আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম

বাণী

আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম
ঘরে এলে ফিরে পরবাসী প্রিয়তম।।
	আজ প্রভাতের কুসুমগুলি
	সফল হলো ডালায় তুলি'
সাজির ফুলে আজ এ মালা হবে অনুপম।।
এতদিনে সুখের হলো প্রভাতী শুকতারা
ললাটে মোর সিঁদুর দিলো ঊষার রঙের ধারা।
	আজকে সকল কাজের মাঝে
	আনন্দেরই বীনা বাজে
দেবতার বর পেয়েছি আজ তপস্বিনীর সম।।

দেশে দেশে গেয়ে বেড়াই তোমার নামের গান

বাণী

দেশে দেশে গেয়ে বেড়াই তোমার নামের গান
হে খোদা, এ যে তোমারই হুকুম, তোমারই ফরমান।।
এমনি তোমার নামের আছর –
নামাজ রোজার নাই অবসর,
তোমার নামের নেশায় সদা মশগুল মোর প্রাণ।।
তকদিরে মোর এই লিখেছ হাজার গানের সুরে
নিত্য দিব তোমার আজান আঁধার মিনার-চূড়ে।
কাজের মাঝে হাটের পথে
রণ-ভূমে এবাদতে
আমি তোমার নাম শোনাব, করব শক্তি দান।।

হাতে হাত দিয়ে আগে চল হাতে নাই থাক হাতিয়ার

বাণী

হাতে হাত দিয়ে আগে চল হাতে নাই থাক হাতিয়ার।
জমায়েত হও, আপনি আসিবে শক্তি জুলফিকার।।
আন আলীর শৌর্য, হোসেনের ত্যাগ ওমরের মত কর্মানুরাগ;
খালেদের মত সব অশান্ত ভেঙে কর একাকার।।
ইসলামে নাই ছোট বড় আর আশরাফ আতরাফ
নিষ্ঠুর হাতে এই ভেদ জ্ঞান কর মিসমার সাফ।
চাকর সৃজিতে , চাকরি করিতে, ইসলাম আসে নাই পৃথিবীতে।
মরিবে ক্ষুধায় কেহ নিরন্ন, কারো ঘরে রবে অঢেল অন্ন
এ জুলুম সহেনি, ইসলাম, সহিবে না আজো আর।।

ঘন দেয়া গরজায় গো

বাণী

ঘন দেয়া গরজায় গো — কেঁদে ফেরে পূবালী বায়।।
একা ঘরে মম ডর লাগে, কার বিধুর স্মৃতি মনে জাগে,
বারি ধারে কাঁদে চারিধার, সে কোথায় আজি সে কোথায়।।
গগনে বরষে বারি, তৃষ্ণা গেল না তবু আমারি,
কোন্‌ দূর দেশে প্রিয়তম এ বিধুর বরষায়।।

বহে শোকের পাথার আজি সাহারায়

বাণী

বহে শোকের পাথার আজি সাহারায়।
নবীজী নাই-উঠ্‌ল মাতম মদিনায়।।
	আঁখি-প্রদীপ এই ধরনীর
	গেল নিভে ঘির্‌ল তিমির,
দীনের রবি মোদের নবী চায় বিদায়।
সইল না রে বেহেশ্‌তী দান দুনিয়ায়।।
	না পূরিতে সাধ-আশা
	না মিটিতে তৌহিদ-পিপাসা,
যায় চ’লে দীনের শাহানশাহ্ — হায় রে হায়,
সেই শোকেরি তুফান বহে ‘লু’ হাওয়ায়।।
বেড়েছে আজ দ্বিগুণ পানি দজ্‌লা ফোরাত নদীতে,
তূর ও হেরা পাহাড় ফেটে অশ্রু-নিঝর ব’য়ে যায়।
ধরার জ্যোতি হরণ ক’রে উজল হ’ল ফের বেহেশত্
কাঁদে পশু-পাখি ও তরুলতায়,
সেই কাঁদনের স্মৃতি দোলে দরিয়ায়।।

আমার আনন্দিনী উমা আজো এলো না

বাণী

(আমার) 	আনন্দিনী উমা আজো এলো না তার মায়ের কাছে।
		হে গিরিরাজ! দেখে এসো কৈলাসে মা কেমন আছে॥
			মোর মা যে প্রতি আশ্বিন মাসে
			মা মা ব’লে ছুটে আসে,
		‘মা আসেনি’ ব’লে আজও ফুল ফোটেনি লতায় গাছে ॥
		তত্ত্ব-তলাশ নিইনি মায়ের তাই বুঝি মা অভিমানে,
		না এসে তার মায়ের কোলে ফিরিছে শ্মশান মশানে।
			ক্ষীর নবনী ল’য়ে থালায়
			কেদে ডাকি, ‘আয় উমা আয়’।
		যে কন্যারে চায় ত্রিভুবন তাকে ছেড়ে মা কি বাঁচে॥