কোকিল সাধিলি কি বাদ

বাণী

কোকিল, সাধিলি কি বাদ।
নিশি অবসান হল না মিটিতে সাধ।।
	মিলনের মোহ কেন
	ডাকিয়া ভাঙিলি হেন,
তুই রে সতিনী যেন — চন্দ্রাবলীর ফাঁদ।।
	সারা নিশি অভিমানে
	চাহিনি শ্যামের পানে,
জেগে দেখি কুহু-তানে — নাহি শ্যামচাঁদ।।
	ননদিনী কুটিলা কি
	পাঠায়েছে তোরে পাখি,
সুরের বাসরে ডাকি’ — আনিলি বিষাদ।।

কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল

বাণী

কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল
কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন, প্রেমের লহর তোল
	রে মন মায়ার বন্ধন খোল।।
নিরালা হৃদয়-যমুনাতে কে বাজায় বাঁশি আধেক রাতে
তুই কুল ভুলে চল তাহারি সাথে প্রেম-আনন্দে দোল।
	ও তুই প্রেম-আনন্দে দোল।।
সে গোলক হাতে ভালবাসে গোকুল বৃন্দাবন
মধুর প্রেমের-ভিখারি সে মদন মোহন।
প্রেম দিয়ে যে বাঁধতে পারে, সাধ কবে তার কাছে হারে
মুনি-ঋষি পায় না তারে গোপীরা পায় কোল।
	ও তার গোপীরা পায় কোল।।

লক্ষ্মী মাগো এস ঘরে

বাণী

লক্ষ্মী মাগো এস ঘরে সোনার ঝাঁপি লয়ে করে।
কমল-বনের কমলা গো বিহর হৃদি-কমল পরে।।
	কোজাগরী-পূর্ণিমাতে
	দাঁড়াও আকাশ-আঙ্গিনাতে,
মা গো, তোমার লক্ষ্মী শ্রী জোছনা-ধারায় পড়ুক ঝরে।।
চঞ্চলা গো, এই ভবনে থাকো অচঞ্চলা হয়ে,
দারিদ্র্য আর অভাব যত দূর হোক মা তোর উদয়ে।
	সুমঙ্গলা দুঃখ-হরা।
	অমৃত দাও পাত্র-ভরা,
ঐশ্বর্য উপ্‌চে পড়ুক, হরি-প্রিয়া তোমার বরে।।

‘লক্ষ্মী-বন্দনা’

কেন বারে বারে আমি এসে

বাণী

কেন বারে বারে আমি এসে’ ফিরে যাই তাহারি দুয়ারে।
পাষাণ ভাঙ্গিয়া বহিবে গো কবে নির্ঝর শত ধারে।।
পাষাণে গঠিত দেবতা বলিয়া গলে না হিয়া হায়,
বৃথা বেদীতলে কুসুম শুকায় দেউল আঁধারে।।

নাটক : ‘আলেয়া’

ফিরে যা সখি ফিরে যা ঘরে

বাণী

ফিরে যা সখি ফিরে যা ঘরে
থাকিতে দে লো এ পথে পড়ে
যে পথ ধরে গিয়াছে হরি চলি’
আমি যাব না আর গোকুলে,
সখি শিশিরে আর ভয় কি করি ভেসেছি যবে অকূলে
সখি দিসনে লো দিসনে লো রাখ গোপী-চন্দন,
চন্দনে জুড়ায় না প্রাণের ক্রন্দন।
দ্বিগুণ বাজায় জ্বালা নব মালতী-মালা,
ও যে মালা নয়, মনে হয় সাপিনীর বন্ধন।।
সখি যাহার লাগিয়া বসন ভূষণ, সেই গেল যদি চলে
কি হবে এ ছার ভূষণের ভার ফেলে দে যমুনা-জলে।
সকলের মায়া কাটায়েছি সখি, টুটিয়াছে সব বন্ধন,
যেতে দে আমায়, যথা মথুরায় বিহরে নন্দ-নন্দন।।
দেখব তারে, রাজার সাজে দেখব তারে
রাজার সাজে কেমন মানায় গো-রাখা রাখাল-রাজে।

কলমা শাহাদতে আছে খোদার জ্যোতি

বাণী

	কলমা শাহাদতে আছে খোদার জ্যোতি
	ঝিনুকের বুকে লুকিয়ে থাকে যেমন মোতি।।
	ঐ কলমা জপে যে ঘুমের আগে
	ঐ কলমা জপিয়া যে প্রভাতে জাগে,
	দুখের সংসার যার সুখময় হয়, তা’র —
তার	মুসিবত আসে নাকো, হয় না ক্ষতি।।
	হরদম জপে মনে কলমা যে জন
	খোদায়ী তত্ত্ব তা’র রহে না গোপন
	দিলের আয়না তার হয়ে যায় পাক সাফ
	আল্লার রাহে তার রহে মতি।
সদা	আল্লার রাহে তার রহে মতি।।
	এসমে আজম হতে কদর ইহার
	পায় ঘরে ব’সে খোদা রসুলের দিদার
	তাহারি হৃদয়াকাশে সাত বেহেশত নাচে
	আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি।
তার	আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি।