জানি জানি তুমি আসিবে ফিরে

বাণী

জানি জানি তুমি আসিবে ফিরে।
আবার উঠিবে চাঁদ নিরাশার তিমিরে।।
	নিঝুম কাননে থাকি
	ডাকিবে গানের পাথি,
দখিন-সমীরণ আবার বহিবে ধীরে।।
আবার গাঙের জলে আসিবে জোয়ার
জ্বলিবে আশায় দীপ, রবে না আঁধার।
	তোমার পরশ লেগে
	ঘুম মোর যাবে ভেঙে,
একদা প্রভাতে প্রিয় আকুল নয়ন-নীরে।।

ধূলার ঠাকুর ধূলার ঠাকুর

বাণী

ধূলার ঠাকুর, ধূলার ঠাকুর! তোমার সাথে ক’রব খেলা।
ধূলার আসন, ধূলার ভূষণ, ধূলি নিয়ে হেলাফেলা।।
	অনেক দূরে গহন বনে
	খেলব দু’জন আপন মনে,
খেলার নেশায় সকাল কখন হয়ে যাবে বিকাল বেলা।।
	খুঁজতে মাতা আসলে রাতে
	দু’জন গিয়ে ধরব হাতে,
বলব ঠাকুর আছেন সাথে ভয় কি গো মা নই একেলা।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’

পিয়াসী প্রাণ তারে চায়

বাণী

পিয়াসী প্রাণ তারে চায়, এনে দে তা’য়।
জনম জনম বিরহী প্রাণ মম
সাথিহীন পাখি সম কাঁদিয়া বেড়ায়।।
চাঁদের দীপ জ্বালি’ খুঁজিছে আকাশ তা’রে
না পেয়ে তাহার দিশা কাঁদে সে বাদল-ধারে।
ঝরে অভিমানে ফুল তারে না-দেখতে পেয়ে,
বহে কাঁদন-নদী পাষাণ গিরি বেয়ে।
আসিব ব’লে সে গেছে চ’লে —
(আমি) আজো আছি বেঁচে তা’রি আশায়।।

ফাগুন ফুরাবে যবে

বাণী

ফাগুন ফুরাবে যবে —
উঠিবে দীরঘ শ্বাস চম্পার বনে
কোয়েলা নীরব হবে।।
আমারে সেদিন যদি স্মরণে আসে
বেদনা জাগে ঝরা ফুল সুবাসে
আমার স্মৃতি যত ঝরা পাতার মত
ফেলিয়া দিও নীরবে।।
যবে বাসর নিশি ফুরাবে
রাতের মিলন-মালা প্রভাতে মলিন হবে;
সুখ শশী অস্ত যাবে —
আসিবে জীবনে তব বৈশাখী মলিন হবে;
লুটাবে পথের' পরে ভেঙে যাবে ঘর
সেদিন স্মরণে তব আসিবে কি তাহারে
গৃহহীন করিয়াছ যাহারে ভবে।।

আমি হব মাটির বুকে ফুল

বাণী

আমি হব মাটির বুকে ফুল
প্রভাত বেলা হয়ত পাব তোমার চরণ মূল।।
	ঠাঁই পাব গো তোমার থালায়
	রইব তোমার গলার মালায়
সুগন্ধ মোর মিশবে হাওয়ায় আনন্দ আকুল।।
আমার রঙে রঙিন হবে বন
পাখির কণ্ঠে আনব আমি গানের হরষণ।
	নাই যদি নাও তোমার গলে
	তোমার পূজা বেদীর তলে
শুকাবে গো সেই হবে মোর মরণ অতুল।।

ফুটলো যেদিন ফাল্গুনে হায় প্রথম গোলাপ-কুঁড়ি

বাণী

ফুটলো যেদিন ফাল্গুনে, হায়, প্রথম গোলাপ-কুঁড়ি
বিলাপ গেয়ে বুলবুলি মোর গেল কোথায় উড়ি।।
	কিসের আশায় গোলাপ বনে
	গাইতো সে গান আপন মনে,
লতার সনে পাতার সনে খেতো লুকোচুরি (হায়)
সেই লতাতে প্রথম প্রেমের ফুটলো মুকুল যবে
পালিয়ে গেল ভীরু পাখি অমনি নীরবে।
	বাসলে ভালো যে জন কাঁদে
	বাঁধবো তা'রে কোন সে ফাঁদে,
ফুল নিয়ে তাই অবসাদে বনের পথে ঘুরি (হায়)।।