বাণী
পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল

ও তুই কারে দেখে ঘোমটা দিলি নতুন বউ বল গো তুই উঠলি রেঙে যেন পাকা কামরাঙ্গার ফল গো।। তোর মন আইঢাই কি দেখে কে জানে তুই চুন বলে দিস হলুদ বাটা পানে তুই লাল নটে শাক ভেবে কুটিস শাড়ির আঁচল গো।। তুই এ ঘর যেতে ও ঘরে যাস পায়ে বাধে পা বউ তোর রঙ্গ দেখে হাসছে ননদ জা। তুই দিন থাকিতে পিদিম জ্বালিস ঘরে ওলো রাত আসিবে আরো অনেক পরে কেন ভাতের হাঁড়ি মনে ক'রে উনুনে দিস জল গো।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এসো শারদ প্রাতের পথিক এসো শিউলি বিছানো পথে। এসো ধুইয়া চরণ শিশিরে এসো অরুণ-কিরণ-রথে।। দলি, শাপলা শালুক শতদল এসো রাঙায়ে তোমার পদতল নীল লাবনি ঝরায়ে চলচল এসো অরণ্য পর্বতে।। এসো ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়েকেতকী পাতার তরণী এসো বলাকার রঙ পালক কুড়ায়ে বাহি’ ছায়াপথ-সরণি। শ্যাম শস্যে কুসুমে হাসিয়া এসো হিমেল হাওয়ায় ভাসিয়া এসো ধরনীরে ভালোবাসিয়া দুর নন্দন-তীর হতে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ দাদ্রা

মহুয়া ফুলের মদির ঘন সুবাসে, নয়ন ঝিমিয়ে আসে।। মাতাল পাপিয়া ‘পিয়া পিয়া’ ডাকে দোলন-চাঁপার ঝুলন শাখে, ঝিরিঝিরি হাওয়ায় মন উদাসে।। নিদাঁলি ছাওয়া চৈতালি হাওয়া, স্বপনের ঘোর লাগে আকাশে মৌমাছির পাখা জড়িয়ে আসে।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না এ নয়ন পানে। জানিতে নাইকো বাকি, সই ও আঁখি কি যাদু জানে।। একে ঐ চাউনি বাঁকা সুর্মা আঁকা তা’য় ডাগর আঁখি রে বধিতে তা’য় কেন সাধ? যে মরেছে ঐ নয়ন বাণে। মরেছে ঐ আঁখির বাণে।। চকোর কি প’ড়ল ধরা পীযূষ ভরা ঐ মুখ-চাঁদে (রে), কাঁদিছে নার্গিসের ফুল লাল কপোলের কমল-বাগানে। জ্বলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেওয়ালি (রে), নিশিদিন তাই কি জ্বলি’ পড়ছ গলি’ অঝোর নয়ানে। মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায় হার গাঁথিস কবি (রে)। বিকিয়ে যায় রে মালা এই নিরালা আঁখির দোকানে।।
রাগঃ রাগেশ্রী-পিলু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি

শোনো লো বাঁশিতে ডাকে আমারে শ্যাম। গুমরিয়া কাঁদে বাঁশি ল’য়ে ‘রাধা রাধা’ নাম।। পিঞ্জরে পাখি যেন লুটাইয়া কাঁদে মন, আশে পাশে গুরুজন বাম।।
রাগঃ মালকৌষ
তালঃ সেতারখানি