণ নিয়ে নিঠুর খেল এ কি খেলা

বাণী

মম প্রাণ নিয়ে নিঠুর খেল এ কি খেলা (হায়)।
ক্ষণে ভালোবাসা হায় ক্ষণে অবহেলা।।
সকালে গাঁথিয়া মালা পায়ে দল বিকালে তায়।
তেমনি দলিতে চাহ আমার পরান কি হায়।
সহিতে পারি না আর এই হেলাফেলা।
জলরূপী একি কোন্ মরীচিকা তুমি কি গো।
ডেকে এনে মরুভুমে বধিবে এ বনমৃগ।
বুঝিয়াছি কখন হায় ফুরায়েছে বেলা।।

ধীরে ধীরে আসি'

বাণী

(সে) ধীরে ধীরে আসি'
আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি।
	ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।।
জাগিয়া নিশি-ভোরে
না হেরি বাঁশির কিশোরে,
	চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।

খর রৌদ্রের হোমানল জ্বালি’

বাণী

খর রৌদ্রের হোমানল জ্বালি’ তপ্ত গগনে জাগি।
রুদ্র তাপস সন্ন্যাসী বৈরাগী।।
	সহসা কখন বৈকালি ঝড়ে
	পিঙ্গল মম জটা খু’লে পড়ে,
যোগী শঙ্কর প্রলয়ঙ্কর জাগে চিত্তে ধেয়ান ভাঙি’।।
	শুষ্ক কণ্ঠে শ্রান্ত ফটিক জল
	ক্লান্ত কপোত কাঁদায় কানন-তল,
চরণে লুটায় তৃষিতা ধরণী আমার শরণ মাগি’।।

১. মম চিত্তে মাতে নৃত্যে যোগী শঙ্কর ধ্যান ভাঙি।