বাণী
রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে বন-পথে যায় কে বালিকা, গলে শেফালিকা, মালতী মালিকা দোলে॥ চম্পা মুকুলগুলি চাহে নয়ন তুলি’ নাচে নট-বিহগ শিখী তরুতলে॥
রাগ ও তাল
রাগঃ নট-বেহাগ
তালঃ ত্রিতাল
অডিও
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল
ভিডিও
স্বরলিপি

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে বন-পথে যায় কে বালিকা, গলে শেফালিকা, মালতী মালিকা দোলে॥ চম্পা মুকুলগুলি চাহে নয়ন তুলি’ নাচে নট-বিহগ শিখী তরুতলে॥
রাগঃ নট-বেহাগ
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল

সন্ধ্যা হলো ঘরকে চলো, ও ভাই মাঠের চাষি ভাটিয়ালি সুরে বাজে রাখাল ছেলের বাঁশি।। পিদিম নিয়ে একলা জাগে একলা ঘরের বধূ হৃদয়-পাতে লুকিয়ে রেখে সারা দিনের মধু; পথ চেয়ে সে বসে আছে কাজ হয়েছে বাসি রে তার কাজ হয়েছে বাসি। (যে) মন সারাদিন ছিল পড়ে হালের গরুর পানে, দিনের শেষে ঘরের জরু সেই মনকে টানে সেথা মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় রে মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় কালো চোখের হাসি রে ভাই কালো চোখের হাসি। পুবান হাওয়া ঢেউ দিয়ে যায় আউশ ধানের ক্ষেতে, এই ফসলের দেখব স্বপন শুয়ে শুয়ে রেতে; ও ভাই শুয়ে শুয়ে রেতে সকাল বেলা আবার যেন মাঠে ফিরে আসি রে এই মাঠে ফিরে আসি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে! তোমার রূপের মায়ায় আমার নয়ন- ভুবন গেল ছেয়ে'।। ঝরে তোমার রূপের ধারা— চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা, আকাশ-ভরা হাজার তারা তোমার মুখে আছে চেয়ে'।। কোন গ্রহ-লোক ব্যথায় ভ'রে কোন অমরা শূন্য ক'রে (ওগো) রাখলে চরণ ধরার পরে রঙ-সায়রের রঙের নেয়ে। শিল্পী আকেঁ তোমার ছবি তোমারি গান গাহে কবি নিশীথিনী হারিয়ে রবি চাঁদ হাতে পায় তোমায় পেয়ে।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

ফিরে ফিরে কেন তারই স্মৃতি মোরে কাঁদায় নিতি যে ফিরিবে না আর। ফিরায়েছি যা’য় কাঁদাইয়া হায় সে কেন কাঁদায় মোরে বারেবার।। তারই দেওয়া ফুলমালা, যারে দলিয়াছি পায় সেই ছিন্নমালা কুড়ায়ে নিরালা আজি রাখি হিয়ায়। বারে বারে ডাকি প্রিয় নাম ধ’রে তা’র।। হানি’ অবহেলা যারে দিয়েছি বিদায় আজি তারি স্মৃতি, সে কোথায় সে কোথায়। জ্বালি’ নয়ন-প্রদীপ জাগি বাতায়নে নিশি ভোর হয়ে যায় বৃথা জাগরণে আজি স্বর্গ শূন্য মোর তারি বিহনে কাঁদি আকাশ বাতাস মোর করে হাহাকার।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ প্রদীপ কুমার সরকার

রাখ রাখ রাঙা পায়, হে শ্যামরায়! ভুলে গৃহ স্বজন সবই সঁপেছি তোমায়॥ সংসার মরু ঘোর, নাহি তরু-ছায়া, নব নীরদ শ্যাম, আনো মেঘ-মায়া; আনন্দ-নীপবনে নন্দ-দুলাল এসো, বাহও উজান, হরি, অশ্রুর যমুনায়॥ একা জীবন মোর গহন ঘন ঘোর, এসো এ বনে বনমালী, গোপ কিশোর, কুঞ্জ রচেছি দুখ-শোক তমাল-ছায় - প্রেম-প্রীতির গোপী চন্দন শুকায়ে যায়॥ দারা সুত প্রিয়জন, হরি হে, নাহি চাই, পদ্মা-পলাশ-আঁখি যদি দেখিতে পাই; রাখাল-রাজা এসো, এসো হে ঋষিকেশ, গোকুলে লহ ডাকি’, অকূলে ভাসি হায়॥
রাগঃ তিলক-কামোদ
তালঃ আদ্ধা

কেন মরিতে আসিলাম যমুনায়, ললিতা কেন বিপরীত হেরিলাম। কৃষ্ণ-যমুনা-জলে কারে ল’য়ে কুতুহলে জল-খেলা করে ঘনশ্যাম।। কালো মেঘের যেন খেলে বিজলি সোনার-প্রতিমার প্রতিবিম্ব কালো জলে কালো মেঘে যেন খেলে বিজলি। হিরন্ময়ী জ্যোতির্ময়ী সতিনীর রূপ আমি যত দেখি গো তত মজি সখি গো! অতি জ্যোতি গর্বিতা যেন পতি সোহাগিনী সতীসম কে এ সতিনী, ললিতে, মোর শ্যাম অঙ্গে অপরূপ ভঙ্গে আমারই সমুখে করে খেলা, মোরে ছলিতে। ও কি কায়া না ছায়া! ও কি কৃষ্ণ রূপের চঞ্চল জল-তরঙ্গ মায়া? সখি মান ভাঙাতে মোর এসেছিল গোপনে শ্যাম আজি প্রভাতে (সখি), শ্যাম-তনুমুকুরে হেরিলাম বিরাজে গৌর-বর্ণা নারী অপরূপ শোভাতে। এলো অভিমান মনে, তাই মনে হলে যমুনায় ডুবিয়া ললিতা শান্তি যদি পাই। এখানেও দেখি সেই গৌরী কিশোরী আছে শ্যামে জড়ায়ে। (ও কি কায়া না মায়া ও কি কৃষ্ণেরই রঙ্গ না আমারই ছায়া কায়া না মায়া।) কোন্ দেশে যাব সখি কোন্ খানে পাব শ্যামে একাকী। আন-নারীরে ছেড়ে কেবল রাধার হয়ে দেবে না দেখা কি (সখী গো)।।
গীতিচিত্র : ‘অভিমানিনী’
রাগঃ
তালঃ