বাণী
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
নিশি না পোহাতে যেয়ো না যেয়ো না দীপ নিভিতে দাও। নিবু-নিবু প্রদীপ নিবুক হে পথিক ক্ষণিক থাকিয়া যাও॥ ঢুলিয়া পড়িতে দাও ঘুমে অলস আঁখি ক্লান্ত করুণ কায়, সুদূর নহবতে বাঁশরি বাজিতে দাও উদাস যোগিয়ায়। হে প্রিয় প্রভাতে ও-রাঙা পায় বকুল ঝরিয়া মরিতে চায়, তব হাসির আভায় তরুণ অরুণ প্রায় দিক রাঙিয়ে যাও॥
রাগঃ ভৈরবী-যোগিয়া
তালঃ দাদ্রা

মিলন রাতের মালা হব তোমার আলোকে। সজল কাজল-লেখা হব আঁখির পলকে।। জলকে যাওয়ার কলস হব অলস সন্ধ্যায়, ছল ক’রে গো অঙ্গে তোমার পড়ব ছলকে।। তাম্বুল রাগ হব তোমার অরুণ অধরে দুল্ব স্বপন-কমল হ’য়ে ঘুমের সায়রে, জ্যোতি হব তোমার রূপের বিজ্লি-ঝলকে।। বক্ষে তোমার হার হব গো নূপুর চরণে গোপন প্রেমের দাগ হব গো হিয়ার ফলকে।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো। আজ যে যাবার সময় হলো।। নিব্বে যখন আমার বাতি আসবে তোমার নূতন সাথি, আমার কথা তা'রে বলো।। ব্যথা দেওয়ার কী যে ব্যথা জানি আমি, জানে দেবতা। জানিলে না কী অভিমান করেছে হায় আমায় পাষাণ, দাও যেতে দাও, দুয়ার খোলো।।
রাগঃ জৌনপুরী-টোড়ি
তালঃ একতাল

মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথী নাহি। ল’য়ে আহত প্রাণ একা গান গাহি।। দিবস বরষ মাস বুকে চাপি’ হা-হুতাশ, চলি মরুপথে মেঘ-ছায়া চাহি’।। কানন রচি বৃথা, কুসুম নাহি ফোটে বাসি হয় গাঁথা মালা পথের ধূলায় লোটে, কবে বহিবে নিঝর-ধারা পাষাণ বাহি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দাদ্রা
আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ