বাণী
আকুল ব্যাকুল ঢুঁড়ত ফিঁরু শ্যাম তুম বিনা রহন না জায়। তুম হারে কারণ সব কুছ ছোড়ি প্রীতি ছোড়ন না যায়॥ ক্যিউ তরসাও অন্তরযামী আওয়ো মিলো কির্পা কর স্বামী নিঁদ নাহি র্যয় না দিন নাহি চ্যয় না, বিরহ কী আগ জ্বালায়॥
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

আকুল ব্যাকুল ঢুঁড়ত ফিঁরু শ্যাম তুম বিনা রহন না জায়। তুম হারে কারণ সব কুছ ছোড়ি প্রীতি ছোড়ন না যায়॥ ক্যিউ তরসাও অন্তরযামী আওয়ো মিলো কির্পা কর স্বামী নিঁদ নাহি র্যয় না দিন নাহি চ্যয় না, বিরহ কী আগ জ্বালায়॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কৃষ্ণ-প্রিয়া লো! কেমনে যাবি অভিসারে? সে বিরহী রসে মানস সুরধুনী ’পারে।। সে এ পারে রহে না পারাপারের অতীত সে, এ পারে রহে না, এ পারে না, ও পারেও রহে না, কোন পারে রহে না।। গগনে গুরু গুরু মেঘ গরজে অবিরল বাদল ঝর ঝর ঝরে, আঁখি-জলে আঁখি তোর টলমল সই অন্তর দুরুদুরু করে। পথ দেখিবি কেমনে আঁখি-জলে পিছল আঁখি, পথ দেখিবি কেমনে। তোর আঁখি পিছল পথও পিছল পথে যাবি কেমনে, তোর অন্তরে মেঘ, বাহিরে মেঘ পথ দেখিবি কেমনে। একে কুহু-যামিনী তাহে কুল-কামিনী পথে পথে কালনাগিনী (লো), আছে আড় পেতে শাশুড়ি ননদিনী লো। তুই চাতকীর মত কেতকীর মত রাই মেঘ দেখে মত্ত হইলি ভয় নাই, যার প্রেমের পথে বাধা বিধির অভিশাপ — সাপেরে সে ভয় করে না।।
রাগঃ
তালঃ
আমার দুখের বন্ধু, তোমার কাছে চাইনি ত’ এ সুখ। আমি জানিনি ত বুকে পেয়েও কাঁদবে এ মন বুক।। আমার শাখায় যবে ফোটেনি ফুল আমি চেয়েছি পথ আশায় আকুল, আজ ফোটা ফুলে কাঁদে কেন কুসুম ঝরার দুখ।। প্রিয় মিলন-আশায় ছিনু সুখে ছিলে যবে দূর, আজ কাছে পেয়ে পরান কাঁদে বিদায়-ভয়াতুর। এ যে অমৃতে গরল মিশা প্রাণে কেবলি বাড়িছে তৃষা, আমার স্বর্গে কেন মলিন ধরার বেদন জাগরূক।।
রাগঃ ছায়ানট-কেদারা
তালঃ একতাল
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার। জনমে জনমে চলে তাই মোর অনন্ত অভিসার।। বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল গেয়েছিনু গান আমি বুল্বুল্, ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার।। তব সংগীতে আমি ছিনু সুর নৃত্যে নূপুর–ছন্দ, আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুল–গন্ধ। কত বসন্তে কত বরষায় খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায়, আজিও এসেছি তেমনি আশায় ল’য়ে স্মৃতি–সম্ভার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
মদির আবেশে কে চলে ঢুলুঢুলু আঁখি। মদির কার আঁখি হেরিয়া পাপিয়া উঠিছে পিউ পিউ ডাকি’।। আল্তা-রাঙা পায়ে আল্পনা আঁকে, পথের যত ধূলি তাই বুক পেতে থাকে, দু’ধারে তরুলতা দেয় চরণ ফুলে ফুলে ঢাকি’।। তা’রি চোখের চাওয়ায় গো দেলা লাগে হাওয়ায়, তালীবন তাল দিয়ে যায় তাল-ফের্তায় দোলা লাগে হাওয়ায়। আকুল তানে গাহে বকুল-বনের পাখি।। তারি মুখ-মদের ছিটে যোগায় ফুলে মধু মিঠে চাঁদের জৌলুসে তাহারি রওশন্ মাখি’।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)
শিল্পীঃ মনি চক্রবর্তী

অধীর অম্বরে গুরু গরজন মৃদঙ বাজে। রুমু রুমু ঝুম্ মঞ্জীর-মালা চরণে আজ উতলা যে॥ এলোচুলে দু’লে দু’লে বন-পথে চল আলি, মরা গাঙে বালুচরে কাঁদে যথা বন্-মরালী। উগারি’ গাগরি ঝারি দে লো দে করুণা ডারি ঘুঙট উতারি’ বারি ছিটা লো গুমোট সাঁঝে॥ তালীবন হানে তালি, ময়ুরী ইশারা হানে, আসন পেতেছে ধরা মাঠে মাঠে চারা-ধানে। মুকুলে ঝরিয়া পড়ি’ আকুতি জানায় যূথী ডাকিছে বিরস শাখে তাপিতা চন্দনা-তুতি। কাজল-আঁখি রসিলি চাহে খুলি ঝিলিমিলি, চল, লো চল সেহেলি, নিয়ে মেঘ-নটরাজে॥
নাটকঃ ‘সেতুবন্ধ’
রাগঃ হাম্বীর
তালঃ কাওয়ালি