বাণী
ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে। মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।। ভালোবাসি নিঝুম রাতি যদি রহে সুন্দর সাথী, সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।
নাটক: দেবী দূর্গা
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে। মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।। ভালোবাসি নিঝুম রাতি যদি রহে সুন্দর সাথী, সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।
নাটক: দেবী দূর্গা
রাগঃ
তালঃ
গানের সাথি আছে আমার সুরের সেতু-পারে। তা’রি আশায় গানের ভেলা ভাসাই পারাবারে।। জানি জানি আমার এ সুর পাবেই পাবে চরণ বঁধুর ঐ ভেলাতে আসবে বঁধু গভীর অন্ধকারে।। ঘুমে যখন মগ্ন সবাই বন্ধু আমার আসে ফুলের মতন সুরগুলি তার মুখ চেয়ে’হাসে। উদ্দেশে তার গানগুলি মোর যায় ভেসে যায় নেশায় বিভোর যেমন ক’রে ছায় গো তপন চাঁদের অধিকারে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মা তোর কালো রূপের মাঝে রসের সাগর লুকিয়ে আছে, তোর কৃষ্ণ জ্যোতির আড়াল টেনে মোর প্রেমময় কৃষ্ণ নাচে।। (নাচে, নাচে, নাচে গো) আমি যাঁহার পরম তৃষ্ণা লয়ে কাঁদি (মা), ওমা কৃষ্ণা কেন রাখলি তারে বাঁধি, ওমা যোগমায়া সে যে বাজায় বাঁশি তোরই রূপের কদম গাছে।। আমার অভয় সুন্দরেরে কেন ভয়ের আবরণে রাখলি ঢেকে মাগো, আমি কাঁদব কত এই বিরহের বৃন্দাবনে। ওমা তোর শক্তি যমুনারি তীরে নাম লয়ে মোর শ্যাম যে কেঁদে ফিরে। তুই কোলে করে মেয়েরে তোর নিয়ে যা তাঁর পায়ের কাছে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দুপুর বেলাতে একলা পথে, ও কে হেলিয়া দুলিয়া চলিয়া যায়। ক্ষ্যাপা হাওয়াতে উড়িছে আঁচলা, খোঁপা খুলিয়া খুলিয়া খুলিয়া যায়।। ছল ক’রে জল যায় সে আনিতে দেখিয়া গুরুজন ঘোমটা দিতে, ও সে ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া যায়।। কাহার গলার মালার তরে আপন মনে আঁচল ভ’রে, ফুল তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া যায়।। কার বিরহে পরান দহে কিসের নেশায় মদির মোহে, ও সে ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া যায়।।
রাগঃ দেশ
তালঃ দাদ্রা

কাছে আমার নাইবা এলে হে বিরহী দূর ভালো। নাই কহিলে কথা তুমি ব'লো গানে সুর ভালো।। নাই দাঁড়ালে কাছে আসি' দূরে থেকেই বাজিয়ো বাঁশি। চরণ তোমার নাই বা পেলাম চরণের নূপুর ভালো।। ওগো পথে পাওয়ার চেয়ে আমায় চাওয়ায় যেন পথ-বঁধু দুই কূলেতে রইব দুজন বইবে মাঝে স্রোত-বঁধূ। পরশ তোমার চাই না প্রিয় তোমার হাতের আঘাত দিও মিলন তোমার সইতে নারি বেদনা-বিধুর ভালো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সহসা কি গোল বাঁধালো পাপিয়া আর পিকে গোলাপ ফুলের টুকটুকে রঙ চোখে লাগে ফিকে।। নাই বৃষ্টি বাদল ওলো, দৃষ্টি কেন ঝাপসা হলো? অশ্রু জলের ঝালর দোলে চোখের পাতার চিকে।। পলাশ-কলির লাল আঁখরে বনের দিকে দিকে গোপন আমার ব্যথার কথা কে গেল সই লিখে। মনে আমার পাইনে লো খেই; কে যেন নেই, কি যেন নেই। কে বনবাস দিল আমার মনের বাসন্তীকে।।
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
