বাণী
কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে। নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।। বল বল মোরে কেন এমন ক’রে পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে। নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।। বল বল মোরে কেন এমন ক’রে পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।
রাগঃ
তালঃ
আমি যদি আরব হ’তাম — মদিনারই পথ। এই পথে মোর চ’লে যেতেন নূর নবী হজরত।। পয়জার তাঁর লাগত এসে আমার কঠিন বুকে, আমি ঝর্না হয়ে গ’লে যেতাম অম্নি পরম সুখে; সেই চিহ্ন বুকে পুরে পালিয়ে যেতাম কোহ্-ই-তুরে, দিবা নিশি করতাম তাঁর কদম জিয়ারত।। মা ফাতেমা খেলতো এসে আমার ধূলি ল’য়ে আমি পড়তাম তাঁর পায়ে লুটিয়ে ফুলের রেণু হয়ে। হাসান হোসেন হেসে হেসে নাচতো আমার বক্ষে এসে চক্ষে আমার বইতো নদী পেয়ে সে নেয়ামত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দেখে যারে রুদ্রাণী মা সেজেছে আজ ভদ্রকালী। শ্রান্ত হয়ে ঘুমিয়ে আছে শ্মশান মাঝে শিব-দুলালী॥ আজ শান্ত সিন্ধু তীরে অশান্ত ঝড় থেমেছে রে, মা’র কালো রূপ উপ্চে পড়ে ছাপিয়ে ভুবন গগন-ডালি॥ আজ অভয়ার ওষ্ঠে জাগে শুভ্র করুণ শান্ত হাসি, আনন্দে তাই বসন ফেলি’ মহেন্দ্র ঐ বাজায়-বাঁশি, ঘুমিয়ে আছে বিশ্ব ভুবন মায়ের কোলে শিশুর মতন, পায়ের লোভে মনের বনে ফুল ফুটেছে পাঁচমিশালি॥
রাগঃ আনন্দ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

পুষ্পধনুর ইঙ্গিতে হায় হারানো হিয়ার বনে, মন দেয়া-নেয়া খেলা চলে নিরজনে। মায়া-মৃগ যেন রচিত ছলনার কায়া, বাঁধা পড়িল নিজে? একি রে প্রেমের মায়া।। দু’জনে রচিত মিলন-স্বর্গ ধূলিতলে রমণীয়, দু’জনের কাছে বন্দী দু’জনে প্রিয়তমা আর প্রিয়। আঁখির মিলনে সারা দিন-যামী ক্লান্ত না হয় আঁখি, আঁখির কুলায় চলে গো আঁখির পাখি। দু’জনে কুজনে একটি গানের কলি, অনাহত সুরে বারে বারে যায় বলি’।।
মিশ্র সুর
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ এলো আবার দুস্রা ঈদ কোর্বানি দে কোর্বানি দে শোন্ খোদার ফর্মান তাকিদ।। এমনি দিনে কোর্বানি দেন পুত্রে হজরত ইব্রাহীম, তেমনি তোরা খোদার রাহে আয় রে হবি কে শহীদ্।। মনের মাঝে পশু যে তোর আজকে তা’রে কর্ জবেহ, পুল্সেরাতের পুল হ’তে পার নিয়ে রাখ্ আগাম রসিদ্।। গলায় গলায় মিল্ রে সবে ভুলে যা ঘরোয়া বিবাদ, মিলনের ঈদগাহ্ গড়ে তোল্ প্রাণ দিয়ে তার তোল্ বুনিয়াদ।। মিলনের আর্ফাত ময়দান হোক আজি গ্রামে গ্রামে, হজের অধিক পাবি সওয়াব এক হ’লে সব মুসলিমে। বাজবে আবার নূতন ক’রে দ্বীনি ডঙ্কা, হয় উমীদ্।। ইসমাইলের মতন যদি কোর্বানি পারিস হতে দেখব আবার তোদের মাঝে দিশারি মুসা, খালিদ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

যা সখি যা তোরা গোকুলে ফিরে। যে পথে শ্যামরায় চ’লে গেছে মথুরায় কাঁদিতে দে ল’য়ে সেই পথ ধূলিরে॥ এ তো ধূলি নয়, ধূলি নয় হরি-চরণ-চিহ্ন-আঁকা এ যে হরি-চন্দন ধূলি নয়, ধূলি নয় এই ধূলি মাখিয়া, হ’য়ে পাগলিনী ফিরিব ‘শ্যাম শ্যাম’ ডাকিয়া। হব যোগিনী এই ধূলি-তিলক-আঁকিয়া॥ (সখি গো) শুনিয়াছি দূতি মুখে, প্রিয়তম আছে সুখে সেই মম পরম প্রসাদ। ভুলিয়া এ রাধিকায়, সে যদি সুখ পায় তার সে সুখে সাধিব না বাদ॥ আমার দীরঘ শ্বাসে উৎসব-বাতি তার যদি নিভে যায়। তাই ওলো ললিতা আমি হব ধূলি-দলিতা যাব না লো তার মথুরায়॥ আমি মথুরায় যাব, না গেলে মথুরাতে মোর শ্যামে আর ফিরে পাব না। (সখি গো) হারানো মানিক কভু ফিরে লোকে পায় হারানো হৃদয় ফিরে নাহি পাওয়া যায়॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
